কুমিল্লা-৬ (সদর, সদর দক্ষিণ ও সিটি করপোরেশন) আসনে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিনকে দলটির মনোনয়নের দাবি জানিয়েছে নির্যাতিত নেতাকর্মীদের পরিবার।
রোববার (৯ নভেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা টাউনহল মাঠে সাংবাদিক সম্মেলনে এ দাবি জানান ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।
এসময় কুমিল্লা মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ফখরুল ইসলাম মিঠুর স্ত্রী আনা আজিজা বলেন, আমার স্বামী কুমিল্লা মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন। গত ১৭ বছর ধরে তিনি নির্যাতিত হয়েছেন। আমার স্বামীর বিরুদ্ধে ৩২টি মামলা দেওয়া হয়েছিল। আমি দিনের পর দিন আমার স্বামীর অপেক্ষায় ছিলাম। স্বৈরাচার সরকারের রোষানলে তাকে বছরের পর বছর আত্মগোপনে থাকতে হয়েছে। সারাক্ষণ আমরা আতঙ্কে থাকতাম র্যাব, পুলিশ, ডিবি এসে বাসায় উঠত। আমার স্বামী তিনবার কারাবরণ করেছেন। তখন হাজী ইয়াছিন ভাই আমাদের পরিবারের পাশে ছিলেন। আমাদের দুঃসময়ে আমাদের প্রাণের নেতা হাজী ইয়াছিন সাহেব আমাদের পাশে ছিলেন, তাই আমরা চাই হাজী ইয়াসিনকে কুমিল্লা সদর আসনে মনোনয়ন দেওয়া হোক।
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান চৌধুরীর স্ত্রী নাসরিন খানম বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের শাসনামলে কুমিল্লা সদর আসনে হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিনসহ কর্মীদের নামে প্রায় তিন শতাধিক মামলা হয়। হাজার হাজার নেতা কর্মী কারাবরণ করেন। সে সময় হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন আমাদের পরিবারের পাশে ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যরা বলেন, গত তিন নভেম্বর বিএনপির মহাসচিব কুমিল্লা সদর আসনের প্রার্থী হিসেবে আমিন উর রশিদ ইয়াসিনকে বাদ দিয়ে মনিরুল হক চৌধুরীর নাম ঘোষণা করেন। এতে আমরা মর্মাহত ক্ষুব্ধ। মনিরুল চৌধুরী গত ১৭ বছর দল ও হামলার শিকার নেতাকর্মীদের পরিবারের পাশে ছিলেন না। গত ১৭ বছর বিএনপির নির্যাতিত নেতাকর্মী ও তাদের পরিবারের কাছে অপরিচিত বিচ্ছিন্ন ব্যক্তিকে দলের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করায় কর্মী ও সাধারণ ভোটারদের কাছে দলের ভাবমূর্তি প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। এমতাবস্থায় চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকায় যোগ্য, ত্যাগী ও জনপ্রিয় প্রার্থী মনোনীত না করলে এই গুরুত্বপূর্ণ আসন জয় লাভ করা সম্ভব নয়।
তারা আরও বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে আমাদের আবেদন, কুমিল্লা বিএনপি এবং নির্যাতিত-নিপীড়িত পরিবারের দুঃসময়ে যিনি সবাইকে আগলে রেখেছিলেন, কর্মীবান্ধব ও পরিচ্ছন্ন নেতা হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াসিনকে কুমিল্লা সদর আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করতে আবেদন জানাচ্ছি।
সাংবাদিক সম্মেলনে মামলা-হামলার শিকার নির্যাতিত, নিপীড়িত শতাধিক পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে,গত সোমবার সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির ২৩৭টি আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সেখানে কুমিল্লা-৬ আসনে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরীর নাম ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকেই কুমিল্লার রাজনৈতিক অঙ্গণে উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে আমিন-উর-রশিদ ইয়াছিনের অনুসারীরা এ ঘোষণাকে তৃণমূল নেতাকর্মীর প্রতিকূল দাবি করে প্রতিক্রিয়া জানান এবং ধারাবাহিক কর্মসূচি শুরু করেন। টানা ৫ দিন ধরে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন ইয়াছিন অনুসারীরা।
কুমিল্লায় ইয়াছিনের মনোনয়নের দাবি নির্যাতিত নেতাকর্মীদের পরিবারের
কুমিল্লা-৬ (সদর, সদর দক্ষিণ ও সিটি করপোরেশন) আসনে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিনকে দলটির মনোনয়নের দাবি জানিয়েছে নির্যাতিত নেতাকর্মীদের পরিবার।
