দেশে চরম খাদ্য সংকট চলছে। যার যতটুকু জমি আছে, বীজ লাগান এবং ফসল ফলান। শহরবাসীগণও বাড়ির ছাদে, বারান্দায়, আঙ্গিনায়, লনে বস্তায়, টবে সব্জি ও ফলের বীজ লাগান। অনেক দেশে, প্রতি কেজি চাল ২২-৩০ টাকা, গম ১৫-২০ টাকা, ডাল ৫০-৬০ টাকা, চিনি ৩৮-৪৪ টাকা, আদা ৬০-৮০ টাকা, রসুন ৬০-৮০ টাকা, পিয়াজ ২০-২৫ টাকা, মাংস ১৪০-২০০ টাকা, সব্জি ১০-২০ টাকা প্রভৃতি। আমরাও একই দামে এসব পেতে পারি- যদি হারিয়ে যাওয়া পরিবেশবান্ধব কৃষি, ফসল, গবাদিপশু, হাঁস মুরগি মাছ এবং খাদ্য ফিরিয়ে আনি।
যা খেলে উদর ভরে এবং শরীরে পুষ্টি যোগায় তাই খাদ্য। তবে-আমরা যা খাচ্ছি তাতে উদর চোখ মন ভরলেও শরীর পুষ্টি পাচ্ছে না। এ কারণে আমাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নাই এবং আমরা করোনা, ক্যান্সারসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছি। জনগণ এবং সরকার চিকিৎসার পিছনে হাজার হাজার কোটি টাকা অপচয় করছে।
আমাদের ফুডস্টাইল এবং লাইফস্টাইল বিজ্ঞানসম্মত হওয়া আবশ্যক, এতে অর্থনীতির ৬০ শতাংশ উন্নয়ন হবে এবং একটি স্বাস্থ্যবান জাতি প্রতিষ্ঠা পাবে। দেশে ধর্মীয় নৈতিক এবং বৈজ্ঞানিক সুশিক্ষা পুণ: প্রতিষ্ঠা জরুরী।
সকল প্রকার জমিতে, রাস্তার ২ পাশে, পুকুর পাড়ে, আনাচে কানাচে পরিবেশবান্ধব ফসল আমন এবং আউশ ধান, সুগারবিট, সয়াবীন, অড়হড়, খেসারি, ফ্যালন, সরিষা, কাজুবাদাম, কফি, মিষ্টি আলু, বাকহুইট, জোয়ার, কাউন, যব, তাল খেজুর নারিকেল, ফলগাছ, আদা, রসুন, পিঁয়াজ, মরিচ প্রভৃতি চাষ/ উৎপাদন করে জাতির সারা বছরের প্রয়োজনীয় পুষ্টির চাহিদা সহজেই মিটিয়ে রপ্তানি করতে পারব এবং প্রায় শতভাগ রোগ-ব্যাধী দূর করতে পারব।
দেশের সার্বিক বিষয় এবং উন্নয়নে আফগানিস্তানকে অনুসরণ করা যেতে পারে। জেলা পর্যায়ে প্রশাসনিক বিকেন্দ্রিকরণ জরুরী, এতে প্রতিদিন শত শত কোটি টাকার ডলার সাশ্রয় হবে, দেশ ও পরিবেশের উন্নয়ন হবে। দেশের ঋণ শোধ করতে সরকার এবং জনগণকে মিতব্যয়ী হওয়া আবশ্যক। বিদেশ সফর বন্ধ করা, সকল প্রকার বিলাসী এবং অপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি বন্ধ করা জরুরী। প্রাইভেট কার ১৫০০ সিসির মধ্যে রাখা আবশ্যক।
প্রতিদিন নেশায় অপচয় হচ্ছে প্রায় ১০০ কোটি টাকা। নেশায় ধ্বংস হয়েছে সন্তান, বাবা-মা, পরিবার, শিক্ষার্থী, সমাজ এবং দেশ। গবেষণায় দেখা গেছে যে, সরকার তামাক এবং তামাকজাত পণ্য থেকে যা আয় করে, তামাকজনিত রোগের কারণে তার চেয়ে অনেকগুন বেশী ব্যয় করে। অবিলম্বে বিশেষ আইন করে তামাক এবং তামাকজাত পণ্যের উৎপাদন, বিপণন এবং ব্যবহার বন্ধ করা আবশ্যক যেহেতু ইসলামে সকল নেশাই হারাম।
মহান আল্লাহ মানুষকে সৃষ্টি করেছেন কঠিন পরিশ্রম করার জন্য। প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (স:) ও ভীষণ পরিশ্রমী ছিলেন। রিক্সা, ভ্যান, অটোচালক, বস্তিবাসী, ভাসমান জনগোষ্ঠি, বেকার, অবসরপ্রাপ্ত, চাকুরিজিবী, কর্মরত মানুষকে কৃষিতে, কৃষি-ভিত্তিক শিল্পে কাজ দেয়া, যেহেতু পরিশ্রম করলে শরীর ও মন ভালো থাকে।
