লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে মাতাব্বরহাট মাছ ঘাট ও নদী দখল নিয়ন্ত্রন পরিবর্তনে সিরিয়াল, কমিশন বানিজ্য ও আধিপত্য বিস্তারে দুপক্ষের মারামারিতে অন্তত ১২ জন জেলে আহত হয়েছে।
গতকাল মঙলবার (১৭সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার মাতাব্বর হাট মাছ ঘাটে দুপক্ষের মধ্যে ইট ফাটকেল নিক্ষেপ হয়। এতে কালু মাঝির জেলেদের উপর জামাল মাঝির লোকজনের হামলা ঘটনার অভিযোগ পাওয়া যায়। আহতরা হলেন, জেলে নুর আলম (২৩), মো.ইমন(১৯), মো.স্বপন(২৪), আকবর হোসেন(৩০), বাবুল হোসেন (৪০), তারেক(২২), লোকমান (২০), মো.রুবেল (২৫), এরা ভোলার দৌলতখাঁর বাসিন্দা। জামাল মাঝির মো.রাশেদ(৩৫), মো.রবিন(২৫), মো.মোবারক(২৭), রাকিব(৩৫),রফিট (৩০) ও আরো ৪জন আহত হন।
কালু মাঝি জানান, রাতে ঘাট কতৃপক্ষ থেকে সিরিয়াল পেয়ে নদীতে পিডাইন্না জাল দিয়ে মাছ ধরতে গেলে হঠাৎ জামাল মাঝি আমার নৌকা ও জালের সামনে তার নৌকা ও জালে ফেলে। এতে বাঁধা দিলে জামাল মাঝি তার লোককজন ঘাটে আসলে হঠাৎ ইট মারতে থাকে। এতে আমিসহ আরও ৮জন আহত হন। গুরুতর আহত একজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। বাকিদের উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে।
তিনি আরও জানান, তারা সবাই ভোলার দৌতলখাঁর বাসিন্দা। গত কয়েক বছর মাতাব্বর হাট মাছ ঘাটের জিহাদের নিয়ন্ত্রণে মাছ ধরছেন। গত কিছু দিন ঘাটের দখল ও আড়তদারদের মধ্যে কমিশনের টাকার ভাগ ভাটোয়ারী নিয়ে আধিপত্য বিস্তার শুরু হয়। ঘাটের আড়তদার মফিজ মাতাব্বর, খলিল মেম্বার, মনির মেম্বার, ওদুদ হাওলাদার,আজাদ মাতাব্ববর, মো. বাবুল,মো. আলম, আকতার সিকদারের মাধ্যমে নদীতে মাছ ধরা হয়। মাছ বিক্রির শতকরা ২০ শতাংশ তারা ভাগ করে নেন।
ইব্রাহিম খলিল মেম্বার জানান, জিহাদের আড়তে থাকা আলমের সহযোগিতায় জামাল মাঝির লোকজন কালু মাঝির জেলেদের উপর হামলা চালান। মফিজ মাতাব্বর জানান, পিডাইন্না ৫-৬ জাল জিহাদের আড়তের থাকা আলমসহ আমরা ৮-৯জন নিয়ন্ত্রন করি। ঝামেলা হওয়ার পর আলমের সাথে কথা বললে সে কোন কথা বলেনি। কারণ কালু মাঝির লোকজনের উপর হামলা করা জামাল মাঝি জিহাদ এবং আলমের লোক।
জামাল মাঝি জানান, তিনি জিহাদের আড়তে মাছ বিক্রি করতেন। গত কিছুদিন যাবত ঘাটে ৮-৯জন আড়তদার জিহাদের ব্যবসায় থাকা জালগুলোর নদীতে সিরিয়াল দিচ্ছে না। ঘাটে পিডাইন্না জালে মাছ বেশি ধরা যায়। দীর্ঘদিন ভোলার ৫-৬জন মাঝি মাতাব্বর হাট ঘাটের পিডাইন্না জাল দিয়ে মাছ ধরে। হঠাৎ আড়তদার মফিজ মাতাব্বর, খলিল মেম্বার, মনির মেম্বার, বাবুল, আকতার সিকদার এরা জিহাদের কোন জেলেকে নদীতে মাছ ধরতে দিচ্ছে না। আমি স্থানীয় হওয়ায় তাদের কমিশন ভাগ দিতেছি না। ভোলার পিডাইন্না জেলে-মাঝিরা তাদের ১৫-২০শতাংশ কমিশন দেয়। যার কারণে ঘাটের আড়তদারগণ ভোলার জেলেদের মাছ ধরার সিরিয়াল সবসময় দেয়। মারামারিতে দুপক্ষের ১২-১৩জন আহত হয়েছে।
