জাতীয় নাগরিক পার্টির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, মানুষের কাছ থেকে শুনি- আমি নাকি ৫০০ ভোট পাব! মাত্র ৯ মাসের একটি নতুন দল যদি বাপ-দাদার পরিচয় ছাড়া ৫০০ ভোট পায়, এটাই তো বড় বিষয়। আমি খেটে খাওয়া মানুষের প্রতিনিধি হয়ে এসেছি। একজন রাজমিস্ত্রীর ছেলে হয়েও এমপি নির্বাচন করছি এটাই অনেক। আমার বড় কোনো বংশ নেই, টাকা-পয়সা নেই, বিদেশে পড়াশোনাও করিনি, আপনাদের মাঝ থেকেই আমি উঠে এসেছি।
মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) দেবিদ্বারের ভানী ও সুলতানপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় এনসিপির পদযাত্রা এবং গণযোগাযোগ কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে তিনি উপস্থিত জনতার উদ্দেশে এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, চাঁদাবাজি করার চেয়ে ভোট ভিক্ষা করা অনেক ভালো। মদ-গাঁজা বিক্রি করে আয় করার চেয়ে, বাজারের তোলা খাওয়ার চেয়ে মানুষের কাছ থেকে ভোট ভিক্ষা করা অনেক ভালো। আমরা মানুষের কাছে ভোট ভিক্ষা করব। বলব ভাই, ওপরে আল্লাহ, নিচে আপনারা আছেন, ভোট করার আমাদের এজেন্টও নেই। ৫০০-র বেশি ভোটও পাব না। আপনারা দুইটা-একটা করে ভোট আমাদের ভিক্ষা দেন।
হাসনাত বলেন, গত বছরের জুলাইয়ে এই রাস্তাটি যারা অবরোধ করেছিল, তারা সবাই হাফপ্যান্ট পরা ছিল। পায়জামা পরা একজন লোককেও টর্চলাইট দিয়ে খুঁজে পাওয়া যায়নি। পায়জামা পরা লোকগুলো তখন কোথায় ছিল আমরা জানি না। হাফপ্যান্ট পরা লোকগুলোই গুলি খেয়েছে, শহীদ হয়েছে।
উপস্থিত জনতার উদ্দেশে হাসনাত আরও বলেন, আমরা শাপলা কলি প্রতীক পেয়েছি। আল্লাহ যদি রিজিক রেখে দেন তাহলে পাব, না হলে পাব না। রিজিকের ওপর তো কারও হাত নেই। কেউ আমাদের দিকে পাথর ছুড়লে আমরা তাকে ফুল দিয়ে বরণ করব। কেউ গালি দিলে তাকে সালাম দেব। বাকিটা আল্লাহর হাতে। আপনারা বিভেদে যাবেন না।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে তিনি দেবিদ্বার উপজেলার খাদঘর, সূর্যপুর, সাহাড়পাড়, ফুলতলি, নোয়াগাঁও, সাইতলা বাজার, কূরছাপ ও আতাপুর এলাকায় গণসংযোগ ও পথসভা করেন।
এ সময় তিনি জুলাই শহীদ কাদির হোসেন সোহাগের বাড়িতে গিয়ে তার মা ও স্বজনদের খোঁজখবর নেন। তার সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টির দেবিদ্বার উপজেলার অন্যান্য নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
রাজমিস্ত্রীর ছেলে হয়ে এমপি নির্বাচন করছি এটাই তো অনেক’
জাতীয় নাগরিক পার্টির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, মানুষের কাছ থেকে শুনি- আমি নাকি ৫০০ ভোট পাব! মাত্র ৯ মাসের একটি নতুন দল যদি বাপ-দাদার পরিচয় ছাড়া ৫০০ ভোট পায়, এটাই তো বড় বিষয়। আমি খেটে খাওয়া মানুষের প্রতিনিধি হয়ে এসেছি। একজন রাজমিস্ত্রীর ছেলে হয়েও এমপি নির্বাচন করছি এটাই অনেক। আমার বড় কোনো বংশ নেই, টাকা-পয়সা নেই, বিদেশে পড়াশোনাও করিনি, আপনাদের মাঝ থেকেই আমি উঠে এসেছি।
মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) দেবিদ্বারের ভানী ও সুলতানপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় এনসিপির পদযাত্রা এবং গণযোগাযোগ কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে তিনি উপস্থিত জনতার উদ্দেশে এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, চাঁদাবাজি করার চেয়ে ভোট ভিক্ষা করা অনেক ভালো। মদ-গাঁজা বিক্রি করে আয় করার চেয়ে, বাজারের তোলা খাওয়ার চেয়ে মানুষের কাছ থেকে ভোট ভিক্ষা করা অনেক ভালো। আমরা মানুষের কাছে ভোট ভিক্ষা করব। বলব ভাই, ওপরে আল্লাহ, নিচে আপনারা আছেন, ভোট করার আমাদের এজেন্টও নেই। ৫০০-র বেশি ভোটও পাব না। আপনারা দুইটা-একটা করে ভোট আমাদের ভিক্ষা দেন।
হাসনাত বলেন, গত বছরের জুলাইয়ে এই রাস্তাটি যারা অবরোধ করেছিল, তারা সবাই হাফপ্যান্ট পরা ছিল। পায়জামা পরা একজন লোককেও টর্চলাইট দিয়ে খুঁজে পাওয়া যায়নি। পায়জামা পরা লোকগুলো তখন কোথায় ছিল আমরা জানি না। হাফপ্যান্ট পরা লোকগুলোই গুলি খেয়েছে, শহীদ হয়েছে।
উপস্থিত জনতার উদ্দেশে হাসনাত আরও বলেন, আমরা শাপলা কলি প্রতীক পেয়েছি। আল্লাহ যদি রিজিক রেখে দেন তাহলে পাব, না হলে পাব না। রিজিকের ওপর তো কারও হাত নেই। কেউ আমাদের দিকে পাথর ছুড়লে আমরা তাকে ফুল দিয়ে বরণ করব। কেউ গালি দিলে তাকে সালাম দেব। বাকিটা আল্লাহর হাতে। আপনারা বিভেদে যাবেন না।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে তিনি দেবিদ্বার উপজেলার খাদঘর, সূর্যপুর, সাহাড়পাড়, ফুলতলি, নোয়াগাঁও, সাইতলা বাজার, কূরছাপ ও আতাপুর এলাকায় গণসংযোগ ও পথসভা করেন।
এ সময় তিনি জুলাই শহীদ কাদির হোসেন সোহাগের বাড়িতে গিয়ে তার মা ও স্বজনদের খোঁজখবর নেন। তার সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টির দেবিদ্বার উপজেলার অন্যান্য নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ জাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক
আলহাজ্ব শেখ সিদ্দিকুর রহমান
বার্তা সম্পাদক
তাকছিমুন নাহার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
ইঞ্জিনিয়ার কে এম মেহেদী হাসান
|
মোবাইল: ০১৭১১২৪৯৭৭০
হোয়াটস্অ্যাপ: ০১৭১১২৪৯৭৭০
প্রধান কার্যালয় মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
Email: deshpatrika24@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 25, 2026, 3:09 pm