মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) ক্রমবর্ধমান বর্বরতার শিকার হচ্ছে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী।
সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। অভিযোগ উঠেছে, রাখাইনে কবরস্থানও ধ্বংস করে দখলে নিচ্ছে আরাকান আর্মি এবং মৃতদেহ দাফন করতে হচ্ছে ধানক্ষেতে। এমন পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গারা মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও আরাকান আর্মি, উভয় পক্ষের সংঘাতের মাঝে জিম্মি হয়ে পড়েছে।
হিউম্যান রাইটস ওয়াচের (এইচআরডব্লিউ) একটি প্রতিবেদনে এই ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে।
বুথিডংয়ের কিন টং গ্রামের দুই বাসিন্দা এইচআরডব্লিউকে জানিয়েছেন, গত মে মাসে আরাকান আর্মি তাদের কবরস্থানটি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দিয়েছে। এরপর তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এখন থেকে মৃতদেহ ধানক্ষেতেই দাফন করতে হবে।
এইচআরডব্লিউ এর তথ্যানুযায়ী, আরাকান আর্মির দখলকৃত এলাকাগুলোতে রোহিঙ্গাদের চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। বাড়িঘর লুটপাট, নির্বিচারে আটক ও খারাপ আচরণ, বাধ্যতামূলক শ্রমে নিয়োগ এবং জোরপূর্বক বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করার মতো নানা নিপীড়ন চালানো হচ্ছে।
এইচআরডব্লিউ-এর এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক এলেইন পিয়ারসন এই পরিস্থিতিকে -মিয়ানমার সেনাবাহিনীর দমননীতির অনুকরণ- হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং আরাকান আর্মিকে আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন।
২০২৩ সালের নভেম্বরে নতুন করে সংঘাত শুরুর পর আরাকান আর্মি জান্তা সরকারের কাছ থেকে কিছু এলাকা দখল করে নেয় এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনের প্রতিশ্রুতি দেয়। তবে রোহিঙ্গারা জানিয়েছে, তাদের জীবন এখনো কঠিন ও শৃঙ্খলিত। খাবারের তীব্র সংকট এবং চলাচলে বিধিনিষেধের কারণে অনেককে ভিক্ষা করে জীবন ধারণ করতে হচ্ছে।
এইচআরডব্লিউ জোর দিয়ে বলেছে, দুই পক্ষের সংঘাতের মধ্যে আটকে পড়েছেন রাখাইন রাজ্যে বসবাসকারী রোহিঙ্গারা। উভয়পক্ষই বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, ব্যাপক অগ্নিসংযোগ ও বেআইনিভাবে বাহিনীতে ঢোকানোর মতো গুরুতর নির্যাতন চালিয়েছে।
এই যুদ্ধ এবং গ্রামবাসীদের জোর করে বাহিনীতে ভর্তি করানোর ফলে মুসলিম রোহিঙ্গা ও বৌদ্ধ রাখাইনদের মধ্যে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা আরও তীব্র হয়েছে।
কবরস্থানও আরাকান আর্মির দখলে, ধানক্ষেতে দাফন : দুই পক্ষের বলি রোহিঙ্গারা
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) ক্রমবর্ধমান বর্বরতার শিকার হচ্ছে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী।
সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। অভিযোগ উঠেছে, রাখাইনে কবরস্থানও ধ্বংস করে দখলে নিচ্ছে আরাকান আর্মি এবং মৃতদেহ দাফন করতে হচ্ছে ধানক্ষেতে। এমন পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গারা মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও আরাকান আর্মি, উভয় পক্ষের সংঘাতের মাঝে জিম্মি হয়ে পড়েছে।
হিউম্যান রাইটস ওয়াচের (এইচআরডব্লিউ) একটি প্রতিবেদনে এই ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে।
বুথিডংয়ের কিন টং গ্রামের দুই বাসিন্দা এইচআরডব্লিউকে জানিয়েছেন, গত মে মাসে আরাকান আর্মি তাদের কবরস্থানটি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দিয়েছে। এরপর তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এখন থেকে মৃতদেহ ধানক্ষেতেই দাফন করতে হবে।
এইচআরডব্লিউ এর তথ্যানুযায়ী, আরাকান আর্মির দখলকৃত এলাকাগুলোতে রোহিঙ্গাদের চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। বাড়িঘর লুটপাট, নির্বিচারে আটক ও খারাপ আচরণ, বাধ্যতামূলক শ্রমে নিয়োগ এবং জোরপূর্বক বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করার মতো নানা নিপীড়ন চালানো হচ্ছে।
এইচআরডব্লিউ-এর এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক এলেইন পিয়ারসন এই পরিস্থিতিকে -মিয়ানমার সেনাবাহিনীর দমননীতির অনুকরণ- হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং আরাকান আর্মিকে আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন।
২০২৩ সালের নভেম্বরে নতুন করে সংঘাত শুরুর পর আরাকান আর্মি জান্তা সরকারের কাছ থেকে কিছু এলাকা দখল করে নেয় এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনের প্রতিশ্রুতি দেয়। তবে রোহিঙ্গারা জানিয়েছে, তাদের জীবন এখনো কঠিন ও শৃঙ্খলিত। খাবারের তীব্র সংকট এবং চলাচলে বিধিনিষেধের কারণে অনেককে ভিক্ষা করে জীবন ধারণ করতে হচ্ছে।
এইচআরডব্লিউ জোর দিয়ে বলেছে, দুই পক্ষের সংঘাতের মধ্যে আটকে পড়েছেন রাখাইন রাজ্যে বসবাসকারী রোহিঙ্গারা। উভয়পক্ষই বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, ব্যাপক অগ্নিসংযোগ ও বেআইনিভাবে বাহিনীতে ঢোকানোর মতো গুরুতর নির্যাতন চালিয়েছে।
এই যুদ্ধ এবং গ্রামবাসীদের জোর করে বাহিনীতে ভর্তি করানোর ফলে মুসলিম রোহিঙ্গা ও বৌদ্ধ রাখাইনদের মধ্যে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা আরও তীব্র হয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ জাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক
আলহাজ্ব শেখ সিদ্দিকুর রহমান
বার্তা সম্পাদক
তাকছিমুন নাহার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
ইঞ্জিনিয়ার কে এম মেহেদী হাসান
|
মোবাইল: ০১৭১১২৪৯৭৭০
হোয়াটস্অ্যাপ: ০১৭১১২৪৯৭৭০
প্রধান কার্যালয় মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
Email: deshpatrika24@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 25, 2026, 3:11 pm