বাণিজ্যের নতুন সম্ভাবনা নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে প্রথমবারের মতো ভারত থেকে আগরবাতি আমদানি হয়েছে। গতকাল দুপুরে চার টন আগরবাতি নিয়ে একটি ভারতীয় ট্রাক বাংলাদেশে প্রবেশ করে।
বন্দর সূত্রে জানা গেছে, আমদানি করা প্রতিটন আগরবাতির মূল্য ধরা হয়েছে ১,২০০ মার্কিন ডলার। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই ও আনুষ্ঠানিকতা শেষে আজ আগরবাতিগুলো খালাসের সম্ভাবনা রয়েছে।
আখাউড়া স্থলবন্দরের আমদানিকারক ও সিএন্ডএফ এজেন্ট প্রতিষ্ঠান আদনান ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী মো. আক্তার হোসেন বলেন, “বাংলাদেশে আগরবাতির ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। বাজারে ভালো চাহিদা থাকায় আমরা ভারতে উৎপাদিত উন্নতমানের আগরবাতি আমদানি করেছি। প্রথম চালানে চার টন পণ্য এসেছে, ভবিষ্যতে চাহিদা অনুযায়ী আমদানির পরিমাণ বাড়ানো হবে।”
তিনি আরও বলেন, “এই নতুন পণ্য আমদানির মধ্য দিয়ে আখাউড়া স্থলবন্দর আরও কার্যকর ও বহুমুখী বাণিজ্যের কেন্দ্রে পরিণত হবে বলে আশা করছি।”
বন্দরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগরবাতির মতো কনজ্যুমার পণ্য আমদানির ফলে একদিকে যেমন বন্দরের আয় বাড়বে, অন্যদিকে স্থানীয় শ্রমবাজারেও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। একইসঙ্গে এ ধরনের পণ্য আমদানিতে শুল্ক ও ভ্যাট বাবদ রাজস্ব আয় বাড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে প্রথমবারের মতো আগরবাতি আমদানি
বাণিজ্যের নতুন সম্ভাবনা নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে প্রথমবারের মতো ভারত থেকে আগরবাতি আমদানি হয়েছে। গতকাল দুপুরে চার টন আগরবাতি নিয়ে একটি ভারতীয় ট্রাক বাংলাদেশে প্রবেশ করে।
বন্দর সূত্রে জানা গেছে, আমদানি করা প্রতিটন আগরবাতির মূল্য ধরা হয়েছে ১,২০০ মার্কিন ডলার। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই ও আনুষ্ঠানিকতা শেষে আজ আগরবাতিগুলো খালাসের সম্ভাবনা রয়েছে।
আখাউড়া স্থলবন্দরের আমদানিকারক ও সিএন্ডএফ এজেন্ট প্রতিষ্ঠান আদনান ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী মো. আক্তার হোসেন বলেন, “বাংলাদেশে আগরবাতির ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। বাজারে ভালো চাহিদা থাকায় আমরা ভারতে উৎপাদিত উন্নতমানের আগরবাতি আমদানি করেছি। প্রথম চালানে চার টন পণ্য এসেছে, ভবিষ্যতে চাহিদা অনুযায়ী আমদানির পরিমাণ বাড়ানো হবে।”
তিনি আরও বলেন, “এই নতুন পণ্য আমদানির মধ্য দিয়ে আখাউড়া স্থলবন্দর আরও কার্যকর ও বহুমুখী বাণিজ্যের কেন্দ্রে পরিণত হবে বলে আশা করছি।”
বন্দরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগরবাতির মতো কনজ্যুমার পণ্য আমদানির ফলে একদিকে যেমন বন্দরের আয় বাড়বে, অন্যদিকে স্থানীয় শ্রমবাজারেও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। একইসঙ্গে এ ধরনের পণ্য আমদানিতে শুল্ক ও ভ্যাট বাবদ রাজস্ব আয় বাড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ জাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক
আলহাজ্ব শেখ সিদ্দিকুর রহমান
বার্তা সম্পাদক
তাকছিমুন নাহার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
ইঞ্জিনিয়ার কে এম মেহেদী হাসান
|
মোবাইল: ০১৭১১২৪৯৭৭০
হোয়াটস্অ্যাপ: ০১৭১১২৪৯৭৭০
প্রধান কার্যালয় মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
Email: deshpatrika24@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 25, 2026, 3:11 pm