আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্হা। লক্ষীপুর, যাত্রাবাড়ী, বাড্ডা,মুন্সিগন্জ, গাজীপুর থেকে পুলিশলীগ,আওয়ামীলিগ কর্তৃক গুলিবিদ্ধ হয়ে অনেকেই এখন মৃত্যুর সাথে লড়াই করছে ঢাক মেডিকেল হসপিটালে।
বৃহস্পতিবার রাত ৯.০০ টায় পরিদর্শন করতে যান, মহাসচিব, ডাঃ হাছান আহমেদ মেহেদী, কল্যান পার্টির চেয়ারম্যান, লায়ন এম শামসুদ্দিন পারভেজ, ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, লায়ন ওমর রায়ী আল ফারুক, মানবাধিকার কর্মী, মোঃ ইসরাফিল হোসেন।
বাবার উপার্জনের ওপর নির্ভর করে তাদের পরিবার। কিন্তু সন্তান গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকে দুশ্চিন্তায় দিন কাটাতে হচ্ছে। নাওয়া-খাওয়া ভুলে তার মা ও বাবা হাসপাতালে বসে আছেন। বাবার আয়-রোজগার নাই এখন। ঋণ করে সন্তানের চিকিৎসা খরচ বহন করছেন তারা। তার মা আরো বলেন, ‘আমার সবচেয়ে বড় দুঃখ ছেলের শরীরে এখনো গুলি রয়েছে। কিছুক্ষণ পরপর ছেলে কান্না করে উঠছে।’
স্বামী-স্ত্রী ও দুই ছেলে সহ ৪ জনের সংসার। গুলিবিদ্ধ হওয়ায় পুরো পরিবার থমকে পড়ে। চিকিৎসা খরচ বহন করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। ঋণ করে চালাতে হচ্ছে এমন বহু মানুষের চিকিৎসার খরচ।
ঢাকা মেডিকেলে সন্তানের পাশে বসে হাউমাউ করে কান্না করছেন অসংখ্য মানুষ।
অনেকেই জানান, স্বামী সন্তানসহ সংসার চালাতে পারিনা তার মধ্যে আবার এত বড় দুর্ঘটনা।
গুলিবিদ্ধ শিক্ষার্থীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেয়া জরুরী।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্হা। লক্ষীপুর, যাত্রাবাড়ী, বাড্ডা,মুন্সিগন্জ, গাজীপুর থেকে পুলিশলীগ,আওয়ামীলিগ কর্তৃক গুলিবিদ্ধ হয়ে অনেকেই এখন মৃত্যুর সাথে লড়াই করছে ঢাক মেডিকেল হসপিটালে।
বৃহস্পতিবার রাত ৯.০০ টায় পরিদর্শন করতে যান, মহাসচিব, ডাঃ হাছান আহমেদ মেহেদী, কল্যান পার্টির চেয়ারম্যান, লায়ন এম শামসুদ্দিন পারভেজ, ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, লায়ন ওমর রায়ী আল ফারুক, মানবাধিকার কর্মী, মোঃ ইসরাফিল হোসেন।
বাবার উপার্জনের ওপর নির্ভর করে তাদের পরিবার। কিন্তু সন্তান গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকে দুশ্চিন্তায় দিন কাটাতে হচ্ছে। নাওয়া-খাওয়া ভুলে তার মা ও বাবা হাসপাতালে বসে আছেন। বাবার আয়-রোজগার নাই এখন। ঋণ করে সন্তানের চিকিৎসা খরচ বহন করছেন তারা। তার মা আরো বলেন, ‘আমার সবচেয়ে বড় দুঃখ ছেলের শরীরে এখনো গুলি রয়েছে। কিছুক্ষণ পরপর ছেলে কান্না করে উঠছে।’
স্বামী-স্ত্রী ও দুই ছেলে সহ ৪ জনের সংসার। গুলিবিদ্ধ হওয়ায় পুরো পরিবার থমকে পড়ে। চিকিৎসা খরচ বহন করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। ঋণ করে চালাতে হচ্ছে এমন বহু মানুষের চিকিৎসার খরচ।
ঢাকা মেডিকেলে সন্তানের পাশে বসে হাউমাউ করে কান্না করছেন অসংখ্য মানুষ।
অনেকেই জানান, স্বামী সন্তানসহ সংসার চালাতে পারিনা তার মধ্যে আবার এত বড় দুর্ঘটনা।
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ জাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক
আলহাজ্ব শেখ সিদ্দিকুর রহমান
বার্তা সম্পাদক
তাকছিমুন নাহার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
ইঞ্জিনিয়ার কে এম মেহেদী হাসান
|
মোবাইল: ০১৭১১২৪৯৭৭০
হোয়াটস্অ্যাপ: ০১৭১১২৪৯৭৭০
প্রধান কার্যালয় মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
Email: deshpatrika24@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 25, 2026, 3:15 pm