রোববার (৯ নভেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা টাউনহল মাঠে সাংবাদিক সম্মেলনে এ দাবি জানান ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।
এসময় কুমিল্লা মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ফখরুল ইসলাম মিঠুর স্ত্রী আনা আজিজা বলেন, আমার স্বামী কুমিল্লা মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন। গত ১৭ বছর ধরে তিনি নির্যাতিত হয়েছেন। আমার স্বামীর বিরুদ্ধে ৩২টি মামলা দেওয়া হয়েছিল। আমি দিনের পর দিন আমার স্বামীর অপেক্ষায় ছিলাম। স্বৈরাচার সরকারের রোষানলে তাকে বছরের পর বছর আত্মগোপনে থাকতে হয়েছে। সারাক্ষণ আমরা আতঙ্কে থাকতাম র্যাব, পুলিশ, ডিবি এসে বাসায় উঠত। আমার স্বামী তিনবার কারাবরণ করেছেন। তখন হাজী ইয়াছিন ভাই আমাদের পরিবারের পাশে ছিলেন। আমাদের দুঃসময়ে আমাদের প্রাণের নেতা হাজী ইয়াছিন সাহেব আমাদের পাশে ছিলেন, তাই আমরা চাই হাজী ইয়াসিনকে কুমিল্লা সদর আসনে মনোনয়ন দেওয়া হোক।
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান চৌধুরীর স্ত্রী নাসরিন খানম বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের শাসনামলে কুমিল্লা সদর আসনে হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিনসহ কর্মীদের নামে প্রায় তিন শতাধিক মামলা হয়। হাজার হাজার নেতা কর্মী কারাবরণ করেন। সে সময় হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন আমাদের পরিবারের পাশে ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যরা বলেন, গত তিন নভেম্বর বিএনপির মহাসচিব কুমিল্লা সদর আসনের প্রার্থী হিসেবে আমিন উর রশিদ ইয়াসিনকে বাদ দিয়ে মনিরুল হক চৌধুরীর নাম ঘোষণা করেন। এতে আমরা মর্মাহত ক্ষুব্ধ। মনিরুল চৌধুরী গত ১৭ বছর দল ও হামলার শিকার নেতাকর্মীদের পরিবারের পাশে ছিলেন না। গত ১৭ বছর বিএনপির নির্যাতিত নেতাকর্মী ও তাদের পরিবারের কাছে অপরিচিত বিচ্ছিন্ন ব্যক্তিকে দলের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করায় কর্মী ও সাধারণ ভোটারদের কাছে দলের ভাবমূর্তি প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। এমতাবস্থায় চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকায় যোগ্য, ত্যাগী ও জনপ্রিয় প্রার্থী মনোনীত না করলে এই গুরুত্বপূর্ণ আসন জয় লাভ করা সম্ভব নয়।
তারা আরও বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে আমাদের আবেদন, কুমিল্লা বিএনপি এবং নির্যাতিত-নিপীড়িত পরিবারের দুঃসময়ে যিনি সবাইকে আগলে রেখেছিলেন, কর্মীবান্ধব ও পরিচ্ছন্ন নেতা হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াসিনকে কুমিল্লা সদর আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করতে আবেদন জানাচ্ছি।
সাংবাদিক সম্মেলনে মামলা-হামলার শিকার নির্যাতিত, নিপীড়িত শতাধিক পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে,গত সোমবার সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির ২৩৭টি আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সেখানে কুমিল্লা-৬ আসনে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরীর নাম ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকেই কুমিল্লার রাজনৈতিক অঙ্গণে উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে আমিন-উর-রশিদ ইয়াছিনের অনুসারীরা এ ঘোষণাকে তৃণমূল নেতাকর্মীর প্রতিকূল দাবি করে প্রতিক্রিয়া জানান এবং ধারাবাহিক কর্মসূচি শুরু করেন। টানা ৫ দিন ধরে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন ইয়াছিন অনুসারীরা।
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ জাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক
আলহাজ্ব শেখ সিদ্দিকুর রহমান
বার্তা সম্পাদক
তাকছিমুন নাহার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
ইঞ্জিনিয়ার কে এম মেহেদী হাসান
|
মোবাইল: ০১৭১১২৪৯৭৭০
হোয়াটস্অ্যাপ: ০১৭১১২৪৯৭৭০
প্রধান কার্যালয় মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
Email: deshpatrika24@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 25, 2026, 3:11 pm