ঠাকুরগাঁওয়ে ১৩৬টি ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টারের নিবন্ধনের মেয়াদ নেই

  বিশেষ প্রতিনিধি    30-10-2025    111
ঠাকুরগাঁওয়ে ১৩৬টি ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টারের নিবন্ধনের মেয়াদ নেই

ঠাকুরগাঁওয়ে ১৪২টি ক্লিনিক, হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মধ্যে মাত্র ৬টি প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধনের মেয়াদ রয়েছে। এর বাইরে ১৩৬টি প্রতিষ্ঠানই মেয়াদোত্তীর্ণ। কয়েক বছর আগে এসব প্রতিষ্ঠানের মেয়াদ শেষ হলেও প্রশাসন থেকে নেই কোনো তদারকি ও নজরদারি। এ কারণে অপচিকিৎসা ও ভুল রোগ নির্ণয়ের ঘটনা ঘটছে অহরহ।

অভিযোগ রয়েছে, এসব প্রতিষ্ঠানের পেছনে রয়েছে প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়া। এ কারণে এসব প্রতিষ্ঠান প্রশাসনসহ কাউকে পরোয়া করে না। স্বাস্থ্য বিভাগের অভিযানের ঘোষণা থাকলেও, মাঠে তেমন কোনো পদক্ষেপ দেখা যায় না। মাঝে মাঝে প্রতীকী অভিযান চালিয়ে আবার সব কিছু আগের মতোই চলতে থাকে।

নিয়মানুযায়ী বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার চালুর আগে স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে অনুমোদন নিতে হয়। মানতে হয় বেশকিছু নিয়ম-কানুন। স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার জন্য থাকতে হয় প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, নার্স, টেকনোলজিস্ট ও যন্ত্রপাতি। পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিয়েই চালু করতে হয় এসব প্রতিষ্ঠান। শুধু তাই নয়, ক্লিনিক কিংবা ডায়াগনস্টিক সেন্টার চালুর জন্য স্বাস্থ্য বিভাগের লাইসেন্স ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নিতে হয়। প্রতি অর্থবছরে নবায়ন করতে হয় নিবন্ধন। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মানা হয় না এসব নিয়ম। এসবের নিয়ম তোয়াক্কা না করেই ঠাকুরগাঁওয়ে চলছে অবৈধভাবে ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো।

ঠাকুরগাঁও সিভিল সার্জন অফিসের সূত্র অনুযায়ী, জেলায় ১৪২টি ক্লিনিক-ডায়গনস্টিক ও হাসপাতাল রয়েছে। এর মধ্যে ৪০টি ক্লিনিক ও হাসপাতাল এবং ১০২টি ক্লিনিক ও ডায়গনস্টিক সেন্টার রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২০১৮ থেকে ২০১৯ সালে নিবন্ধনের মেয়াদ শেষ হয়েছে ১০টির। সেগুলো হলো, ডক্টরস ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার, সেবা ক্লিনিক, মায়মুনা শিশু হাসপাতাল, এলিজা ডায়াগনস্টিক সেন্টার, রাফি ডায়াগনস্টিক সেন্টার, বৈরচুনা পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ফ্রেন্ডস এ্যাপোলো ডায়াগনস্টিক সেন্টার, একতা ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও রানীশংকৈল সেন্ট্রাল ক্লিনিক।

২০১৯ থেকে ২০২০ সালে নিবন্ধনের মেয়াদ শেষ হয়েছে গড়েয়া ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টার, এলিজা নার্সিং হোম, নিউ স্কয়ার হাসপাতাল, ক্লাসিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার, নিউ গ্রীন লাইফ ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার, লাইফ এইড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, হিমালয় ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ডক্টরস ক্লিনিক অ্যান্ড ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক কমপ্লেক্স, আল মদিনা ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও হিমালয় ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারের।

২০২০ থেকে ২০২১ সালে নিবন্ধনের মেয়াদ শেষ হয়েছে ২৩টির। সেগুলো হলো, ঠাকুরগাঁও স্বাস্থ্য সেবা হাসপাতাল প্যাথলজি, নিউ নর্দান ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার, আমাদের হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, নিউ রহমান ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ভুল্লী আই কেয়ার অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, বসুন্ধরা ডায়াগনস্টিক সেন্টার, নিশা ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ডক্টরস প্যাথলজি, একতা নার্সিং হোম, সেন্ট্রাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মাম ডায়াগনস্টিক সেন্টার. এম, এম ডায়াগনস্টিক সেন্টার, গ্রামীণ ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মা ডায়াগনস্টিক সেন্টার, রোজিনা ডায়াগনস্টিক সেন্টার, লাইফ এইড হাসপাতাল মাম হাসপাতাল, আল মদিনা ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার, নেকমরদ ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার, প্রাইম ডায়াগনস্টিক কমপ্লেক্স, ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ডেলটা হাসপাতাল।

