বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষ জাতীয় বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা হিসেবে ১৯৮৬ সাল থেকে আর্থসামাজিক উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় অগ্রগামী ভূমিকা পালন করে চলেছে ‘পদক্ষেপ মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্র’। ৩৭ বছরে রূপান্তরিত অভিযাত্রায় সম্ভাবনার ক্ষমতায়নে ৪ হাজারের অধিক কর্মী ও ৭ শতাধিক কার্যালয়ের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক নিয়ে সহযোগী হয়েছে ১ কোটির অধিক উপকারভোগীর ক্রমবিকাশমান উন্নয়নে। সদস্যদের সক্ষমতা উন্নয়ন, বাজার সংযোগ ও অর্থায়ন সহযোগিতায় ‘সমন্বিত উন্নয়ন কৌশল’ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশব্যপী সম্ভবনার ক্ষমতায়নে সাম্যে গড়া টেকসই ভবিষৎ নির্মানের লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে ‘পদক্ষেপ’।
‘পদক্ষেপ’ দারিদ্র বিমোচনে সামাজিক উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন, স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও স্যানিটেশন, ক্ষৃদ্র অর্থায়ন ও সঞ্চয়, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন, কৃষি ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা উন্নয়ন ইত্যাদি কর্মসূচির মাধ্যমে অভিষ্ট জনগোষ্ঠির মধ্যে সেবা প্রদান করে আসছে। সংস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নয়নমূলক কার্যক্রমগুলোকে গতিশীল করার লক্ষ্যে ১৩ আগস্ট ২০২৩ তারিখে ঢাকার বনানীতে অবস্থিত ‘লেকশোর কনভেনশন সেন্টারে’ সংস্থার ‘২০২৩-২০২৪ অর্থবছরের পরিকল্পনা ও বাজেট চুড়ান্তকরণ শীর্ষক কর্মশালা’ অনুষ্ঠিত হয়। শুরুতেই বঙ্গবন্ধু’সহ ১৫ আগস্টে সকল শহীদের এবং সংস্থার যেসকল কর্মী প্রয়াত হয়েছেন তাঁদের স্মরণে ১ মিনিট নীরবতা পালনের মাধ্যমে তাঁদের আত্মার মাগফেরাত কামনার মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। অনুষ্ঠানের সভাপতি ও সংস্থার নিবার্হী পরিচালক মো: সালেহ বিন সামস সূচনা বক্তব্য শেষে কর্মশালার উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, আগামীতে জুনের মধ্যে বাজেট চুড়ান্ত করতে হবে। তিনি আরও বলেন, আগামী অর্থবছরে ৪৫০টি ব্রাঞ্চে উন্নিতকরণের জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল, লোকবল ও কর্মকৌশল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি সকলকে বকেয়া নিয়ন্ত্রন, গ্রোথ ও ঋণস্থিতি ধরে রাখা, দুর্যোগ মোকাবেলার কৌশল অর্জন এবং কর্মী ড্রপ আউট নিয়ন্ত্রনের উপর জোর দিতে বলেন।
কর্মশালায় মাইক্রোফাইন্যান্স, প্রোগ্রাম ও এন্টারপ্রাইজ উইং এর ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরের পরিকল্পনার উপর কার্যপত্র উপস্থাপন করা হয়। উপস্থাপনায় কার্যক্রম বাস্তবায়নে আয়-ব্যয় ও চলমান কার্যক্রমের বাজেট ও অর্জনসমূহ তুলে ধরা হয়। পরে উপস্থাপনার উপর দলীয়ভাবে বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে পরিকল্পনাগত ঝুঁকি বিশ্লেষণ ও কর্মকৌশল নির্ধারণের আলোকে বিভিন্ন সুপারিশ উপস্থাপন করা হয়। এছাড়া গত অর্থবছরের সুপারিশ এর আলোকে গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের অগ্রগতি উপস্থাপন, টিম বিল্ডিং এর গুরুত্ব এবং উপকারিতা বিষয়ক দলীয় কাজ ও উপস্থাপনা, সংস্থার মাইক্রোফাইন্যান্স’সহ সকল কর্মসূচির ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন চিত্র ও ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরের পরিকল্পনা