শেষ হলো সাতক্ষীরা আশাশুনির বেড়িবাঁধের রিং বাঁধের প্রাথমিক কাজ

  বিশেষ প্রতিনিধি    04-04-2025    282
শেষ হলো সাতক্ষীরা আশাশুনির বেড়িবাঁধের রিং বাঁধের প্রাথমিক কাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক, সাতক্ষীরা: দীর্ঘ চারদিন প্রচেষ্টার পর অবশেষে আশাশুনির বিছট পয়েন্টের রিং বাঁধটির প্রাথমিক কাজ শেষ হয়েছে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধানে এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সার্বিক সহযোগিতায় জিও টিউবের মাধ্যমে বিকল্প রিংবাঁধের কাজ সম্পন্ন হওয়ায় আজ শুক্রবার দুপুর থেকে পানি লোকালয়ে প্রবেশ বন্ধ হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সাতক্ষীরায় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো-২)-এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাখাওয়াত হোসেন।

তিনি আরো বলেন, প্রাথমিকভাবে এই সংস্কারের ফলে আনুলিয়া ইউনিয়নের বিছট, নয়াখালী, বাসুদেবপুর, বল্লভপুর, চেচুয়া, কাকবাসিয়া ও আনুলিয়ার কিছু এলাকা রক্ষা পেয়েছে। বর্তমানে বাঁধের ওপরে সেকেন্ড ও থার্ড লেয়ারের কাজ শেষ হতে আর দুদিন লাগবে। এরপর সেখানে মাটি ফেলার কাজ করে বাঁধটি স্থায়ী রুপ দেয়া হবে বলে জানান।

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নের বিছট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধটি ঈদের দিন ভেঙে যায়।

প্রথম দফা চেষ্টা করেও বাঁধটি সংস্কার করতে ব্যর্থ হয়। পরে গত তিনদিন ধরে পানি উন্নয়ন বোর্ড, বলগেট মেশিনের সাহায্যে বার্জের মাধ্যমে জিওটিউব ব্যাগে বালি ভরে বাঁধটি নির্মাণ কাজ শুরু করে। ভাঙন এলাকার তিনশ মিটার এলাকাজুড়ে রিং বাঁধের কাজটি শুক্রবার দুপুর নাগাদ প্রাথমিকভাবে শেষ হয়েছে। তবে বাঁধটি আপাতত সংস্কার হলেও এলাকাবাসীর দাবি টেকস‌ই বেড়িবাঁধ নির্মাণের।

উল্লেখ্য, ৩১ মার্চ ঈদুল ফিতরের দিন সকালে পাউবো বিভাগ-২ এর আওতাধীন ৭/২ পোল্ডারের বিছট গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন আব্দুর রহিম সরদারের মৎস্য ঘেরের বাসার কাছ থেকে প্রায় দুইশ ফুট এলাকা জুড়ে খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এতে পানি ঢুকে সাতটি গ্রাম প্লাবিত হয়। ক্ষতি হয় কাঁচা ঘরবাড়ি, ধান ক্ষেত, ভেসে যায় হাজার হাজার বিঘা মৎস্য ঘের। বর্তমানে এসব এলাকার মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

সারাদেশ-এর আরও খবর