২০২১ থেকে ২০২২ সালে নিবন্ধনের মেয়াদ শেষ হয়েছে, সেভেন ডে ডায়াগনস্টিক সেন্টার, গোল্ডেন ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ঠাকুরগাঁও ব্লাড ব্যাংক অ্যান্ড ট্রান্সফিউশন সেন্টার, হোম কেয়ার ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, নূর ডায়াগনস্টিক সেন্টার, নিউ মেডিনোভা ডক্টরস জোন অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ওহি ডায়াগনস্টিক সেন্টার, বালা প্যাথলজি, সেভেন ডে নার্সিং হোম, ইএসডিও শিশু ও কমিউনিটি হাসপাতাল, ইএসডিও কমিউনিটি হাসপাতাল (প্যাথলজিক্যাল), দেশ এক্স-রে ক্লিনিক অ্যান্ড প্যাথলজি, সেফ হাসপাতাল, নিরাপদ ডায়াগনস্টিক সেন্টার, রাণীশংকৈল মা ও শিশু হাসপাতাল, ডক্টরস পয়েন্ট ডায়াগনস্টিক সেন্টার অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার, মাস্টার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, নিউ দেশ ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মমতা হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, বন্ধন ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও হোম কেয়ার ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার।

২০২২ থেকে ২০২৩ সালে নিবন্ধনের মেয়াদ শেষ হয়েছে, নিউ উত্তরা ডায়াগনস্টিক সেন্টার, তৈয়বা রহমান মা ও শিশু হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, নিউ এহিয়া নার্সিং হোম, আলফা ডায়াগনস্টিক সেন্টার, গ্লোবাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কিউর প্যাথলজি, এমপিআর ব্লাড ব্যাংক ও সঞ্চালন কেন্দ্র, নিউরন ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ফেয়ার হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, স্টার ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মমি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও মনোয়ারা ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার।

২০২৩ থেকে ২০২৪ সালে নিবন্ধনের মেয়াদ শেষ হয়েছে ৩৫টির। এর মধ্যে, দি আপডেট ডায়াগনস্টিক সেন্টার, রেইনবো ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মায়া ডায়াগনস্টিক সেন্টার অ্যান্ড হাসপাতাল, গ্রীন ডায়াগনস্টিক সেন্টার, বলাকা ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মুন ডায়াগনস্টিক সেন্টার, নিউ ক্লিয়ার ল্যাব, রেনাল কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার, নিউ গুড হেলথ ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড হাসপাতাল, মা ডায়াগনস্টিক সেন্টার, হেলথ কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ঠাকুরগাঁও কমিউনিটি হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মমি হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, লাহিড়ী ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ঠাকুরগাঁও বেবি অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, নাহিন প্যাথলজি, সিটি ক্লিনিক, নিউ আইডিয়াল হাসপাতাল, মায়া অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, সুরক্ষা ডায়াগনস্টিক সেন্টার, সেবা ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মা ডায়াগনস্টিক সেন্টার, হেলথ কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, সেফ ব্লাড ব্যাংক অ্যান্ড ট্রান্সফিউশন সেন্টার, মমি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার, নিউ এ্যাপোলো ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার, নিউ মর্ডান ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মোবারক আলী চক্ষু হাসপাতাল, কেয়ার ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার, পীরগঞ্জ ডায়াবেটিক হাসপাতাল, পীরগঞ্জ ডায়াবেটিক হাসপাতাল প্যাথলজি, ঠাকুরগাঁও কমিউনিটি হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ঠাকুরগাঁও কমিউনিটি হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, দেশ জেনারেল হাসপাতাল ও রেইনবো হাসপাতাল।

২০২৪ থেকে ২০২৫ সালে নিবন্ধনের মেয়াদ শেষ হয়েছে ২১টির। সেগুলো হলো- কর্মফোট ডায়াগনস্টিক সেন্টার, নিউ যমুনা ডায়াগনস্টিক সেন্টার, নিউ পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মক্কা ডায়াগনস্টিক, ক্লিনিক লেন, সুরক্ষা হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ইনসাফ জেনারেল হাসপাতাল, পদ্মা শিশু অ্যান্ড মেডিসিন কেয়ার (ক্লিনিক), হাসান এক্স-রে ক্লিনিক অ্যান্ড প্যাথলজি, নির্মল ডায়াগনস্টিক সেন্টার, সুশ্রী নার্সিং হোম, নিউ ডে নাইট নার্সিং হোম, নিউ সেবা হাসপাতাল, হাসান জেনারেল হাসপাতাল, নর্দান মা ও শিশু জেনারেল হাসপাতাল, ফেয়ার হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, শুভ প্যাথলজি, ফেয়ার এক্স-রে অ্যান্ড প্যাথলজি, সিটি ক্লিনিক, মক্কা ডায়াগনস্টিক-ক্লিনিক লেন, স্বাস্থ্য সেবা ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ডায়াবেটিক সেন্টার ও সাবা ডায়াগনস্টিক স্টোর।

