খুলনায় মাসব্যাপী একুশে বইমেলার ১১০টি স্টলে চার কোটি ৭৮ লাখ ৫০ হাজার টাকার বই বিক্রি হয়েছে বলে জানিয়েছে মেলা আয়োজক কমিটি। বিগত বইমেলায় সাড়ে তিন কোটি টাকার বই বিক্রি হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বয়রাস্থ বিভাগীয় সরকারি গণগ্রন্থাগার প্রাঙ্গণে মাসব্যাপী অমর একুশে বইমেলার সমাপনী দিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সমাপনী দিনে আলোচনা ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার দপ্তরের পরিচালক মো. তবিবুর রহমান বলেন, জ্ঞান অর্জন করতে হলে বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই। মন দিয়ে বই পড়লে জ্ঞানী হওয়া যায়, বই আমাদের জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করে। যে বই পড়ে তার কোনো শত্রু থাকতে পারে না। ভালো মানুষ হতে চাইলে, দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে চাইলে, নিজেকে সঠিক কাজে নেতৃত্ব দিতে চাইলে ও প্রগতিশীল হতে চাইলে ভালো লেখকের বই পড়তে হবে। বইয়ের প্রতি মানুষের আগ্রহ বেড়েছে বলেই এ বছর মেলায় বেশি বই বিক্রি হয়েছে। তিনি নতুন প্রজন্মকে বেশি করে বই পড়ায় উৎসাহ দিতে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান।
খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মো. ইউসুপ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন খুলনা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি জয়বেদ চৌধুরী, কেএমপি’র এডিসি মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মীর আলিফ রেজা, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আলমগীর কবির ও সরদার মাহাবুবার রহমান।
স্বাগত বক্তব্য দেন বিভাগীয় সরকারি গণগ্রন্থাগারের উপপরিচালক মোহাম্মদ হামিদুর রহমান। খুলনা পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির সভাপতি মো. আলমগীর বক্তৃতা করেন। বিভাগীয় সরকারি গণগ্রন্থাগারের সহযোগিতায় খুলনা জেলা প্রশাসন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি শ্রেষ্ঠ স্টল ক্যাটাগরিতে পাঁচটি স্টল প্রতিনিধিদের মাঝে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদপত্র বিতরণ এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।
উল্লেখ্য, মাসব্যাপী বইমেলায় নতুন ৩৪টি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
খুলনার একুশে বইমেলায় চার কোটি ৭৮ লাখ টাকার বই বিক্রি
খুলনায় মাসব্যাপী একুশে বইমেলার ১১০টি স্টলে চার কোটি ৭৮ লাখ ৫০ হাজার টাকার বই বিক্রি হয়েছে বলে জানিয়েছে মেলা আয়োজক কমিটি। বিগত বইমেলায় সাড়ে তিন কোটি টাকার বই বিক্রি হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বয়রাস্থ বিভাগীয় সরকারি গণগ্রন্থাগার প্রাঙ্গণে মাসব্যাপী অমর একুশে বইমেলার সমাপনী দিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সমাপনী দিনে আলোচনা ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার দপ্তরের পরিচালক মো. তবিবুর রহমান বলেন, জ্ঞান অর্জন করতে হলে বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই। মন দিয়ে বই পড়লে জ্ঞানী হওয়া যায়, বই আমাদের জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করে। যে বই পড়ে তার কোনো শত্রু থাকতে পারে না। ভালো মানুষ হতে চাইলে, দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে চাইলে, নিজেকে সঠিক কাজে নেতৃত্ব দিতে চাইলে ও প্রগতিশীল হতে চাইলে ভালো লেখকের বই পড়তে হবে। বইয়ের প্রতি মানুষের আগ্রহ বেড়েছে বলেই এ বছর মেলায় বেশি বই বিক্রি হয়েছে। তিনি নতুন প্রজন্মকে বেশি করে বই পড়ায় উৎসাহ দিতে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান।
খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মো. ইউসুপ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন খুলনা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি জয়বেদ চৌধুরী, কেএমপি’র এডিসি মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মীর আলিফ রেজা, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আলমগীর কবির ও সরদার মাহাবুবার রহমান।
স্বাগত বক্তব্য দেন বিভাগীয় সরকারি গণগ্রন্থাগারের উপপরিচালক মোহাম্মদ হামিদুর রহমান। খুলনা পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির সভাপতি মো. আলমগীর বক্তৃতা করেন। বিভাগীয় সরকারি গণগ্রন্থাগারের সহযোগিতায় খুলনা জেলা প্রশাসন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি শ্রেষ্ঠ স্টল ক্যাটাগরিতে পাঁচটি স্টল প্রতিনিধিদের মাঝে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদপত্র বিতরণ এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।
উল্লেখ্য, মাসব্যাপী বইমেলায় নতুন ৩৪টি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ জাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক
আলহাজ্ব শেখ সিদ্দিকুর রহমান
বার্তা সম্পাদক
তাকছিমুন নাহার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
ইঞ্জিনিয়ার কে এম মেহেদী হাসান
|
মোবাইল: ০১৭১১২৪৯৭৭০
হোয়াটস্অ্যাপ: ০১৭১১২৪৯৭৭০
প্রধান কার্যালয় মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
Email: deshpatrika24@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 25, 2026, 3:14 pm