ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মিরে পর্যটকদের ওপর হামলায় ২৬ বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) সেখানকার অনন্তনাগ বিভাগের পাহালগামে এ হামলা হয় বলে জানিয়েছে স্থানীয় সূত্র।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, যেখানে হামলা হয়েছে সেটি একটি বিস্তৃত তৃণভূমি। ওই স্থানটিতে শুধুমাত্র ঘোড়া অথবা পায়ে হেঁটে যাওয়া যায়। মঙ্গলবার সকালে সেখানে পর্যটকদের একটি দল গিয়েছিল। ওই সময় তাদের ওপর হামলা হয়।
জম্মু-কাশ্মিরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আব্দুল্লাহ জানিয়েছেন, নিহতের সংখ্যা এখনো নিরূপণ করা হচ্ছে। তিনি বলেছেন, “বেসামরিকদের ওপর এখন পর্যন্ত আমরা যেসব হামলা দেখেছি সেগুলোর তুলনায় এটি অনেক বড়।
এ ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন এবং তাকে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। এরপর অমিত শাহ ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরের রাজধানী শ্রীনগরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। সেখানে তিনি একটি জরুরি বৈঠকে বসবেন।
বার্তাসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, হামলাস্থল ছিল পাহালগামের বৈসারান তৃণভূমিতে। সেখানে একটি রিসোর্টের কাছে হামলার পর অনেকের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা গেছে।
বার্তাসংস্থাটি আরও জানিয়েছে, ভারী অস্ত্রেসস্ত্রে সজ্জিত অস্ত্রধারীরা পাহাড়ের ওপরের তৃণভূমির গাছপালার আড়াল থেকে বেরিয়ে আসে। তারা ৪০ জনের একটি পর্যটক দলকে ঘিরে ফেলে। এরপর এলোপাতাড়ি গুলি শুরু করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, অস্ত্রধারীরা যখন গুলি চালানো শুরু করে, তখন স্থানীয়রা, যারা পর্যটকদের কাছে মালামাল বিক্রি করেন, তারা নিরাপদস্থানে সরে যান। এতে শুধুমাত্র পর্যটকরা গোলাগুলির মাঝে পড়েন। তখন তাদের ওপর নির্বিচার গুলি ছোড়া হয়।
পিটিআইকে এক নারী টেলিফোনে বলেছেন, “আমার স্বামীর মাথায় গুলি লেগেছে। এছাড়া আরও সাতজন আহত হয়েছেন।” তিনি সাংবাদিকের কাছে অনুরোধ করে বলেন, “ভাই, দয়া করে আমার স্বামীকে বাঁচান।
জনপ্রিয় ওই জায়গাটিতে যেহেতু শুধু পায়ে হেঁটে বা ঘোড়ায় করে যাওয়া যায়। তাই আহতদের উদ্ধারে ঘটনাস্থলে হেলিকপ্টার পাঠাতে অনুরোধ জানায় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
নিহতদের মধ্যে কর্ণাটকের শিভমগ্গার এক ব্যবসায়ী রয়েছেন। নিহত ব্যক্তির পরিবার জানিয়েছে, তার নাম মুঞ্জুনাথ রাও (৪৭)। তিনি স্ত্রী পল্লবী ও ছেলে অভিজয়কে নিয়ে জম্মু-কাশ্মিরে ঘুরতে গিয়েছিলেন।
স্ত্রী পল্লবী ফোনে কর্ণাটকের স্থানীয় একটি সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, “আমাদের চোখের সামনে আমার স্বামীকে সন্ত্রাসীরা হত্যা করেছে। আমি তাদের আমাকেও হত্যা করতে বলেছিলাম। কিন্তু তারা আমাকে জানায়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে বার্তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য আমাকে বাঁচিয়ে রাখা হবে।
ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরে পর্যটকদের ওপর হামলায় ২৬ জন নিহত
ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মিরে পর্যটকদের ওপর হামলায় ২৬ বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) সেখানকার অনন্তনাগ বিভাগের পাহালগামে এ হামলা হয় বলে জানিয়েছে স্থানীয় সূত্র।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, যেখানে হামলা হয়েছে সেটি একটি বিস্তৃত তৃণভূমি। ওই স্থানটিতে শুধুমাত্র ঘোড়া অথবা পায়ে হেঁটে যাওয়া যায়। মঙ্গলবার সকালে সেখানে পর্যটকদের একটি দল গিয়েছিল। ওই সময় তাদের ওপর হামলা হয়।
জম্মু-কাশ্মিরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আব্দুল্লাহ জানিয়েছেন, নিহতের সংখ্যা এখনো নিরূপণ করা হচ্ছে। তিনি বলেছেন, “বেসামরিকদের ওপর এখন পর্যন্ত আমরা যেসব হামলা দেখেছি সেগুলোর তুলনায় এটি অনেক বড়।
এ ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন এবং তাকে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। এরপর অমিত শাহ ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরের রাজধানী শ্রীনগরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। সেখানে তিনি একটি জরুরি বৈঠকে বসবেন।
বার্তাসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, হামলাস্থল ছিল পাহালগামের বৈসারান তৃণভূমিতে। সেখানে একটি রিসোর্টের কাছে হামলার পর অনেকের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা গেছে।
বার্তাসংস্থাটি আরও জানিয়েছে, ভারী অস্ত্রেসস্ত্রে সজ্জিত অস্ত্রধারীরা পাহাড়ের ওপরের তৃণভূমির গাছপালার আড়াল থেকে বেরিয়ে আসে। তারা ৪০ জনের একটি পর্যটক দলকে ঘিরে ফেলে। এরপর এলোপাতাড়ি গুলি শুরু করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, অস্ত্রধারীরা যখন গুলি চালানো শুরু করে, তখন স্থানীয়রা, যারা পর্যটকদের কাছে মালামাল বিক্রি করেন, তারা নিরাপদস্থানে সরে যান। এতে শুধুমাত্র পর্যটকরা গোলাগুলির মাঝে পড়েন। তখন তাদের ওপর নির্বিচার গুলি ছোড়া হয়।
পিটিআইকে এক নারী টেলিফোনে বলেছেন, “আমার স্বামীর মাথায় গুলি লেগেছে। এছাড়া আরও সাতজন আহত হয়েছেন।” তিনি সাংবাদিকের কাছে অনুরোধ করে বলেন, “ভাই, দয়া করে আমার স্বামীকে বাঁচান।
জনপ্রিয় ওই জায়গাটিতে যেহেতু শুধু পায়ে হেঁটে বা ঘোড়ায় করে যাওয়া যায়। তাই আহতদের উদ্ধারে ঘটনাস্থলে হেলিকপ্টার পাঠাতে অনুরোধ জানায় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
নিহতদের মধ্যে কর্ণাটকের শিভমগ্গার এক ব্যবসায়ী রয়েছেন। নিহত ব্যক্তির পরিবার জানিয়েছে, তার নাম মুঞ্জুনাথ রাও (৪৭)। তিনি স্ত্রী পল্লবী ও ছেলে অভিজয়কে নিয়ে জম্মু-কাশ্মিরে ঘুরতে গিয়েছিলেন।
স্ত্রী পল্লবী ফোনে কর্ণাটকের স্থানীয় একটি সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, “আমাদের চোখের সামনে আমার স্বামীকে সন্ত্রাসীরা হত্যা করেছে। আমি তাদের আমাকেও হত্যা করতে বলেছিলাম। কিন্তু তারা আমাকে জানায়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে বার্তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য আমাকে বাঁচিয়ে রাখা হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ জাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক
আলহাজ্ব শেখ সিদ্দিকুর রহমান
বার্তা সম্পাদক
তাকছিমুন নাহার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
ইঞ্জিনিয়ার কে এম মেহেদী হাসান
|
মোবাইল: ০১৭১১২৪৯৭৭০
হোয়াটস্অ্যাপ: ০১৭১১২৪৯৭৭০
প্রধান কার্যালয় মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
Email: deshpatrika24@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 25, 2026, 4:37 pm