উপস্থাপন ও বাস্তবায়ন, গুণগত মান উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে করণীয় নির্ধারণ বিষয়ক দলীয় কাজ এবং কেইস স্টাডি এনালাইসিস, অটোমেশন বাস্তবায়ন পর্যালোচনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, সংস্থার সর্বস্তরে অনুকূল কর্মপরিবেশ প্রতিষ্ঠা, সংস্থার প্রতি আন্তরিকতা বৃদ্ধি এবং কমী উদ্বুকরণ, সর্বস্তরে আর্থিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় করণীয় নির্ধারণ এবং আর্থিক ও ব্যবস্থাপকীয় অনিয়ম দূরীকরণে মাঠ পর্যায়ে আরো শক্তিশালীকরণ, সংস্থার রি-ব্রান্ডিং এর পরিকল্পনা ইত্যাদি উপস্থাপন করা হয়।
কর্মশালায় পদক্ষেপ এর গত অর্থবছরের সুপারিশ এর আলোকে গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের অগ্রগতি এবং সংস্থার মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসূচির ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন চিত্র ও ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরের পরিকল্পনা উপস্থাপন এবং বাস্তবায়ন, কর্মসূচির গুণগত মান উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে করণীয় নির্ধারণ বিষয়ক দলীয় কাজ উপস্থাপনা করেন সংস্থার মাইক্রোফাইন্যান্স, প্রোগ্রাম ও এন্টারপ্রাইজ উইং এর পরিচালক মুহম্মদ রিসালাত সিদ্দীক। তিনি বলেন, সংস্থার উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের যেকোন নির্দেশনা তা যেন সঠিকভাবে মাঠ পর্যায়ে পৌঁছায় সে বিষয়ে সকলকে পরামর্শ প্রদান করেন। তিনি কর্মশালার ফিডব্যাক গ্রহণ এবং কর্মশালার আলোকে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ বিষয়ে দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে সকলের সুস্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে যাতে প্রতিষ্ঠান কোন দিকে এগুচ্ছে তা বুঝা যায়। আমরা বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করছি, উপকারভোগীদের বিভিন্ন আর্থিক সুবিধা দিচ্ছি, তাদের বাজার তৈরী করছি। আরও নতুন কি কি উন্নয়নমূলক কাজ করা যায় তা নিয়ে সকলকে ভাবতে হবে। তিনি অটোমেশন বাস্তবায়ন এবং সংস্থার নতুন মূল্যবোধসমূহকে গুরুত্ব সহকারে ধারণ ও প্রচার করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। তিনি ভালো সদস্য সংগ্রহের উপর সকলকে জোর দিতে বলেন। এছাড়া বহি:উৎস্য হতে তহবিলের নির্ভরতা কমিয়ে সঞ্চয়ের উপর জোর দিয়ে অভ্যন্তরীণ তহবিল বৃদ্ধির পরামর্শ দেন। তিনি যথাসময়ে সকল অফিসের কার্য সম্পাদনের মানসিকতা নিশ্চিত করতে বলেন এবং গতানুগতিক প্রশিক্ষণের বাহিরে থেকে বের হয়ে প্রযুক্তিগত বিষয়ে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কর্মশালার সমাপনী বক্তব্যে নিবার্হী পরিচালক মো: সালেহ বিন সামস সংস্থার পূর্বের তুলনায় প্রকল্প সংখ্যা বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে বলেন, প্রোগ্রাম উইং কে সরাসরি আর্ন্তজাতিক সংস্থার সাথে প্রকল্প বাস্তবায়ন করার সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। পাশাপাশি সংস্থার নিজস্ব প্রকল্প চালুর ব্যবস্থা নিতে হবে। তিনি নতুন কোন প্রকল্প সংস্থায় যুক্ত হলে তার তথ্য সকল স্টাফদের মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার পরামর্শ দেন। তিনি পোর্টফোলিও ডাইভারসিফাই করতে এবং গতানুগতিক চিন্তা বাদ দিয়ে নতুন আঙ্গিকে কার্যক্রমে ইনোভেশন আনার উপর জোর দেন। তিনি সংস্থার বিভিন্ন প্রকল্প ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে সকলে একসাথে কাজ করার নির্দেশ প্রদান করেন। সবশেষে তিনি সংস্থার উন্নতি ও অর্জনের জন্য প্রেসিডেন্ট মহোদয় ও পর্ষদ সদস্যদের নির্দেশনা ও পরামর্শের কথা উল্লেখ করেন এবং তাঁদেরকে ধন্যবাদ জানান। তিনি কর্মশালায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ ও কর্মশালা সফল করার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানান। ভবিষ্যতে উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় সকলে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন এবং সততা, দক্ষতা ও আন্তরিকতার সাথে কাজ করবেন এই প্রত্যাশা রেখে বক্তব্য শেষ করেন এবং দিনব্যাপী কর্মশালার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
কর্মশালায় সংস্থার অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মানব সম্পদ ও প্রশাসন বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মো: সাইয়েদুল ইসলাম, অর্থ ও হিসাব বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মো: সামছুজ্জামান, অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মুহাম্মদ সরওয়ার মৃধা, প্রোগ্রাম উইং এর যুগ্ম পরিচালক মো: মনিরুজ্জামান সিদ্দিক, লীপ কর্মসূচির যুগ্ম পরিচালক মোহাম্মদ রাকিবুল হাসান এবং বিভিন্ন বিভাগের উপ-পরিচালক, সিনিয়র সহকারী পরিচালক, সহকারী পরিচালক’সহ প্রধান কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ।
“পদক্ষেপ এর ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরের পরিকল্পনা ও বাজেট চুড়ান্তকরণ শীর্ষক কর্মশালা” অনুষ্ঠিত
বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষ জাতীয় বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা হিসেবে ১৯৮৬ সাল থেকে আর্থসামাজিক উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় অগ্রগামী ভূমিকা পালন করে চলেছে ‘পদক্ষেপ মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্র’। ৩৭ বছরে রূপান্তরিত অভিযাত্রায় সম্ভাবনার ক্ষমতায়নে ৪ হাজারের অধিক কর্মী ও ৭ শতাধিক কার্যালয়ের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক নিয়ে সহযোগী হয়েছে ১ কোটির অধিক উপকারভোগীর ক্রমবিকাশমান উন্নয়নে। সদস্যদের সক্ষমতা উন্নয়ন, বাজার সংযোগ ও অর্থায়ন সহযোগিতায় ‘সমন্বিত উন্নয়ন কৌশল’ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশব্যপী সম্ভবনার ক্ষমতায়নে সাম্যে গড়া টেকসই ভবিষৎ নির্মানের লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে ‘পদক্ষেপ’।
‘পদক্ষেপ’ দারিদ্র বিমোচনে সামাজিক উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন, স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও স্যানিটেশন, ক্ষৃদ্র অর্থায়ন ও সঞ্চয়, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন, কৃষি ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা উন্নয়ন ইত্যাদি কর্মসূচির মাধ্যমে অভিষ্ট জনগোষ্ঠির মধ্যে সেবা প্রদান করে আসছে। সংস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নয়নমূলক কার্যক্রমগুলোকে গতিশীল করার লক্ষ্যে ১৩ আগস্ট ২০২৩ তারিখে ঢাকার বনানীতে অবস্থিত ‘লেকশোর কনভেনশন সেন্টারে’ সংস্থার ‘২০২৩-২০২৪ অর্থবছরের পরিকল্পনা ও বাজেট চুড়ান্তকরণ শীর্ষক কর্মশালা’ অনুষ্ঠিত হয়। শুরুতেই বঙ্গবন্ধু’সহ ১৫ আগস্টে সকল শহীদের এবং সংস্থার যেসকল কর্মী প্রয়াত হয়েছেন তাঁদের স্মরণে ১ মিনিট নীরবতা পালনের মাধ্যমে তাঁদের আত্মার মাগফেরাত কামনার মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। অনুষ্ঠানের