যুক্তরাষ্ট্রে হামের ভয়াবহ প্রকোপ দেখা দিয়েছে। দেশটিতে এই রোগের সংক্রমণ গত ৩৩ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। জন হপকিন্স ইউনিভার্সিটির সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, গত শুক্রবার পর্যন্ত দেশজুড়ে ১২৭৭ জন হামে আক্রান্ত হয়েছেন।
মূলত টিকা না নেওয়ার প্রবণতাই এই সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার মূল কারণ। মঙ্গলবার (৮ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
সংবাদমাধ্যমটি বলছে, এই ভাইরাসটি অত্যন্ত সংক্রামক, তবে টিকা দিলে তা প্রতিরোধ করা সম্ভব। একসময় যুক্তরাষ্ট্রে হামের প্রকোপ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে এসেছিল, এমনকি ২০০০ সালে এই রোগ নির্মূল হয়েছে বলেও ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে টিকা বিরোধী মনোভাব বাড়ায় সংক্রমণ আবার বাড়ছে।
চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৮টি অঙ্গরাজ্য ও ওয়াশিংটন ডিসিতে হাম শনাক্ত হয়েছে। এখন পর্যন্ত অন্তত ৩ জন মারা গেছেন এবং হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৫৫ জন।
মার্কিন রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি) জানায়, সংক্রমিতদের মধ্যে ৯২ শতাংশই টিকা নেয়নি বা তাদের টিকা নেওয়ার ইতিহাস জানা নেই। সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে টেক্সাসে—৭০০ জনের বেশি। কানসাস এবং নিউ মেক্সিকোতেও ডজনখানেক আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম মূলত এমন এলাকাগুলোতে ছড়াচ্ছে যেখানে টিকাদান হার কম, যেমন টেক্সাসের মেনোনাইট সম্প্রদায়গুলো আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থাকে গ্রহণ করে না।
বিবিসি বলছে, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে টিকার বিরুদ্ধে মতবাদ ছড়িয়ে পড়েছে। এমনকি মার্কিন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও সাবেক প্রেসিডেন্ট প্রার্থী রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়রও আগে শিশুদের টিকা নিয়ে ভুল তথ্য প্রচার করেছিলেন। পরে, পরিস্থিতি খারাপ হলে তিনিও মিজলস, মামস ও রুবেলার (এমএমআর) টিকার পক্ষে মত দেন এবং বলেন, “এই টিকাই হাম প্রতিরোধে সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি।”
সিডিসির তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে হাম আক্রান্তের সংখ্যা ছিল প্রায় ২৮ হাজার। এরপর সফল টিকাদান কর্মসূচির কারণে তা ৯০-এ নেমে আসে। ২০১৪ ও ২০১৯ সালে কিছুটা বৃদ্ধি দেখা গেলেও ২০২৫ সালে আক্রান্তের সংখ্যা সেই ২০১৯ সালের সংখ্যাকেও ছাড়িয়ে গেছে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, যদি আগামী ১২ মাস এই হারে হাম ছড়াতে থাকে, তবে যুক্তরাষ্ট্র “হাম নির্মূল দেশ” হিসেবে আর বিবেচিত হবে না।
তবে ভালো দিক হলো, এই সংক্রমণের মধ্যে অনেকেই টিকা নিতে আগ্রহী হচ্ছেন। শুধু টেক্সাসেই ১ জানুয়ারি থেকে ১৬ মার্চ পর্যন্ত ১ লাখ ৭৩ হাজার হাম টিকার ডোজ দেওয়া হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় বেশি।
যুক্তরাষ্ট্রে হামের ভয়াবহ প্রকোপ, ৩৩ বছরে সর্বোচ্চ আক্রান্তের রেকর্ড
যুক্তরাষ্ট্রে হামের ভয়াবহ প্রকোপ দেখা দিয়েছে। দেশটিতে এই রোগের সংক্রমণ গত ৩৩ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। জন হপকিন্স ইউনিভার্সিটির সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, গত শুক্রবার পর্যন্ত দেশজুড়ে ১২৭৭ জন হামে আক্রান্ত হয়েছেন।
মূলত টিকা না নেওয়ার প্রবণতাই এই সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার মূল কারণ। মঙ্গলবার (৮ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
সংবাদমাধ্যমটি বলছে, এই ভাইরাসটি অত্যন্ত সংক্রামক, তবে টিকা দিলে তা প্রতিরোধ করা সম্ভব। একসময় যুক্তরাষ্ট্রে হামের প্রকোপ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে এসেছিল, এমনকি ২০০০ সালে এই রোগ নির্মূল হয়েছে বলেও ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে টিকা বিরোধী মনোভাব বাড়ায় সংক্রমণ আবার বাড়ছে।
চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৮টি অঙ্গরাজ্য ও ওয়াশিংটন ডিসিতে হাম শনাক্ত হয়েছে। এখন পর্যন্ত অন্তত ৩ জন মারা গেছেন এবং হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৫৫ জন।
মার্কিন রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি) জানায়, সংক্রমিতদের মধ্যে ৯২ শতাংশই টিকা নেয়নি বা তাদের টিকা নেওয়ার ইতিহাস জানা নেই। সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে টেক্সাসে—৭০০ জনের বেশি। কানসাস এবং নিউ মেক্সিকোতেও ডজনখানেক আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম মূলত এমন এলাকাগুলোতে ছড়াচ্ছে যেখানে টিকাদান হার কম, যেমন টেক্সাসের মেনোনাইট সম্প্রদায়গুলো আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থাকে গ্রহণ করে না।
বিবিসি বলছে, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে টিকার বিরুদ্ধে মতবাদ ছড়িয়ে পড়েছে। এমনকি মার্কিন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও সাবেক প্রেসিডেন্ট প্রার্থী রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়রও আগে শিশুদের টিকা নিয়ে ভুল তথ্য প্রচার করেছিলেন। পরে, পরিস্থিতি খারাপ হলে তিনিও মিজলস, মামস ও রুবেলার (এমএমআর) টিকার পক্ষে মত দেন এবং বলেন, “এই টিকাই হাম প্রতিরোধে সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি।”
সিডিসির তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে হাম আক্রান্তের সংখ্যা ছিল প্রায় ২৮ হাজার। এরপর সফল টিকাদান কর্মসূচির কারণে তা ৯০-এ নেমে আসে। ২০১৪ ও ২০১৯ সালে কিছুটা বৃদ্ধি দেখা গেলেও ২০২৫ সালে আক্রান্তের সংখ্যা সেই ২০১৯ সালের সংখ্যাকেও ছাড়িয়ে গেছে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, যদি আগামী ১২ মাস এই হারে হাম ছড়াতে থাকে, তবে যুক্তরাষ্ট্র “হাম নির্মূল দেশ” হিসেবে আর বিবেচিত হবে না।
তবে ভালো দিক হলো, এই সংক্রমণের মধ্যে অনেকেই টিকা নিতে আগ্রহী হচ্ছেন। শুধু টেক্সাসেই ১ জানুয়ারি থেকে ১৬ মার্চ পর্যন্ত ১ লাখ ৭৩ হাজার হাম টিকার ডোজ দেওয়া হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় বেশি।
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ জাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক
আলহাজ্ব শেখ সিদ্দিকুর রহমান
বার্তা সম্পাদক
তাকছিমুন নাহার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
ইঞ্জিনিয়ার কে এম মেহেদী হাসান
|
মোবাইল: ০১৭১১২৪৯৭৭০
হোয়াটস্অ্যাপ: ০১৭১১২৪৯৭৭০
প্রধান কার্যালয় মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
Email: deshpatrika24@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 25, 2026, 4:40 pm