ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুরের চান্দেল জেলায় অভিযান চালিয়ে ১০ বিচ্ছিন্নতাবাদীকে হত্যা করেছে দেশটির অন্যতম আধা সামরিক বাহিনী আসাম রাইফেলস (এআর)। চান্দেল জেলাটি ভারত-মিয়ানমারের সীমান্ত সংলগ্ন।
বুধবার থেকে চান্দেল জেলার বিভিন্ন এলকায় অভিযান পরিচালনা করছে আসাম রাইফেলস। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের পক্ষ থেকে এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, “সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মণিপুরের চান্দেল জেলার খেংজয় উপজেলার নিউ সামতাল গ্রামে অভিযান চালানো হচ্ছে। অভিযানে এ পর্যন্ত ১০ জন বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের অভিযান চলবে।”
প্রসঙ্গত, বিভিন্ন জনজাতি অধ্যুষিত মণিপুরে জাতিগত সংঘাতের শুরু ২০২৩ সালের মে মাস থেকে। সে বছর ৪ মে মণিপুরের হিন্দু ধর্মাবলম্বী মেইতেই জনগোষ্ঠীকে তফসিলি জাতি হিসেবে ঘোষণা করে মণিপুর হাইকোর্ট। উচ্চ আদালতের এ সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে প্রতিবাদে ফুঁসে ওঠে রাজ্যটির বৃহত্তম সংখ্যালঘু ও খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী জাতিগোষ্ঠী কুকি।
কিন্তু খুবই অল্প সময়ের মধ্যে কুকিদের এই প্রতিবাদ-বিক্ষোভ রূপ নেয় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায়। অশান্ত সেই পরিস্থিতির সুযোগে সক্রিয় হয়ে ওঠে বিদ্রোহী বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। এই বিচ্ছিন্নতাবাদীদের অধিকাংশই কুকি এবং জো জাতিগোষ্ঠীর।
গত দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা এই জাতিগত সংঘাতে মণিপুরে নিহত হয়েছে আড়াই শতাধিক মানুষ এবং বাড়িঘর ছেড়ে বাস্তুচ্যুত হতে বাধ্য হয়েছেন আরও কয়েক হাজার। এখনও রাজ্যের পরিস্থিতি শান্ত হয়নি।
সংঘাত শুরুর সময় মণিপুরের রাজ্য সরকারে বিজেপি ক্ষমতাসীন ছিল। গত ৯ ফেব্রুয়ারি পদত্যাগ করেন মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিং। তারপর ১৩ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতির শাসন জারি হয় মণিপুরে।
মণিপুরে আসাম রাইফেলসের অভিযান, নিহত ১০ বিচ্ছিন্নতাবাদী
ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুরের চান্দেল জেলায় অভিযান চালিয়ে ১০ বিচ্ছিন্নতাবাদীকে হত্যা করেছে দেশটির অন্যতম আধা সামরিক বাহিনী আসাম রাইফেলস (এআর)। চান্দেল জেলাটি ভারত-মিয়ানমারের সীমান্ত সংলগ্ন।
বুধবার থেকে চান্দেল জেলার বিভিন্ন এলকায় অভিযান পরিচালনা করছে আসাম রাইফেলস। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের পক্ষ থেকে এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, “সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মণিপুরের চান্দেল জেলার খেংজয় উপজেলার নিউ সামতাল গ্রামে অভিযান চালানো হচ্ছে। অভিযানে এ পর্যন্ত ১০ জন বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের অভিযান চলবে।”
প্রসঙ্গত, বিভিন্ন জনজাতি অধ্যুষিত মণিপুরে জাতিগত সংঘাতের শুরু ২০২৩ সালের মে মাস থেকে। সে বছর ৪ মে মণিপুরের হিন্দু ধর্মাবলম্বী মেইতেই জনগোষ্ঠীকে তফসিলি জাতি হিসেবে ঘোষণা করে মণিপুর হাইকোর্ট। উচ্চ আদালতের এ সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে প্রতিবাদে ফুঁসে ওঠে রাজ্যটির বৃহত্তম সংখ্যালঘু ও খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী জাতিগোষ্ঠী কুকি।
কিন্তু খুবই অল্প সময়ের মধ্যে কুকিদের এই প্রতিবাদ-বিক্ষোভ রূপ নেয় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায়। অশান্ত সেই পরিস্থিতির সুযোগে সক্রিয় হয়ে ওঠে বিদ্রোহী বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। এই বিচ্ছিন্নতাবাদীদের অধিকাংশই কুকি এবং জো জাতিগোষ্ঠীর।
গত দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা এই জাতিগত সংঘাতে মণিপুরে নিহত হয়েছে আড়াই শতাধিক মানুষ এবং বাড়িঘর ছেড়ে বাস্তুচ্যুত হতে বাধ্য হয়েছেন আরও কয়েক হাজার। এখনও রাজ্যের পরিস্থিতি শান্ত হয়নি।
সংঘাত শুরুর সময় মণিপুরের রাজ্য সরকারে বিজেপি ক্ষমতাসীন ছিল। গত ৯ ফেব্রুয়ারি পদত্যাগ করেন মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিং। তারপর ১৩ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতির শাসন জারি হয় মণিপুরে।
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ জাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক
আলহাজ্ব শেখ সিদ্দিকুর রহমান
বার্তা সম্পাদক
তাকছিমুন নাহার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
ইঞ্জিনিয়ার কে এম মেহেদী হাসান
|
মোবাইল: ০১৭১১২৪৯৭৭০
হোয়াটস্অ্যাপ: ০১৭১১২৪৯৭৭০
প্রধান কার্যালয় মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
Email: deshpatrika24@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 25, 2026, 3:10 pm