সভাপতি ও সংস্থার নিবার্হী পরিচালক মো: সালেহ বিন সামস সূচনা বক্তব্য শেষে কর্মশালার উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, আগামীতে জুনের মধ্যে বাজেট চুড়ান্ত করতে হবে। তিনি আরও বলেন, আগামী অর্থবছরে ৪৫০টি ব্রাঞ্চে উন্নিতকরণের জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল, লোকবল ও কর্মকৌশল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি সকলকে বকেয়া নিয়ন্ত্রন, গ্রোথ ও ঋণস্থিতি ধরে রাখা, দুর্যোগ মোকাবেলার কৌশল অর্জন এবং কর্মী ড্রপ আউট নিয়ন্ত্রনের উপর জোর দিতে বলেন।
কর্মশালায় মাইক্রোফাইন্যান্স, প্রোগ্রাম ও এন্টারপ্রাইজ উইং এর ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরের পরিকল্পনার উপর কার্যপত্র উপস্থাপন করা হয়। উপস্থাপনায় কার্যক্রম বাস্তবায়নে আয়-ব্যয় ও চলমান কার্যক্রমের বাজেট ও অর্জনসমূহ তুলে ধরা হয়। পরে উপস্থাপনার উপর দলীয়ভাবে বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে পরিকল্পনাগত ঝুঁকি বিশ্লেষণ ও কর্মকৌশল নির্ধারণের আলোকে বিভিন্ন সুপারিশ উপস্থাপন করা হয়। এছাড়া গত অর্থবছরের সুপারিশ এর আলোকে গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের অগ্রগতি উপস্থাপন, টিম বিল্ডিং এর গুরুত্ব এবং উপকারিতা বিষয়ক দলীয় কাজ ও উপস্থাপনা, সংস্থার মাইক্রোফাইন্যান্স’সহ সকল কর্মসূচির ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন চিত্র ও ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরের পরিকল্পনা উপস্থাপন ও বাস্তবায়ন, গুণগত মান উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে করণীয় নির্ধারণ বিষয়ক দলীয় কাজ এবং কেইস স্টাডি এনালাইসিস, অটোমেশন বাস্তবায়ন পর্যালোচনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, সংস্থার সর্বস্তরে অনুকূল কর্মপরিবেশ প্রতিষ্ঠা, সংস্থার প্রতি আন্তরিকতা বৃদ্ধি এবং কমী উদ্বুকরণ, সর্বস্তরে আর্থিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় করণীয় নির্ধারণ এবং আর্থিক ও ব্যবস্থাপকীয় অনিয়ম দূরীকরণে মাঠ পর্যায়ে আরো শক্তিশালীকরণ, সংস্থার রি-ব্রান্ডিং এর পরিকল্পনা ইত্যাদি উপস্থাপন করা হয়।
কর্মশালায় পদক্ষেপ এর গত অর্থবছরের সুপারিশ এর আলোকে গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের অগ্রগতি এবং সংস্থার মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসূচির ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন চিত্র ও ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরের পরিকল্পনা উপস্থাপন এবং বাস্তবায়ন, কর্মসূচির গুণগত মান উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে করণীয় নির্ধারণ বিষয়ক দলীয় কাজ উপস্থাপনা করেন সংস্থার মাইক্রোফাইন্যান্স, প্রোগ্রাম ও এন্টারপ্রাইজ উইং এর পরিচালক মুহম্মদ রিসালাত সিদ্দীক। তিনি বলেন, সংস্থার উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের যেকোন নির্দেশনা তা যেন সঠিকভাবে মাঠ পর্যায়ে পৌঁছায় সে বিষয়ে সকলকে পরামর্শ প্রদান করেন। তিনি কর্মশালার ফিডব্যাক গ্রহণ এবং কর্মশালার আলোকে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ বিষয়ে দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে সকলের সুস্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে যাতে প্রতিষ্ঠান কোন দিকে এগুচ্ছে তা বুঝা যায়। আমরা বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করছি, উপকারভোগীদের বিভিন্ন