মো.জিহাদ জানান, পিডাইন্না জাল ও জেলেদের নদীতে মাছ ধরা, বিক্রি সবই ছিল। হঠাৎ সরকার পতনের পর যাদের নাম এসেছে তারা ঘাটের নিয়ন্ত্রণ নেয়। তারা জেলে ও আড়তদার থেকে শতকরা ২০শতাংশ কমিশন নিচ্ছেন। তবে ঘাটের ব্যবসার সাথে তিনি এখন জড়িত নন। মো. জিহাদ উপজেলার চর ফলকনের মৃত রফিক মাষ্টারের ছেলে। সে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্যের দায়িত্বে রয়েছে।
কমলনগর থানা ইনচার্জ(ওসি) সাইফুদ্দিন আনোয়ার জানান, ঘাটের দখল নিয়ে মারামারির ঘটনায় কোন অভিযোগ দায়ের হয়নি। তবে খোঁজ নিয়ে জানা যাবে।
মাছ ঘাটের দখল পরিবর্তন,কমিশন-সিরিয়াল নিয়ে দুগ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১২
লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে মাতাব্বরহাট মাছ ঘাট ও নদী দখল নিয়ন্ত্রন পরিবর্তনে সিরিয়াল, কমিশন বানিজ্য ও আধিপত্য বিস্তারে দুপক্ষের মারামারিতে অন্তত ১২ জন জেলে আহত হয়েছে।
গতকাল মঙলবার (১৭সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার মাতাব্বর হাট মাছ ঘাটে দুপক্ষের মধ্যে ইট ফাটকেল নিক্ষেপ হয়। এতে কালু মাঝির জেলেদের উপর জামাল মাঝির লোকজনের হামলা ঘটনার অভিযোগ পাওয়া যায়। আহতরা হলেন, জেলে নুর আলম (২৩), মো.ইমন(১৯), মো.স্বপন(২৪), আকবর হোসেন(৩০), বাবুল হোসেন (৪০), তারেক(২২), লোকমান (২০), মো.রুবেল (২৫), এরা ভোলার দৌলতখাঁর বাসিন্দা। জামাল মাঝির মো.রাশেদ(৩৫), মো.রবিন(২৫), মো.মোবারক(২৭), রাকিব(৩৫),রফিট (৩০) ও আরো ৪জন আহত হন।
কালু মাঝি জানান, রাতে ঘাট কতৃপক্ষ থেকে সিরিয়াল পেয়ে নদীতে পিডাইন্না জাল দিয়ে মাছ ধরতে গেলে হঠাৎ জামাল মাঝি আমার নৌকা ও জালের সামনে তার নৌকা ও জালে ফেলে। এতে বাঁধা দিলে জামাল মাঝি তার লোককজন ঘাটে আসলে হঠাৎ ইট মারতে থাকে। এতে আমিসহ আরও ৮জন আহত হন। গুরুতর আহত একজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। বাকিদের উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে।