মানবদেহ এবং পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক কোন কাজ, ফসল, খাদ্য এবং পণ্য উৎপাদন, বিপণন, আমদানি, রপ্তানি, ব্যবহার নিষিদ্ধ জরুরী। পরিবেশ এবং জীববৈচিত্র ধ্বংস করে দিচ্ছে বিপদজনক ই-বর্জ্য, অটোমোবাইল বর্জ্য, মেডিকেল বর্জ্য, কারখানার বর্জ্য, প্লাস্টিক, পলিথিন, কনডম, প্রসাধনী বর্জ্য, রাসায়নিক বর্জ্য প্রভৃতি। এ সব বন্ধে আইন জরুরী এবং এ সব সমস্যার সমাধানে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি আছে।
২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতই সর্বাধুনিক যন্ত্র। এ যন্ত্র দিয়েই আমরা গোলাভরা ধান, গোয়ালভরা গরু এবং পুকুরভরা মাছ ফিরিয়ে আনব। ২০২৭ সালের মধ্যে ১টি আদর্শ শান্তিপূর্ণ শালিন সুখী নিষ্পাপ সুশিক্ষিত বৈজ্ঞানিক জাতি ও ১ নম্বর উন্নত পরিচ্ছন্ন দেশ প্রতিষ্ঠা করব ইনশাআল্লাহ। আর আমাদের পাসপোর্টের মান হবে সর্বোচ্চ।
ডাঃ হাছান আহমেদ মেহেদী
জেনারেল সেক্রেটারি
বাংলাদেশ অর্গানিক প্রোডাক্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন।
01886416777
bopma08@gmail.com
প্রধান উপদেষ্টা সহ স্বাস্থ্য সচেতন সকলের প্রতি আবেদন
দেশে চরম খাদ্য সংকট চলছে। যার যতটুকু জমি আছে, বীজ লাগান এবং ফসল ফলান। শহরবাসীগণও বাড়ির ছাদে, বারান্দায়, আঙ্গিনায়, লনে বস্তায়, টবে সব্জি ও ফলের বীজ লাগান। অনেক দেশে, প্রতি কেজি চাল ২২-৩০ টাকা, গম ১৫-২০ টাকা, ডাল ৫০-৬০ টাকা, চিনি ৩৮-৪৪ টাকা, আদা ৬০-৮০ টাকা, রসুন ৬০-৮০ টাকা, পিয়াজ ২০-২৫ টাকা, মাংস ১৪০-২০০ টাকা, সব্জি ১০-২০ টাকা প্রভৃতি। আমরাও একই দামে এসব পেতে পারি- যদি হারিয়ে যাওয়া পরিবেশবান্ধব কৃষি, ফসল, গবাদিপশু, হাঁস মুরগি মাছ এবং খাদ্য ফিরিয়ে আনি।
যা খেলে উদর ভরে এবং শরীরে পুষ্টি যোগায় তাই খাদ্য। তবে-আমরা যা খাচ্ছি তাতে উদর চোখ মন ভরলেও শরীর পুষ্টি পাচ্ছে না। এ কারণে আমাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নাই এবং আমরা করোনা, ক্যান্সারসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছি। জনগণ এবং সরকার চিকিৎসার পিছনে হাজার হাজার কোটি টাকা অপচয় করছে।
আমাদের ফুডস্টাইল এবং লাইফস্টাইল বিজ্ঞানসম্মত হওয়া আবশ্যক, এতে অর্থনীতির ৬০ শতাংশ উন্নয়ন হবে এবং একটি স্বাস্থ্যবান জাতি প্রতিষ্ঠা পাবে। দেশে ধর্মীয় নৈতিক এবং বৈজ্ঞানিক সুশিক্ষা পুণ: প্রতিষ্ঠা জরুরী।
সকল প্রকার জমিতে, রাস্তার ২ পাশে, পুকুর পাড়ে, আনাচে কানাচে পরিবেশবান্ধব ফসল আমন এবং আউশ ধান, সুগারবিট, সয়াবীন, অড়হড়, খেসারি, ফ্যালন, সরিষা, কাজুবাদাম, কফি, মিষ্টি আলু, বাকহুইট, জোয়ার, কাউন, যব, তাল খেজুর নারিকেল, ফলগাছ, আদা, রসুন, পিঁয়াজ, মরিচ প্রভৃতি চাষ/ উৎপাদন করে জাতির সারা বছরের প্রয়োজনীয় পুষ্টির চাহিদা সহজেই মিটিয়ে রপ্তানি করতে পারব এবং প্রায় শতভাগ রোগ-ব্যাধী দূর করতে পারব।
