ইরানের তেলমন্ত্রী মোহসেন পাকনেজাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে হংকংয়ের পতাকাবাহী কয়েকটি জাহাজকে। যেগুলো ইরানের ‘ছায়া জাহাজ বহর’-এর অংশ। এই জাহাজগুলো দিয়ে বিশ্বব্যাপী ইরান তেল রপ্তানি করছে বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়।
ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানের ওপর সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ নীতি অবলম্বন করেন। যারমধ্যে রয়েছে ইরানের তেল রপ্তানিকে শূন্যের কোটায় নিয়ে আসা। যেন তেল বিক্রির অর্থ দিয়ে দেশটি নিজেদের পারমাণবিক শক্তিকে সমৃদ্ধ করতে না পারে।
মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় ইরানের তেলমন্ত্রীর ওপর নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে বলেছে, “তিনি বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার মূল্যের তেল রপ্তানির বিষয়টি তত্ত্বাবধান করেছেন। এছাড়া ইরানি সশস্ত্র বাহিনীকে কয়েক বিলিয়ন ডলারের তেল রপ্তানির জন্য দিয়েছেন।
মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় আও বলেছে, ইরান তেল বিক্রির এসব অর্থ দিয়ে সাধারণ মানুষের স্বার্থ বাদ দিয়ে সরকারি স্বার্থ রক্ষা করছে। কিন্তু তারা যেন এগুলো করতে না পারে সেজন্য সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এছাড়া যেসব জাহাজ ইরানি তেল রপ্তানির কাজে নিয়োজিত ছিল তাদের মালিক ও পরিচালনা প্রতিষ্ঠানকেও চিহ্নিত করা হয়েছে। মার্কিনিদের দাবি, এই জাহাজগুলো চীনে তেল পাঠানোর কাজে জড়িত ছিল। যেগুলো ভারত ও চীনের একাধিক জায়গায় গেছে।
বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ইরানের সামরিক বাহিনী চীনে তেল পাঠাতে এসব ছায়া জাহাজের ওপর নির্ভরশীল।
ইরানের তেলমন্ত্রীর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
ইরানের তেলমন্ত্রী মোহসেন পাকনেজাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে হংকংয়ের পতাকাবাহী কয়েকটি জাহাজকে। যেগুলো ইরানের ‘ছায়া জাহাজ বহর’-এর অংশ। এই জাহাজগুলো দিয়ে বিশ্বব্যাপী ইরান তেল রপ্তানি করছে বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়।
ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানের ওপর সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ নীতি অবলম্বন করেন। যারমধ্যে রয়েছে ইরানের তেল রপ্তানিকে শূন্যের কোটায় নিয়ে আসা। যেন তেল বিক্রির অর্থ দিয়ে দেশটি নিজেদের পারমাণবিক শক্তিকে সমৃদ্ধ করতে না পারে।
মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় ইরানের তেলমন্ত্রীর ওপর নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে বলেছে, “তিনি বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার মূল্যের তেল রপ্তানির বিষয়টি তত্ত্বাবধান করেছেন। এছাড়া ইরানি সশস্ত্র বাহিনীকে কয়েক বিলিয়ন ডলারের তেল রপ্তানির জন্য দিয়েছেন।
মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় আও বলেছে, ইরান তেল বিক্রির এসব অর্থ দিয়ে সাধারণ মানুষের স্বার্থ বাদ দিয়ে সরকারি স্বার্থ রক্ষা করছে। কিন্তু তারা যেন এগুলো করতে না পারে সেজন্য সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এছাড়া যেসব জাহাজ ইরানি তেল রপ্তানির কাজে নিয়োজিত ছিল তাদের মালিক ও পরিচালনা প্রতিষ্ঠানকেও চিহ্নিত করা হয়েছে। মার্কিনিদের দাবি, এই জাহাজগুলো চীনে তেল পাঠানোর কাজে জড়িত ছিল। যেগুলো ভারত ও চীনের একাধিক জায়গায় গেছে।
বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ইরানের সামরিক বাহিনী চীনে তেল পাঠাতে এসব ছায়া জাহাজের ওপর নির্ভরশীল।
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ জাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক
আলহাজ্ব শেখ সিদ্দিকুর রহমান
বার্তা সম্পাদক
তাকছিমুন নাহার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
ইঞ্জিনিয়ার কে এম মেহেদী হাসান
|
মোবাইল: ০১৭১১২৪৯৭৭০
হোয়াটস্অ্যাপ: ০১৭১১২৪৯৭৭০
প্রধান কার্যালয় মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
Email: deshpatrika24@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 25, 2026, 3:11 pm