কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা ইটনায় মসজিদে তবারক বিতরণকে কেন্দ্র করে ঝগড়ার জেরে মো. ওহাব ভূঁইয়া (৪৫) নামে একজনকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান তিনি।
স্থানীয়রা জানান, গত ৬ সেপ্টেম্বর শুক্রবার জুমার নামাজের পর মসজিদে তবারক বিতরণ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এর জেরে শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে রাস্তায় একা পেয়ে উপজেলার সদর ইউনিয়নের উদিয়ারপাড় খালপাড় হাঁটির দা-ওয়ালা গোষ্ঠীর লোকজন ভূঁইয়া গোষ্ঠীর মৃত আজগর আলীর ছেলে মো. ওহাব ভূঁইয়াকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে তাকে কিশোরগঞ্জ শহরের হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার ভোরে তার মৃত্যু হয়।
তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ইটনা উপজেলা ক্যাম্প কমান্ডার ও ১৫ আর ই ব্যাটালিয়নের সদস্যরা ও পুলিশ সদস্যরা। ঘণ্টাখানেকের চেষ্টায় সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এসময় ঘটনাস্থলে সেনা সদস্যরা তল্লাশি চালিয়ে লাঠিসোঁটাসহ দুইজনকে আটক করেন।
সেনা সূত্রে জানা যায়, আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আটকদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
নিকলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির রাব্বানী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এ ঘটনায় দুজনকে আটক করা হয়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মামলা অনুযায়ী পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
কিশোরগঞ্জে মসজিদের তবারক নিয়ে ঝগড়া, একজনকে পিটিয়ে হত্যা
কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা ইটনায় মসজিদে তবারক বিতরণকে কেন্দ্র করে ঝগড়ার জেরে মো. ওহাব ভূঁইয়া (৪৫) নামে একজনকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান তিনি।
স্থানীয়রা জানান, গত ৬ সেপ্টেম্বর শুক্রবার জুমার নামাজের পর মসজিদে তবারক বিতরণ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এর জেরে শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে রাস্তায় একা পেয়ে উপজেলার সদর ইউনিয়নের উদিয়ারপাড় খালপাড় হাঁটির দা-ওয়ালা গোষ্ঠীর লোকজন ভূঁইয়া গোষ্ঠীর মৃত আজগর আলীর ছেলে মো. ওহাব ভূঁইয়াকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে তাকে কিশোরগঞ্জ শহরের হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার ভোরে তার মৃত্যু হয়।
তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ইটনা উপজেলা ক্যাম্প কমান্ডার ও ১৫ আর ই ব্যাটালিয়নের সদস্যরা ও পুলিশ সদস্যরা। ঘণ্টাখানেকের চেষ্টায় সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এসময় ঘটনাস্থলে সেনা সদস্যরা তল্লাশি চালিয়ে লাঠিসোঁটাসহ দুইজনকে আটক করেন।
সেনা সূত্রে জানা যায়, আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আটকদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
নিকলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির রাব্বানী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এ ঘটনায় দুজনকে আটক করা হয়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মামলা অনুযায়ী পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ জাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক
আলহাজ্ব শেখ সিদ্দিকুর রহমান
বার্তা সম্পাদক
তাকছিমুন নাহার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
ইঞ্জিনিয়ার কে এম মেহেদী হাসান
|
মোবাইল: ০১৭১১২৪৯৭৭০
হোয়াটস্অ্যাপ: ০১৭১১২৪৯৭৭০
প্রধান কার্যালয় মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
Email: deshpatrika24@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 25, 2026, 4:44 pm