প্রশাসনিক দুর্বলতার সুযোগে ঢাকায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সংখ্যা দুই লাখ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ১৫ থেকে ২০ লাখে উন্নীত হয়েছে বলে জানিয়েছে নিরাপদ সড়ক আন্দোলন (নিসআ)।
বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ তথ্য জানায় সংগঠনটি।
সভায় উপস্থিত ছিলেন নিসআ-র সভাপতি আবদুল্লাহ মেহেদি দীপ্ত, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এ এস এম আহম্মেদ খোকন, রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের রিসার্চ কো-অর্ডিনেটর পাহাড়ি ভট্টাচার্য, বুয়েটের এআরআই বিভাগের শিক্ষক আরমানা সাবিহা হক প্রমুখ।
লিখিত বক্তব্যে আবদুল্লাহ মেহেদি দীপ্ত বলেন, মহাসড়কে সংঘটিত দুর্ঘটনার দুই-তৃতীয়াংশ ঘটছে ধীরগতির অটোরিকশার কারণে। গত তিন বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা সরকারি হিসেবে ১৫ হাজার এবং বেসরকারি হিসেবে ২৫ হাজারের বেশি।
সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ অনুযায়ী গঠিত ট্রাস্টি বোর্ড থেকে চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত মাত্র এক শতাংশ ভুক্তভোগী ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন, যার সংখ্যা ৪৩৭ জন। বাকি ৯৯ শতাংশ ভুক্তভোগী প্রচারণার অভাবে এই সুবিধা সম্পর্কে অজ্ঞ বলেও জানায় নিসআ।
সভায় আরও বলা হয়, ২০২৪ সালের নভেম্বরে বাস রুট রেশনালাইজেশনের পরিকল্পনা গৃহীত হলেও এখন পর্যন্ত এর বাস্তবায়ন দৃশ্যমান নয়। বাস মালিকদের রেষারেষি এবং প্রতিযোগিতা অব্যাহত রয়েছে। ঢাকার ট্রাফিক সিগন্যাল আধুনিকায়নে ১৮ কোটি টাকা ব্যয় করা হলেও তা অকার্যকর; ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এখনো সনাতন ‘হস্তচালিত’ পদ্ধতির ওপর নির্ভরশীল।
এ সময় সড়ক ও পরিবহন ব্যবস্থা ‘সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ’ করার লক্ষ্যে ৯ দফা প্রস্তাবনা পেশ করে নিসআ।
প্রশাসনিক দুর্বলতার সুযোগে ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা বৃদ্ধি
প্রশাসনিক দুর্বলতার সুযোগে ঢাকায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সংখ্যা দুই লাখ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ১৫ থেকে ২০ লাখে উন্নীত হয়েছে বলে জানিয়েছে নিরাপদ সড়ক আন্দোলন (নিসআ)।
বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ তথ্য জানায় সংগঠনটি।
সভায় উপস্থিত ছিলেন নিসআ-র সভাপতি আবদুল্লাহ মেহেদি দীপ্ত, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এ এস এম আহম্মেদ খোকন, রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের রিসার্চ কো-অর্ডিনেটর পাহাড়ি ভট্টাচার্য, বুয়েটের এআরআই বিভাগের শিক্ষক আরমানা সাবিহা হক প্রমুখ।
লিখিত বক্তব্যে আবদুল্লাহ মেহেদি দীপ্ত বলেন, মহাসড়কে সংঘটিত দুর্ঘটনার দুই-তৃতীয়াংশ ঘটছে ধীরগতির অটোরিকশার কারণে। গত তিন বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা সরকারি হিসেবে ১৫ হাজার এবং বেসরকারি হিসেবে ২৫ হাজারের বেশি।
সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ অনুযায়ী গঠিত ট্রাস্টি বোর্ড থেকে চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত মাত্র এক শতাংশ ভুক্তভোগী ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন, যার সংখ্যা ৪৩৭ জন। বাকি ৯৯ শতাংশ ভুক্তভোগী প্রচারণার অভাবে এই সুবিধা সম্পর্কে অজ্ঞ বলেও জানায় নিসআ।
সভায় আরও বলা হয়, ২০২৪ সালের নভেম্বরে বাস রুট রেশনালাইজেশনের পরিকল্পনা গৃহীত হলেও এখন পর্যন্ত এর বাস্তবায়ন দৃশ্যমান নয়। বাস মালিকদের রেষারেষি এবং প্রতিযোগিতা অব্যাহত রয়েছে। ঢাকার ট্রাফিক সিগন্যাল আধুনিকায়নে ১৮ কোটি টাকা ব্যয় করা হলেও তা অকার্যকর; ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এখনো সনাতন ‘হস্তচালিত’ পদ্ধতির ওপর নির্ভরশীল।
এ সময় সড়ক ও পরিবহন ব্যবস্থা ‘সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ’ করার লক্ষ্যে ৯ দফা প্রস্তাবনা পেশ করে নিসআ।
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ জাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক
আলহাজ্ব শেখ সিদ্দিকুর রহমান
বার্তা সম্পাদক
তাকছিমুন নাহার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
ইঞ্জিনিয়ার কে এম মেহেদী হাসান
|
মোবাইল: ০১৭১১২৪৯৭৭০
হোয়াটস্অ্যাপ: ০১৭১১২৪৯৭৭০
প্রধান কার্যালয় মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
Email: deshpatrika24@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 25, 2026, 3:31 pm