রাজধানীর মগবাজার এলাকার আবাসিক হোটেলে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যুর ঘটনায় হোটেলটির তত্ত্বাবধায়ক রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এরআগে তাকে থানা হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় মামলা দায়ের হওয়ার পর রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। রমনা থানার ওসি গোলাম ফারুক বলেন, নিহতের ভাই ইতালি প্রবাসী এই ঘটনায় মামলা করেছেন। মামলার পর হোটেলের তত্ত্বাবধায়ক রফিকুলকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনার পর মামলায় রফিকুল ইসলাম গ্রেপ্তার দেখানো প্রসঙ্গে ওসি বলেন, তিনি মূলত তাদের বাইরে থেকে খাবার এনে খাইয়েছেন। তারা অসুস্থ হওয়ার পর হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। একই ঘটনায় তাকেসহ যে হোটেল থেকে খাবার আনা হয়েছিল সেই হোটেলের সকল কর্মচারী, বাবুর্চি এবং ওই পরিবারের কয়েকজন আত্মীয়কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত শনিবার ছেলের চিকিৎসার জন্য প্রবাসী মনির হোসেন, তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছেলে নাঈমকে নিয়ে ঢাকায় আসেন এবং মগবাজারের হোটেল সুইট স্লিপে উঠেন। শনিবার তারা রাতে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন কিন্তু পরদিন সকালে তারা তিনজন অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদের নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
আলোচিত এ ঘটনার পর থেকে পুলিশ খাদ্যে বিষক্রিয়া হয়ে তাদের মৃত্যু হতে পারে বলে ধারণা করে আসছিল।
মগবাজারে হোটেলে তিনজনের মৃত্যুতে মামলা, গ্রেপ্তার কেয়ারটেকার
রাজধানীর মগবাজার এলাকার আবাসিক হোটেলে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যুর ঘটনায় হোটেলটির তত্ত্বাবধায়ক রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এরআগে তাকে থানা হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় মামলা দায়ের হওয়ার পর রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। রমনা থানার ওসি গোলাম ফারুক বলেন, নিহতের ভাই ইতালি প্রবাসী এই ঘটনায় মামলা করেছেন। মামলার পর হোটেলের তত্ত্বাবধায়ক রফিকুলকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনার পর মামলায় রফিকুল ইসলাম গ্রেপ্তার দেখানো প্রসঙ্গে ওসি বলেন, তিনি মূলত তাদের বাইরে থেকে খাবার এনে খাইয়েছেন। তারা অসুস্থ হওয়ার পর হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। একই ঘটনায় তাকেসহ যে হোটেল থেকে খাবার আনা হয়েছিল সেই হোটেলের সকল কর্মচারী, বাবুর্চি এবং ওই পরিবারের কয়েকজন আত্মীয়কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত শনিবার ছেলের চিকিৎসার জন্য প্রবাসী মনির হোসেন, তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছেলে নাঈমকে নিয়ে ঢাকায় আসেন এবং মগবাজারের হোটেল সুইট স্লিপে উঠেন। শনিবার তারা রাতে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন কিন্তু পরদিন সকালে তারা তিনজন অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদের নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
আলোচিত এ ঘটনার পর থেকে পুলিশ খাদ্যে বিষক্রিয়া হয়ে তাদের মৃত্যু হতে পারে বলে ধারণা করে আসছিল।
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ জাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক
আলহাজ্ব শেখ সিদ্দিকুর রহমান
বার্তা সম্পাদক
তাকছিমুন নাহার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
ইঞ্জিনিয়ার কে এম মেহেদী হাসান
|
মোবাইল: ০১৭১১২৪৯৭৭০
হোয়াটস্অ্যাপ: ০১৭১১২৪৯৭৭০
প্রধান কার্যালয় মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
Email: deshpatrika24@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 25, 2026, 3:31 pm