রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু), হল ও সিনেট নির্বাচনে ভোটাদানে শিক্ষার্থীদের আঙুলে যে কালি দেওয়া হচ্ছে, সেটি ‘মুছে যাচ্ছে’ বলে অভিযোগ করেছেন ছাত্রদল ও কয়েকজন শিক্ষার্থী। এতে ভোট প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেনি নির্বাচন কর্মকর্তারা।
আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে ৯টা ১৫ মিনিটের দিকে, ভোট দেওয়ার পরপরই কয়েকজন শিক্ষার্থী ভোটকেন্দ্র থেকে বের হয়ে দাবি করেন যে তাদের আঙুলে লাগানো কালি অমোচনীয় নয়।
ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের সাংস্কৃতিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল কাফী নিজের আঙুলের কালি মুছে যাওয়ার চিত্র দেখিয়ে অভিযোগ করেন, আমি হাবিবুর রহমান হলের ভোট কেন্দ্রে ভোট দিয়েছি। দেখেন কালি মুছে গেছে। পানিও দিতে হয়নি।
জিয়াউর রহমান হলের ভোটার আকিব বলেন, “ভোটের সামগ্রিক পরিবেশ শান্তিপূর্ণ ও সুন্দর, তবে কালি নিয়ে উদ্বেগ আছে। ভোট ঠিকভাবে চলছে, কিন্তু ব্যবহৃত কালি অমোচনীয় হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু কালি সহজে মুছে যাচ্ছে। যার ফলে ভোট প্রক্রিয়া নিয়ে সন্দেহ তৈরি হতে পারে। আমি আশা করি নির্বাচন কমিশন বিষয়টি খতিয়ে দেখবে।”
রহমতুন্নেসা হলের ফাইন্যান্স বিভাগের (২০১৯–২০ সেশন) শিক্ষার্থী আশফিয়া তাবাসসুমও একই অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। তিনি বলেন, “আমি শুধু ভোট দিতে ক্যাম্পাসে এসেছি। ভোট প্রক্রিয়া সুন্দরভাবে হয়েছে, কিন্তু বের হওয়ার পর দেখি আঙুলের কালি সহজেই মুছে যাচ্ছে। এমনটা হওয়ার কথা নয়।”
সিনেট প্রার্থী মীর কাদিরও বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “আমার অনেক ভোটারই একই অভিযোগ করেছেন। নির্বাচন কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে মারাত্মক গাফিলতি করেছে। আমি আশা করি নির্বাচন কমিশন দ্রুত ব্যবস্থা নেবে।”
অভিযোগের বিষয়ে জানতে নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
রাকসু নির্বাচন : আঙুলের কালি মুছে যাওয়ার অভিযোগ ছাত্রদল ও ভোটারদের
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু), হল ও সিনেট নির্বাচনে ভোটাদানে শিক্ষার্থীদের আঙুলে যে কালি দেওয়া হচ্ছে, সেটি ‘মুছে যাচ্ছে’ বলে অভিযোগ করেছেন ছাত্রদল ও কয়েকজন শিক্ষার্থী। এতে ভোট প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেনি নির্বাচন কর্মকর্তারা।
আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে ৯টা ১৫ মিনিটের দিকে, ভোট দেওয়ার পরপরই কয়েকজন শিক্ষার্থী ভোটকেন্দ্র থেকে বের হয়ে দাবি করেন যে তাদের আঙুলে লাগানো কালি অমোচনীয় নয়।
ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের সাংস্কৃতিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল কাফী নিজের আঙুলের কালি মুছে যাওয়ার চিত্র দেখিয়ে অভিযোগ করেন, আমি হাবিবুর রহমান হলের ভোট কেন্দ্রে ভোট দিয়েছি। দেখেন কালি মুছে গেছে। পানিও দিতে হয়নি।
জিয়াউর রহমান হলের ভোটার আকিব বলেন, “ভোটের সামগ্রিক পরিবেশ শান্তিপূর্ণ ও সুন্দর, তবে কালি নিয়ে উদ্বেগ আছে। ভোট ঠিকভাবে চলছে, কিন্তু ব্যবহৃত কালি অমোচনীয় হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু কালি সহজে মুছে যাচ্ছে। যার ফলে ভোট প্রক্রিয়া নিয়ে সন্দেহ তৈরি হতে পারে। আমি আশা করি নির্বাচন কমিশন বিষয়টি খতিয়ে দেখবে।”
রহমতুন্নেসা হলের ফাইন্যান্স বিভাগের (২০১৯–২০ সেশন) শিক্ষার্থী আশফিয়া তাবাসসুমও একই অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। তিনি বলেন, “আমি শুধু ভোট দিতে ক্যাম্পাসে এসেছি। ভোট প্রক্রিয়া সুন্দরভাবে হয়েছে, কিন্তু বের হওয়ার পর দেখি আঙুলের কালি সহজেই মুছে যাচ্ছে। এমনটা হওয়ার কথা নয়।”
সিনেট প্রার্থী মীর কাদিরও বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “আমার অনেক ভোটারই একই অভিযোগ করেছেন। নির্বাচন কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে মারাত্মক গাফিলতি করেছে। আমি আশা করি নির্বাচন কমিশন দ্রুত ব্যবস্থা নেবে।”
অভিযোগের বিষয়ে জানতে নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ জাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক
আলহাজ্ব শেখ সিদ্দিকুর রহমান
বার্তা সম্পাদক
তাকছিমুন নাহার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
ইঞ্জিনিয়ার কে এম মেহেদী হাসান
|
মোবাইল: ০১৭১১২৪৯৭৭০
হোয়াটস্অ্যাপ: ০১৭১১২৪৯৭৭০
প্রধান কার্যালয় মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
Email: deshpatrika24@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 25, 2026, 4:33 pm