মহিলা দস্যূ বাহিনীর হয়রানির শিকার মেরিন সিটি পরিবার

  নিজস্ব প্রতিবেদক    25-11-2024    143
মহিলা দস্যূ বাহিনীর হয়রানির শিকার মেরিন সিটি পরিবার

শহরতলির লিংকরোড এলাকায় জমির দাম বেড়ে যাওয়ায় চাঁদাবাজ ও দস্যূর উপদ্রব বেড়েই চলেছে। কিন্তু চিহ্নিত চাঁদাবাজের নিপীড়ন ও দখলবাজির কারণে অতিষ্ট হয়ে উঠেছেন সাধারণ জমির মালিকরা। ওইসব চক্র গায়ের জোরে অন্যের জমি নিজের বলে দাবি করে হাঙ্গামা করছে। তেমনই এক চাঁদাবাজ ও দস্যূ চক্রের হয়রানির শিকার হচ্ছে মেরিন সিটি পরিবার। তারা একদল মহিলা দস্যূ’র কবলে পড়েছেন। সম্প্রতি ‘ব-কলম’ হলুদ সাংবাদিক নামধারি কালাভাই ধলাভাই গ্রুপের চাঁদাবাজি মিশনে যোগ হয়েছে লিংকরোডের দেহ ব্যবসায়ী খ্যাত ১২ বোনের ইয়াবা পরিবার। তারা প্রতিনিয়ত এলাকায় যখন-তখন আত্মসম্মান বোধওয়ালা ভদ্র মানষের বৈধ জায়গা অবৈধ ভাবে দখলে নিতে ভারাটিয়া হিসেবে কাজ করছে।

স্থানীয় ও প্রশাসনের সুত্র মতে, লিংকরোড এলাকার একটি বিরোধীয় জমির মালিক আয়েশা খাতুন। তিনি মারা যাওয়ার পর তার সন্তান ফয়েজ আহমেদ গংরা ওয়ারিশসুত্রে মালিক হয়েছেন। ১৯৭০ সালের ২১ ডিসেম্বর সাব-রেজিষ্ট্রি কবলা মূলে ওই জমি ইসলাম খাঁ নামের এক ব্যক্তিকে বিক্রি করে দেন। সেই জমি ইসলাম খাঁ’র নামে ৫৫১ ও ৫৬৪ বি,এস খতিয়ান চুড়ান্ত প্রচার হয়। সংশ্লিষ্টদের মতে, ইসলাম খাঁ’র কাছ থেকে সেই জমি ফাতেমা জেসমিন কিনে নিয়ে তার নামে ১৫০৪৪ নাম্বার বি,এস খতিয়ান চুড়ান্ত হয়। আবার সেই জমি ক্রেতা মালিক ফাতেমা জেসমিন তার দুই মেয়ে ফাহমিদা জান্নাত প্রিয়া ও ইকরা জান্নাতকে ‘হেবা’ দলিলমূলে মালিকানা হস্তান্তর করেন। পরে তা ওই দু’জনের নামে ১৫৩৪৬ নাম্বার বি,এস খতিয়ান সৃষ্টি হয়ে তা চুড়ান্ত প্রচার হয়। সেই জমির খাজনা, জমাভাগের দাখিলা হালনাগাদ করা আছে। মেরিন সিটি পরিবারের সদস্য ফাহমিদা জান্নাত প্রিয়া ও ইকরা জান্নাতের মতে, এতোদিন পর কতিপয় ‘দস্যূ প্রকৃতির’র মহিলা এসে নিজেদের আয়েশা খাতুনের ওয়ারিশ দাবি করে ২০২০ সালের ২৮ জানুয়ারি বি,এস সংশোধনী দাবি করে একটি মামলা দায়ের করে। সেই মামলাটি এখনও চলমান রয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের দাবি, বি,এস সংশোধনী মামলার অধিকাংশ বাদী ফাহমিদা জান্নাত ও ইকরা জান্নাতের পক্ষে ‘না দাবি’ সম্পর্কিত ঘোষণাপত্রও দেন। কিন্তু দেশের বর্তমান পরিবর্তিত পরিস্তিতির সুযোগ নিয়ে খোরশোদা বেগম নামের এক মহিলার নেতৃত্বে ২০/২৫ জন মহিলা সেই জমিতে নির্মাণাধীন মসজিদ নির্মাণে বাধা ও মসজিদ ভাঙচুর করে। ভাঙচুরের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনের মামলাও রুজু হয়েছে। বিজ্ঞ আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করে। জমির মালিকানা স্বত্ব না থাকা সত্ত্বেও খোরশেদা বেগম গং ‘দুর্ধর্ষ ভূমিদস্যূ’দের মতো মেরিন সিটি পরিবারের বিরুদ্ধে লেগেই আছে। মেরিন সিটি পরিবার এই মহিলা দস্যূদের হাত থেকে তাদের রক্ষা ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোরদাবি জানিয়েছেন।

সারাদেশ-এর আরও খবর