নবাবগঞ্জ থানাধীন গালিমপুর ইউনিয়নে ০৭/০৮/২০২৪ তারিখে রামনাথপুর গ্রামে বসবাসরত নকশা বন্দী তরিকার পীর মরহুম হযরত মোহাম্মদ বরকত উল্লাহ খানের দরবারে এলাহী জামে মসজিদ ও দোতলা বাড়ি ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলা নং ১০/২০২৪ প্রত্যাহার দাবিতে গত ২৩/০৫/২০২৫ তারিখ, শুক্রবার বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ মিছিল শেষে তারা সংক্ষিপ্ত মিটিং করে। উক্ত মিটিংয়ে বক্তারা আগামী ৩০/০৫/২০২৫ তারিখ সূর্যখালী মাঠে সমাবেশ ডেকেছে ।
১৯৯৭ সালের ২৪ মার্চ তারা কোমরগঞ্জে এক সম্মেলন করে উক্ত সম্মেলন থেকে বহু লোক একত্রিত হয়ে হযরত মুহাম্মদ বরকত উল্লাহ খানের বাড়িতে প্রতিষ্ঠিত মসজিদ এবং বাড়িঘর ভাঙচুর এবং অগ্নি সংযোগ করে। এভাবে তারা ১৯৯৮ ও ১৯৯৯সালেও দ্বিতীয় ও তৃতীয়বার একই রকমভাবে ওই বাড়ির মসজিদ এবং ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে। তারা বিভিন্ন সময়ে বহুবার সমাবেশ ডেকে বাড়িঘর ও মসজিদ ভাঙচুর ও পোড়ানোর পায়তারা করেছে কিন্তু আদালত ও প্রশাসন তাদের পাঁয়তারা রুখে দিয়েছে।
তারা সংক্ষুদ্ধ বক্তৃতায় ১৯৯৭ সালের ২৫ শে মার্চের রাতে আব্দুল হামিদ ও ইয়াহিয়ার নেতৃত্বে ভাঙচুর করা মসজিদ ও বাড়িঘরের কথা উল্লেখ করে ঘোষণা করেন আগামী ৩০/০৫/২০২৫ সমাবেশ শেষে বরকত উল্লাহ খানের মসজিদ ও বাড়ির অবশিষ্ট প্রতিটি ইট খুলে নেওয়া হবে।
এমতবস্থায় এলাকায় স্থানীয় মানুষের মধ্যে চরম উৎকণ্ঠা ও আতংক বিরাজ করছে । উক্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হলে মব সৃষ্টি করে উক্ত মসজিদ ও ঘরবাড়ি পুনরায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা করতে পারে যার ফলে এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলার অবনতি ও রক্তপাত ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য উক্ত সমাবেশ বন্ধ হওয়া অতি জরুরী বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।
নবাবগঞ্জে সমাবেশকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা এলাকাবাসীর
নবাবগঞ্জ থানাধীন গালিমপুর ইউনিয়নে ০৭/০৮/২০২৪ তারিখে রামনাথপুর গ্রামে বসবাসরত নকশা বন্দী তরিকার পীর মরহুম হযরত মোহাম্মদ বরকত উল্লাহ খানের দরবারে এলাহী জামে মসজিদ ও দোতলা বাড়ি ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলা নং ১০/২০২৪ প্রত্যাহার দাবিতে গত ২৩/০৫/২০২৫ তারিখ, শুক্রবার বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ মিছিল শেষে তারা সংক্ষিপ্ত মিটিং করে। উক্ত মিটিংয়ে বক্তারা আগামী ৩০/০৫/২০২৫ তারিখ সূর্যখালী মাঠে সমাবেশ ডেকেছে ।
১৯৯৭ সালের ২৪ মার্চ তারা কোমরগঞ্জে এক সম্মেলন করে উক্ত সম্মেলন থেকে বহু লোক একত্রিত হয়ে হযরত মুহাম্মদ বরকত উল্লাহ খানের বাড়িতে প্রতিষ্ঠিত মসজিদ এবং বাড়িঘর ভাঙচুর এবং অগ্নি সংযোগ করে। এভাবে তারা ১৯৯৮ ও ১৯৯৯সালেও দ্বিতীয় ও তৃতীয়বার একই রকমভাবে ওই বাড়ির মসজিদ এবং ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে। তারা বিভিন্ন সময়ে বহুবার সমাবেশ ডেকে বাড়িঘর ও মসজিদ ভাঙচুর ও পোড়ানোর পায়তারা করেছে কিন্তু আদালত ও প্রশাসন তাদের পাঁয়তারা রুখে দিয়েছে।
তারা সংক্ষুদ্ধ বক্তৃতায় ১৯৯৭ সালের ২৫ শে মার্চের রাতে আব্দুল হামিদ ও ইয়াহিয়ার নেতৃত্বে ভাঙচুর করা মসজিদ ও বাড়িঘরের কথা উল্লেখ করে ঘোষণা করেন আগামী ৩০/০৫/২০২৫ সমাবেশ শেষে বরকত উল্লাহ খানের মসজিদ ও বাড়ির অবশিষ্ট প্রতিটি ইট খুলে নেওয়া হবে।
এমতবস্থায় এলাকায় স্থানীয় মানুষের মধ্যে চরম উৎকণ্ঠা ও আতংক বিরাজ করছে । উক্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হলে মব সৃষ্টি করে উক্ত মসজিদ ও ঘরবাড়ি পুনরায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা করতে পারে যার ফলে এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলার অবনতি ও রক্তপাত ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য উক্ত সমাবেশ বন্ধ হওয়া অতি জরুরী বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ জাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক
আলহাজ্ব শেখ সিদ্দিকুর রহমান
বার্তা সম্পাদক
তাকছিমুন নাহার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
ইঞ্জিনিয়ার কে এম মেহেদী হাসান
|
মোবাইল: ০১৭১১২৪৯৭৭০
হোয়াটস্অ্যাপ: ০১৭১১২৪৯৭৭০
প্রধান কার্যালয় মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
Email: deshpatrika24@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 25, 2026, 3:09 pm