শুধু মাত্র ২০২৬-২০২৭ সাল পর্যন্ত নিবন্ধন রয়েছে ৮টি ক্লিনিক-ডায়গনস্টিক ও হাসপাতালের। সেগুলো হলো, গ্রামীণ চক্ষু হসপিটাল অ্যান্ড প্যাথলজি, নিউ গড়েয়া ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ইউনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার, চেকআপ ডায়াগনস্টিক সেন্টার, নিউ গড়েয়া ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ইউনিট ডায়াগনস্টিক সেন্টার, বন্ধন ব্লাড ব্যাংক ও সঞ্চালন কেন্দ্র ও সন্ধানী ব্লাড ব্যাংক এন্ড ট্রান্সফিউশন সেন্টার।

সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেক ক্লিনিকে নামেমাত্র একজন চিকিৎসকের নাম ব্যবহার করা হচ্ছে। অথচ তিনি বাস্তবে সেখানে দায়িত্বে নেই। কিছু প্রতিষ্ঠানে একদমই নেই কোনো ডাক্তার। ল্যাবরেটরিগুলোয় কাজ করছেন অদক্ষ কর্মচারীরা। এর ফলে ভুল রিপোর্ট ও ভুল চিকিৎসার ঘটনাও ঘটছে নিয়মিত।

নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক এক ক্লিনিকের ম্যানেজার ঢাকা পোস্টকে জানান, যেসব শর্ত মেনে লাইসেন্স করাতে হয় তার অধিকাংশ শর্তই বেসরকারি হাসপাতালগুলো মানে না। আর সরকারি হাসপাতালে সব সময় সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয় না, সময় লাগে। চিকিৎসকরা বাইরে থেকে করিয়ে নিতে বলেন। সরকারি হাসপাতালে থাকা দালালরা তাদের আমাদের হাসপাতালে নিয়ে আসেন। সেজন্য দালালদের কমিশন দেওয়া হয়। এজন্য আমরা সরকারি হাসপাতালগুলোর আশপাশেই প্রতিষ্ঠান দিয়ে থাকি।

অভিযোগ রয়েছে, যত্রতত্র গড়ে ওঠা এসব স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানের বেশিরভাগেরই নেই রোগ নির্ণয়ের মানসম্মত যন্ত্রপাতি, অপারেশন থিয়েটার, পরীক্ষাগার, প্রশিক্ষিত সেবিকা ও ল্যাব টেকনোলজিস্ট। বিভিন্ন রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নাম দিয়ে সাইনবোর্ড টানানো থাকলেও নিয়মিত রোগী দেখতে বসেন না তারা। ধার করা খণ্ডকালীন চিকিৎসক দিয়ে চলছে জটিল অস্ত্রোপচারসহ নানা চিকিৎসা।

অনেক ক্লিনিকে রোগীরা অপ-চিকিৎসার শিকার হচ্ছেন। ডায়াগনস্টিক সেন্টারের রোগ নির্ণয়ের মান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। অনেক সময় সরকারি হাসপাতালে মানসম্মত চিকিৎসা মেলে না। আবার চিকিৎসা ভালো হলেও চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান রোগীবান্ধব নয়। এ কারণে অনেকেই বেসরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের ওপর নিভর্র করেন আর এ সুযোগটিই নেয় একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী। তারা চিকিৎসাসেবা দেওয়ার নামে গড়ে তোলে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান। আর এক্ষেত্রে অনেকেই কোনো নিয়ম-নীতির ধার ধারেন না। অনুমোদনহীন এসব হাসপাতালে চিকিৎসার নামে ব্যবসা, প্রতারণা, রোগী ভোগান্তির অভিযোগ উঠছে হরহামেশাই। এছাড়াও এসব চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে প্রায় সময়ই ভুল চিকিৎসায় রোগী মৃত্যুর অভিযোগও উঠে।

সম্প্রতি, সদর উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নের পাইকপাড়া গ্রামের বাসিন্দা খয়রুল ইসলাম নামে এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠে। ঠাকুরগাঁওয়ের বেসরকারি প্রতিষ্ঠান মাম হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গলব্লাডার অপারেশনে অবহেলার অভিযোগ উঠেছে চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। অপারেশনের পর টানা পাঁচ দিন আইসিইউতে অচেতন থাকার পর মারা যান খয়রুল ইসলাম।

তার কয়েক দিন পরেই শহরের সুরক্ষা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সিজার করতে গিয়ে এক নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ ওঠে। আর ভুল চিকিৎসা ও অপরিছন্নতারসহ নানান অভিযোগে শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থিত আমাদের হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং হাজীপাড়া এলাকায় অবস্থিত নিউ সূর্যের হাসি ক্লিনিকে অভিযান চালানো হয়। এসময় ভ্রাম্যমাণ আদালত দুটি প্রতিষ্ঠানকে অর্থদণ্ড প্রদান করেন এবং নিউ সূর্যের হাসি ক্লিনিককে সিলগালা করে দেন প্রশাসন।

সারাদেশ-এর আরও খবর