দেশের সার্বিক বিষয় এবং উন্নয়নে আফগানিস্তানকে অনুসরণ করা যেতে পারে। জেলা পর্যায়ে প্রশাসনিক বিকেন্দ্রিকরণ জরুরী, এতে প্রতিদিন শত শত কোটি টাকার ডলার সাশ্রয় হবে, দেশ ও পরিবেশের উন্নয়ন হবে। দেশের ঋণ শোধ করতে সরকার এবং জনগণকে মিতব্যয়ী হওয়া আবশ্যক। বিদেশ সফর বন্ধ করা, সকল প্রকার বিলাসী এবং অপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি বন্ধ করা জরুরী। প্রাইভেট কার ১৫০০ সিসির মধ্যে রাখা আবশ্যক।
প্রতিদিন নেশায় অপচয় হচ্ছে প্রায় ১০০ কোটি টাকা। নেশায় ধ্বংস হয়েছে সন্তান, বাবা-মা, পরিবার, শিক্ষার্থী, সমাজ এবং দেশ। গবেষণায় দেখা গেছে যে, সরকার তামাক এবং তামাকজাত পণ্য থেকে যা আয় করে, তামাকজনিত রোগের কারণে তার চেয়ে অনেকগুন বেশী ব্যয় করে। অবিলম্বে বিশেষ আইন করে তামাক এবং তামাকজাত পণ্যের উৎপাদন, বিপণন এবং ব্যবহার বন্ধ করা আবশ্যক যেহেতু ইসলামে সকল নেশাই হারাম।
মহান আল্লাহ মানুষকে সৃষ্টি করেছেন কঠিন পরিশ্রম করার জন্য। প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (স:) ও ভীষণ পরিশ্রমী ছিলেন। রিক্সা, ভ্যান, অটোচালক, বস্তিবাসী, ভাসমান জনগোষ্ঠি, বেকার, অবসরপ্রাপ্ত, চাকুরিজিবী, কর্মরত মানুষকে কৃষিতে, কৃষি-ভিত্তিক শিল্পে কাজ দেয়া, যেহেতু পরিশ্রম করলে শরীর ও মন ভালো থাকে।
মানবদেহ এবং পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক কোন কাজ, ফসল, খাদ্য এবং পণ্য উৎপাদন, বিপণন, আমদানি, রপ্তানি, ব্যবহার নিষিদ্ধ জরুরী। পরিবেশ এবং জীববৈচিত্র ধ্বংস করে দিচ্ছে বিপদজনক ই-বর্জ্য, অটোমোবাইল বর্জ্য, মেডিকেল বর্জ্য, কারখানার বর্জ্য, প্লাস্টিক, পলিথিন, কনডম, প্রসাধনী বর্জ্য, রাসায়নিক বর্জ্য প্রভৃতি। এ সব বন্ধে আইন জরুরী এবং এ সব সমস্যার সমাধানে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি আছে।
২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতই সর্বাধুনিক যন্ত্র। এ যন্ত্র দিয়েই আমরা গোলাভরা ধান, গোয়ালভরা গরু এবং পুকুরভরা মাছ ফিরিয়ে আনব। ২০২৭ সালের মধ্যে ১টি আদর্শ শান্তিপূর্ণ শালিন সুখী নিষ্পাপ সুশিক্ষিত বৈজ্ঞানিক জাতি ও ১ নম্বর উন্নত পরিচ্ছন্ন দেশ প্রতিষ্ঠা করব ইনশাআল্লাহ। আর আমাদের পাসপোর্টের মান হবে সর্বোচ্চ।
ডাঃ হাছান আহমেদ মেহেদী
জেনারেল সেক্রেটারি
বাংলাদেশ অর্গানিক প্রোডাক্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন।
01886416777
bopma08@gmail.com
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ জাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক
আলহাজ্ব শেখ সিদ্দিকুর রহমান
বার্তা সম্পাদক
তাকছিমুন নাহার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
ইঞ্জিনিয়ার কে এম মেহেদী হাসান
|
মোবাইল: ০১৭১১২৪৯৭৭০
হোয়াটস্অ্যাপ: ০১৭১১২৪৯৭৭০
প্রধান কার্যালয় মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
Email: deshpatrika24@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 25, 2026, 3:36 pm