লক্ষীপুর জেলার কমলনগর উপজেলায় দীর্ঘ দিন বন্যা কবলিত পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে উপজেলার বেশিরভাগ মানুষ, গতকাল থেকে বন্যার পানি কমতে থাকে কিন্তু এখনো ছাড়েনি আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান করা বানভাসি মানুষ,তবে এখন ডায়রিয়া, চর্মরোগ,জ্বর, সর্দি-কাশি ও বিভিন্ন ধরনের পানিবাহিত রোগেআক্রান্ত হচ্ছে পানিবন্দি মানুষগুলো।
উপজেলা পরিষদ সূত্রে জানা যায় উপজেলায় মোট ১৬ টি আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে সবগুলো আশ্রয় কেন্দ্রেই ছিলো বন্যা কবলিত মানুষের উপচে পড়া ভিড়। আজ শনিবার (৩১ আগষ্ট) সরজমিনে কিছু আশ্রয়কেন্দ্র গিয়ে দেখা যায় আশ্রয়কেন্দ্র অবস্হানরত বেশিরভাগ নারী-শিশু, বৃদ্ধা ও গর্ভবতী বিভিন্ন ধরনের রোগে আক্রান্ত হয়ে আছে ওখানে থেকে তারা পাচ্ছে না প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা।
চর কাদিরা ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের একটি আশ্রয়কেন্দ্র পাটারি পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় অবস্থানরত শাহ আলমের বাড়ির শিউলি বেগম বলেন পালতা পায়খানা করতে করতে শেষ একটা স্লাইন ও পাই না খাইতে আজ তিন দিন পাতলা পায়খানা সকাল থেকে ছয়বার পায়খানা করছি,
আরেক পঁচাত্তরের উপরের বয়সী বৃদ্ধ মোঃ মোতাছিন বলেন আমার হার্ডে সমস্যা প্রতিদিন ঔষধ খাওয়া লাগে আশ্রয়কেন্দ্র আসার সময় যা ছিলো নিয়া আইছি আজ দুইদিন ঔষধ শেষ বুকের ব্যাথা বেড়েই যাচ্ছে নিঃশ্বাস নিতে খুব কষ্ট হয়।
বটতলী বাজারের অরেক আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা নুরজাহান বেগম বলেন অতিরিক্ত পানিতে বাড়িতে না থাকতে পেরে এখানে আইছি কোন রকম খেয়ে না খেয়ে দিন পার করছি, কিন্তু এই এগার মাসের বাচ্চাটা আজ তিনদিন খুব অসুস্থ জ্বর,কাশি, হাঁপানি এই রোগটা দেখা দিলে ওরে ঔষধের সাথে সাথে গ্যাস দেওন লাগে এখন এখানে ঔষধ ই তো পাই না গ্যাস দিমু কেমনে।
এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাক্তার আবু তাহের বলেন এতদিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পক্ষ থেকে বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে মেডিকেল টিম পরিচালনা করা হয়েছে। তবে এখন বন্যার পানি কমার সাথে সাথে বিভিন্ন রোগব্যাধির উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় আমরা পুরো বন্যা কবলিত এলাকায় আরো বৃহৎভাবে মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা করে চিকিৎসা সেবা দিবো।
কমলনগরে কমেছে বন্যার পানি বাড়ছে রোগব্যাধি
লক্ষীপুর জেলার কমলনগর উপজেলায় দীর্ঘ দিন বন্যা কবলিত পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে উপজেলার বেশিরভাগ মানুষ, গতকাল থেকে বন্যার পানি কমতে থাকে কিন্তু এখনো ছাড়েনি আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান করা বানভাসি মানুষ,তবে এখন ডায়রিয়া, চর্মরোগ,জ্বর, সর্দি-কাশি ও বিভিন্ন ধরনের পানিবাহিত রোগেআক্রান্ত হচ্ছে পানিবন্দি মানুষগুলো।
উপজেলা পরিষদ সূত্রে জানা যায় উপজেলায় মোট ১৬ টি আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে সবগুলো আশ্রয় কেন্দ্রেই ছিলো বন্যা কবলিত মানুষের উপচে পড়া ভিড়। আজ শনিবার (৩১ আগষ্ট) সরজমিনে কিছু আশ্রয়কেন্দ্র গিয়ে দেখা যায় আশ্রয়কেন্দ্র অবস্হানরত বেশিরভাগ নারী-শিশু, বৃদ্ধা ও গর্ভবতী বিভিন্ন ধরনের রোগে আক্রান্ত হয়ে আছে ওখানে থেকে তারা পাচ্ছে না প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা।
চর কাদিরা ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের একটি আশ্রয়কেন্দ্র পাটারি পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় অবস্থানরত শাহ আলমের বাড়ির শিউলি বেগম বলেন পালতা পায়খানা করতে করতে শেষ একটা স্লাইন ও পাই না খাইতে আজ তিন দিন পাতলা পায়খানা সকাল থেকে ছয়বার পায়খানা করছি,
আরেক পঁচাত্তরের উপরের বয়সী বৃদ্ধ মোঃ মোতাছিন বলেন আমার হার্ডে সমস্যা প্রতিদিন ঔষধ খাওয়া লাগে আশ্রয়কেন্দ্র আসার সময় যা ছিলো নিয়া আইছি আজ দুইদিন ঔষধ শেষ বুকের ব্যাথা বেড়েই যাচ্ছে নিঃশ্বাস নিতে খুব কষ্ট হয়।
বটতলী বাজারের অরেক আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা নুরজাহান বেগম বলেন অতিরিক্ত পানিতে বাড়িতে না থাকতে পেরে এখানে আইছি কোন রকম খেয়ে না খেয়ে দিন পার করছি, কিন্তু এই এগার মাসের বাচ্চাটা আজ তিনদিন খুব অসুস্থ জ্বর,কাশি, হাঁপানি এই রোগটা দেখা দিলে ওরে ঔষধের সাথে সাথে গ্যাস দেওন লাগে এখন এখানে ঔষধ ই তো পাই না গ্যাস দিমু কেমনে।
এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাক্তার আবু তাহের বলেন এতদিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পক্ষ থেকে বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে মেডিকেল টিম পরিচালনা করা হয়েছে। তবে এখন বন্যার পানি কমার সাথে সাথে বিভিন্ন রোগব্যাধির উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় আমরা পুরো বন্যা কবলিত এলাকায় আরো বৃহৎভাবে মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা করে চিকিৎসা সেবা দিবো।
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ জাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক
আলহাজ্ব শেখ সিদ্দিকুর রহমান
বার্তা সম্পাদক
তাকছিমুন নাহার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
ইঞ্জিনিয়ার কে এম মেহেদী হাসান
|
মোবাইল: ০১৭১১২৪৯৭৭০
হোয়াটস্অ্যাপ: ০১৭১১২৪৯৭৭০
প্রধান কার্যালয় মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
Email: deshpatrika24@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 25, 2026, 4:49 pm