তিনি আরও জানান, তারা সবাই ভোলার দৌতলখাঁর বাসিন্দা। গত কয়েক বছর মাতাব্বর হাট মাছ ঘাটের জিহাদের নিয়ন্ত্রণে মাছ ধরছেন। গত কিছু দিন ঘাটের দখল ও আড়তদারদের মধ্যে কমিশনের টাকার ভাগ ভাটোয়ারী নিয়ে আধিপত্য বিস্তার শুরু হয়। ঘাটের আড়তদার মফিজ মাতাব্বর, খলিল মেম্বার, মনির মেম্বার, ওদুদ হাওলাদার,আজাদ মাতাব্ববর, মো. বাবুল,মো. আলম, আকতার সিকদারের মাধ্যমে নদীতে মাছ ধরা হয়। মাছ বিক্রির শতকরা ২০ শতাংশ তারা ভাগ করে নেন।
ইব্রাহিম খলিল মেম্বার জানান, জিহাদের আড়তে থাকা আলমের সহযোগিতায় জামাল মাঝির লোকজন কালু মাঝির জেলেদের উপর হামলা চালান। মফিজ মাতাব্বর জানান, পিডাইন্না ৫-৬ জাল জিহাদের আড়তের থাকা আলমসহ আমরা ৮-৯জন নিয়ন্ত্রন করি। ঝামেলা হওয়ার পর আলমের সাথে কথা বললে সে কোন কথা বলেনি। কারণ কালু মাঝির লোকজনের উপর হামলা করা জামাল মাঝি জিহাদ এবং আলমের লোক।
জামাল মাঝি জানান, তিনি জিহাদের আড়তে মাছ বিক্রি করতেন। গত কিছুদিন যাবত ঘাটে ৮-৯জন আড়তদার জিহাদের ব্যবসায় থাকা জালগুলোর নদীতে সিরিয়াল দিচ্ছে না। ঘাটে পিডাইন্না জালে মাছ বেশি ধরা যায়। দীর্ঘদিন ভোলার ৫-৬জন মাঝি মাতাব্বর হাট ঘাটের পিডাইন্না জাল দিয়ে মাছ ধরে। হঠাৎ আড়তদার মফিজ মাতাব্বর, খলিল মেম্বার, মনির মেম্বার, বাবুল, আকতার সিকদার এরা জিহাদের কোন জেলেকে নদীতে মাছ ধরতে দিচ্ছে না। আমি স্থানীয় হওয়ায় তাদের কমিশন ভাগ দিতেছি না। ভোলার পিডাইন্না জেলে-মাঝিরা তাদের ১৫-২০শতাংশ কমিশন দেয়। যার কারণে ঘাটের আড়তদারগণ ভোলার জেলেদের মাছ ধরার সিরিয়াল সবসময় দেয়। মারামারিতে দুপক্ষের ১২-১৩জন আহত হয়েছে।
মো.জিহাদ জানান, পিডাইন্না জাল ও জেলেদের নদীতে মাছ ধরা, বিক্রি সবই ছিল। হঠাৎ সরকার পতনের পর যাদের নাম এসেছে তারা ঘাটের নিয়ন্ত্রণ নেয়। তারা জেলে ও আড়তদার থেকে শতকরা ২০শতাংশ কমিশন নিচ্ছেন। তবে ঘাটের ব্যবসার সাথে তিনি এখন জড়িত নন। মো. জিহাদ উপজেলার চর ফলকনের মৃত রফিক মাষ্টারের ছেলে। সে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্যের দায়িত্বে রয়েছে।
কমলনগর থানা ইনচার্জ(ওসি) সাইফুদ্দিন আনোয়ার জানান, ঘাটের দখল নিয়ে মারামারির ঘটনায় কোন অভিযোগ দায়ের হয়নি। তবে খোঁজ নিয়ে জানা যাবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ জাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক
আলহাজ্ব শেখ সিদ্দিকুর রহমান
বার্তা সম্পাদক
তাকছিমুন নাহার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
ইঞ্জিনিয়ার কে এম মেহেদী হাসান
|
মোবাইল: ০১৭১১২৪৯৭৭০
হোয়াটস্অ্যাপ: ০১৭১১২৪৯৭৭০
প্রধান কার্যালয় মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
Email: deshpatrika24@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 25, 2026, 4:44 pm