খুলনায় অটোরিকশাচালক কিশোর তামিম ওরফে তাসিনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) সকালে নগরীর মহেশ্বরপাশা কবরস্থানের পাশ থেকে তার মরদেহ করে উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, মহেশ্বরপাশা এলাকার মিজান জমাদ্দারের ছেলে তাসিন সোমবার সন্ধ্যায় রিকশা চালানোর জন্য বাসা থেকে বের হয়। কিন্তু সে রাতে আর বাসায় ফিরেনি। পরিবারের লোকজন রাতে খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পায়নি। মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় লোকজন মহেশ্বরপাশা কবরস্থানের পাশে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। তাসিনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। তার গলায় দাগ রয়েছে। তার রিকশাটি সকালে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। তবে এখনও কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
দৌলতপুর থানার পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর আতাহার আলী বলেন, মহেশ্বরপাশা ঘোষপাড়া কবরস্থানে একটি কবরের পাশের ঝোপঝাড়ের মধ্যে থেকে তামিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সুরতহাল রিপোর্টে দেখা যায়, তার গলায় দাগ রয়েছে। দাগ দেখে তিনি সন্দেহ করেন যে তাকে হত্যা করা হয়েছে। এর কিছুক্ষণ পর স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে এক কিলোমিটার দূরে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি রিকশা পড়ে থাকার সংবাদ পুলিশকে দেয়। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ রিকশা উদ্ধার করতে পারলেও রিকশায় কোনো ব্যাটারি দেখতে পায়নি। তামিমকে হত্যার পর দুর্বৃত্তরা ব্যাটারি খুলে রিকশা রেখে পালিয়ে যায়।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, মহেশ্বরপাশা এলাকার মিজান জমাদ্দারের ছেলে তাসিন সোমবার সন্ধ্যায় রিকশা চালানোর জন্য বাসা থেকে বের হয়। কিন্তু সে রাতে আর বাসায় ফিরেনি। পরিবারের লোকজন রাতে খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পায়নি। মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় লোকজন মহেশ্বরপাশা কবরস্থানের পাশে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। তাসিনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। তার গলায় দাগ রয়েছে। তার রিকশাটি সকালে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। তবে এখনও কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
দৌলতপুর থানার পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর আতাহার আলী বলেন, মহেশ্বরপাশা ঘোষপাড়া কবরস্থানে একটি কবরের পাশের ঝোপঝাড়ের মধ্যে থেকে তামিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সুরতহাল রিপোর্টে দেখা যায়, তার গলায় দাগ রয়েছে। দাগ দেখে তিনি সন্দেহ করেন যে তাকে হত্যা করা হয়েছে। এর কিছুক্ষণ পর স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে এক কিলোমিটার দূরে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি রিকশা পড়ে থাকার সংবাদ পুলিশকে দেয়। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ রিকশা উদ্ধার করতে পারলেও রিকশায় কোনো ব্যাটারি দেখতে পায়নি। তামিমকে হত্যার পর দুর্বৃত্তরা ব্যাটারি খুলে রিকশা রেখে পালিয়ে যায়।
কবরস্থানের পাশে পড়ে ছিল চালকের মরদেহ
খুলনায় অটোরিকশাচালক কিশোর তামিম ওরফে তাসিনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) সকালে নগরীর মহেশ্বরপাশা কবরস্থানের পাশ থেকে তার মরদেহ করে উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, মহেশ্বরপাশা এলাকার মিজান জমাদ্দারের ছেলে তাসিন সোমবার সন্ধ্যায় রিকশা চালানোর জন্য বাসা থেকে বের হয়। কিন্তু সে রাতে আর বাসায় ফিরেনি। পরিবারের লোকজন রাতে খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পায়নি। মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় লোকজন মহেশ্বরপাশা কবরস্থানের পাশে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। তাসিনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। তার গলায় দাগ রয়েছে। তার রিকশাটি সকালে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। তবে এখনও কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
দৌলতপুর থানার পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর আতাহার আলী বলেন, মহেশ্বরপাশা ঘোষপাড়া কবরস্থানে একটি কবরের পাশের ঝোপঝাড়ের মধ্যে থেকে তামিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সুরতহাল রিপোর্টে দেখা যায়, তার গলায় দাগ রয়েছে। দাগ দেখে তিনি সন্দেহ করেন যে তাকে হত্যা করা হয়েছে। এর কিছুক্ষণ পর স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে এক কিলোমিটার দূরে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি রিকশা পড়ে থাকার সংবাদ পুলিশকে দেয়। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ রিকশা উদ্ধার করতে পারলেও রিকশায় কোনো ব্যাটারি দেখতে পায়নি। তামিমকে হত্যার পর দুর্বৃত্তরা ব্যাটারি খুলে রিকশা রেখে পালিয়ে যায়।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, মহেশ্বরপাশা এলাকার মিজান জমাদ্দারের ছেলে তাসিন সোমবার সন্ধ্যায় রিকশা চালানোর জন্য বাসা থেকে বের হয়। কিন্তু সে রাতে আর বাসায় ফিরেনি। পরিবারের লোকজন রাতে খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পায়নি। মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় লোকজন মহেশ্বরপাশা কবরস্থানের পাশে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। তাসিনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। তার গলায় দাগ রয়েছে। তার রিকশাটি সকালে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। তবে এখনও কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
দৌলতপুর থানার পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর আতাহার আলী বলেন, মহেশ্বরপাশা ঘোষপাড়া কবরস্থানে একটি কবরের পাশের ঝোপঝাড়ের মধ্যে থেকে তামিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সুরতহাল রিপোর্টে দেখা যায়, তার গলায় দাগ রয়েছে। দাগ দেখে তিনি সন্দেহ করেন যে তাকে হত্যা করা হয়েছে। এর কিছুক্ষণ পর স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে এক কিলোমিটার দূরে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি রিকশা পড়ে থাকার সংবাদ পুলিশকে দেয়। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ রিকশা উদ্ধার করতে পারলেও রিকশায় কোনো ব্যাটারি দেখতে পায়নি। তামিমকে হত্যার পর দুর্বৃত্তরা ব্যাটারি খুলে রিকশা রেখে পালিয়ে যায়।
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ জাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক
আলহাজ্ব শেখ সিদ্দিকুর রহমান
বার্তা সম্পাদক
তাকছিমুন নাহার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
ইঞ্জিনিয়ার কে এম মেহেদী হাসান
|
মোবাইল: ০১৭১১২৪৯৭৭০
হোয়াটস্অ্যাপ: ০১৭১১২৪৯৭৭০
প্রধান কার্যালয় মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
Email: deshpatrika24@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 25, 2026, 3:12 pm