আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে প্রস্তুতি নিচ্ছে গোটা দেশ। এবারের নির্বাচন যেন অবাধ, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য ও উৎসবমুখর হয়— সেই লক্ষ্যেই সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। তবে, নির্বাচনের আগে ‘ইনকিলাব মঞ্চ’-এর মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড এবং এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশের শীর্ষ দুই সংবাদপত্রের কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও প্রশাসনের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এমন প্রেক্ষাপটে নির্বাচন ঘিরে সরকারের প্রস্তুতি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রশিক্ষণ, রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা, শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের রায়, মব পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, জেলা প্রশাসক নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক, বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের ভবিষ্যৎ, রোহিঙ্গা সংকট এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় সরকারের সীমাবদ্ধতাসহ নানা বিষয়ে ঢাকা পোস্টের মুখোমুখি হয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন নিজস্ব প্রতিবেদক মুছা মল্লিক।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব হিসেবে প্রায় ১৭ মাস দায়িত্ব পালন করছেন। এই সময়কালকে নিজে কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?
শফিকুল আলম : নিজেকে মূল্যায়ন করার কিছু নেই। প্রশ্ন হলো আমি আমার কাজটা কতটা সফলভাবে করতে পেরেছি। আমার কাজ হলো অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সিদ্ধান্ত ও বড় বড় সংস্কারগুলো মানুষকে জানানো। অনেক সময় রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত জানাতে হয়, আবার কিছু সময় নির্বাহী সিদ্ধান্তও জানাতে হয়। আগে প্রেস সচিবরা এভাবে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলন করতেন না। আমরা কাজটা রিলিজিয়াসলি (নিষ্ঠার সঙ্গে) করছি।
আমরা সপ্তাহে দুই থেকে পাঁচটি পর্যন্ত সংবাদ সম্মেলন করছি। আমরা মনে করি, এটি জনগণের ও বিপ্লবের সরকার, তাই সব তথ্য জানানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
যেহেতু এটি রাজনৈতিক সরকার নয়, তাই এখানে শিক্ষাবিদ, আমলা ও সাবেক সামরিক কর্মকর্তারা রয়েছেন। তাদের অনেকের মধ্যেই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হতে কিছুটা দ্বিধা কাজ করে। সেই ঘাটতি পূরণে আমরা নিয়মিত কাজ করছি। আমাদের প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজ এখন দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও নির্ভরযোগ্য তথ্যের উৎস। আমরা মানুষের কাছে স্বচ্ছ থাকতে চেয়েছি। আমাদের সাফল্য-ব্যর্থতা দুই-ই আপনারা জানবেন; সমালোচনা করলেও আমরা বাধা দিই না।
মব নিয়ন্ত্রণে রাজনৈতিক দলগুলো দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেনি
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে প্রস্তুতি নিচ্ছে গোটা দেশ। এবারের নির্বাচন যেন অবাধ, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য ও উৎসবমুখর হয়— সেই লক্ষ্যেই সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। তবে, নির্বাচনের আগে ‘ইনকিলাব মঞ্চ’-এর মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড এবং এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশের শীর্ষ দুই সংবাদপত্রের কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও প্রশাসনের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এমন প্রেক্ষাপটে নির্বাচন ঘিরে সরকারের প্রস্তুতি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রশিক্ষণ, রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা, শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের রায়, মব পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, জেলা প্রশাসক নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক, বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের ভবিষ্যৎ, রোহিঙ্গা সংকট এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় সরকারের সীমাবদ্ধতাসহ নানা বিষয়ে ঢাকা পোস্টের মুখোমুখি হয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন নিজস্ব প্রতিবেদক মুছা মল্লিক।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব হিসেবে প্রায় ১৭ মাস দায়িত্ব পালন করছেন। এই সময়কালকে নিজে কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?
শফিকুল আলম : নিজেকে মূল্যায়ন করার কিছু নেই। প্রশ্ন হলো আমি আমার কাজটা কতটা সফলভাবে করতে পেরেছি। আমার কাজ হলো অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সিদ্ধান্ত ও বড় বড় সংস্কারগুলো মানুষকে জানানো। অনেক সময় রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত জানাতে হয়, আবার কিছু সময় নির্বাহী সিদ্ধান্তও জানাতে হয়। আগে প্রেস সচিবরা এভাবে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলন করতেন না। আমরা কাজটা রিলিজিয়াসলি (নিষ্ঠার সঙ্গে) করছি।
আমরা সপ্তাহে দুই থেকে পাঁচটি পর্যন্ত সংবাদ সম্মেলন করছি। আমরা মনে করি, এটি জনগণের ও বিপ্লবের সরকার, তাই সব তথ্য জানানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
যেহেতু এটি রাজনৈতিক সরকার নয়, তাই এখানে শিক্ষাবিদ, আমলা ও সাবেক সামরিক কর্মকর্তারা রয়েছেন। তাদের অনেকের মধ্যেই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হতে কিছুটা দ্বিধা কাজ করে। সেই ঘাটতি পূরণে আমরা নিয়মিত কাজ করছি। আমাদের প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজ এখন দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও নির্ভরযোগ্য তথ্যের উৎস। আমরা মানুষের কাছে স্বচ্ছ থাকতে চেয়েছি। আমাদের সাফল্য-ব্যর্থতা দুই-ই আপনারা জানবেন; সমালোচনা করলেও আমরা বাধা দিই না।
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ জাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক
আলহাজ্ব শেখ সিদ্দিকুর রহমান
বার্তা সম্পাদক
তাকছিমুন নাহার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
ইঞ্জিনিয়ার কে এম মেহেদী হাসান
|
মোবাইল: ০১৭১১২৪৯৭৭০
হোয়াটস্অ্যাপ: ০১৭১১২৪৯৭৭০
প্রধান কার্যালয় মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
Email: deshpatrika24@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 25, 2026, 3:31 pm