আর্থিক সুবিধা দিচ্ছি, তাদের বাজার তৈরী করছি। আরও নতুন কি কি উন্নয়নমূলক কাজ করা যায় তা নিয়ে সকলকে ভাবতে হবে। তিনি অটোমেশন বাস্তবায়ন এবং সংস্থার নতুন মূল্যবোধসমূহকে গুরুত্ব সহকারে ধারণ ও প্রচার করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। তিনি ভালো সদস্য সংগ্রহের উপর সকলকে জোর দিতে বলেন। এছাড়া বহি:উৎস্য হতে তহবিলের নির্ভরতা কমিয়ে সঞ্চয়ের উপর জোর দিয়ে অভ্যন্তরীণ তহবিল বৃদ্ধির পরামর্শ দেন। তিনি যথাসময়ে সকল অফিসের কার্য সম্পাদনের মানসিকতা নিশ্চিত করতে বলেন এবং গতানুগতিক প্রশিক্ষণের বাহিরে থেকে বের হয়ে প্রযুক্তিগত বিষয়ে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কর্মশালার সমাপনী বক্তব্যে নিবার্হী পরিচালক মো: সালেহ বিন সামস সংস্থার পূর্বের তুলনায় প্রকল্প সংখ্যা বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে বলেন, প্রোগ্রাম উইং কে সরাসরি আর্ন্তজাতিক সংস্থার সাথে প্রকল্প বাস্তবায়ন করার সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। পাশাপাশি সংস্থার নিজস্ব প্রকল্প চালুর ব্যবস্থা নিতে হবে। তিনি নতুন কোন প্রকল্প সংস্থায় যুক্ত হলে তার তথ্য সকল স্টাফদের মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার পরামর্শ দেন। তিনি পোর্টফোলিও ডাইভারসিফাই করতে এবং গতানুগতিক চিন্তা বাদ দিয়ে নতুন আঙ্গিকে কার্যক্রমে ইনোভেশন আনার উপর জোর দেন। তিনি সংস্থার বিভিন্ন প্রকল্প ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে সকলে একসাথে কাজ করার নির্দেশ প্রদান করেন। সবশেষে তিনি সংস্থার উন্নতি ও অর্জনের জন্য প্রেসিডেন্ট মহোদয় ও পর্ষদ সদস্যদের নির্দেশনা ও পরামর্শের কথা উল্লেখ করেন এবং তাঁদেরকে ধন্যবাদ জানান। তিনি কর্মশালায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ ও কর্মশালা সফল করার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানান। ভবিষ্যতে উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় সকলে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন এবং সততা, দক্ষতা ও আন্তরিকতার সাথে কাজ করবেন এই প্রত্যাশা রেখে বক্তব্য শেষ করেন এবং দিনব্যাপী কর্মশালার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
কর্মশালায় সংস্থার অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মানব সম্পদ ও প্রশাসন বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মো: সাইয়েদুল ইসলাম, অর্থ ও হিসাব বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মো: সামছুজ্জামান, অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মুহাম্মদ সরওয়ার মৃধা, প্রোগ্রাম উইং এর যুগ্ম পরিচালক মো: মনিরুজ্জামান সিদ্দিক, লীপ কর্মসূচির যুগ্ম পরিচালক মোহাম্মদ রাকিবুল হাসান এবং বিভিন্ন বিভাগের উপ-পরিচালক, সিনিয়র সহকারী পরিচালক, সহকারী পরিচালক’সহ প্রধান কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ।
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ জাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক
আলহাজ্ব শেখ সিদ্দিকুর রহমান
বার্তা সম্পাদক
তাকছিমুন নাহার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
ইঞ্জিনিয়ার কে এম মেহেদী হাসান
|
মোবাইল: ০১৭১১২৪৯৭৭০
হোয়াটস্অ্যাপ: ০১৭১১২৪৯৭৭০
প্রধান কার্যালয় মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
Email: deshpatrika24@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 25, 2026, 3:27 pm