মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে নিজেদের কূটনৈতিক (লাল) পাসপোর্ট জমা দিচ্ছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একঝাঁক শীর্ষ নীতিনির্ধারক। অর্থ, স্বরাষ্ট্র ও তথ্যসহ গুরুত্বপূর্ণ ছয় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টারা ইতোমধ্যে তাদের বিশেষ পাসপোর্ট সমর্পণ করে সাধারণ পাসপোর্টের আবেদন জানিয়েছেন। ক্ষমতা হস্তান্তরের পরবর্তী সময়ে বিদেশ ভ্রমণে আইনি বা দাপ্তরিক জটিলতা এড়াতেই এই ব্যতিক্রমী ও দূরদর্শী পদক্ষেপ নিয়েছেন তারা।
সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, কূটনৈতিক পাসপোর্টের মেয়াদ থাকে পাঁচ বছর। তবে, পদত্যাগ বা দায়িত্ব পালন শেষ হওয়ার পর এই পাসপোর্ট হস্তান্তর করা বাধ্যতামূলক।
সরকারের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা বলেন, দুই দিন আগে হোক বা পরে, এটা তাদের ছাড়তে হবে। নিয়ম অনুযায়ী, যে বা যারা কূটনৈতিক পাসপোর্ট পেয়েছেন, দায়িত্ব শেষ হলেই তাদের সেটা হস্তান্তর করতে হবে। তবে, এটা হস্তান্তর করার নির্দিষ্ট কোনো সময় বেঁধে দেওয়া নেই। এখন যারা উপদেষ্টা আছেন তিনি আজ পাঠালে কালই তার পাসপোর্ট হয়ে যাবে। কিন্তু উনি যখন উপদেষ্টা থাকবেন না, তখন কিন্তু আর গ্যারান্টি নেই। পাসপোর্ট অফিস তাকে কত দিনে পাসপোর্ট দেবে, সেটা কিন্তু বড় একটা বিষয়!
ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘১২ তারিখের (ফেব্রুয়ারি) পর উনারা যখন আর দায়িত্বে থাকবেন না, তখন এয়ারপোর্ট ট্রাভেল করতে গেলে ইমিগ্রেশন এনওসি (অনাপত্তি সনদ) চাইবে। এনওসি না হলে তো অফিশিয়াল পাসপোর্টে যেতে পারবেন না। এ কারণে উনারা প্রাইভেট পাসপোর্ট করছেন। দায়িত্ব ছাড়ার পরপরই উনাদের কারও কারও কোনো না কোনো দেশে যাওয়া লাগতে পারে। যারা মনে করছেন শিগগিরই তাদের ভ্রমণ করতে হতে পারে, তারা কূটনৈতিক পাসপোর্ট ছাড়ছেন।’
এদিকে, নিজের পাসপোর্ট জমা দেওয়া নিয়ে ছড়িয়ে পড়া গুঞ্জন নাকচ করে দিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। গতকাল রোববার ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘আমি বা আমার স্ত্রী কূটনৈতিক পাসপোর্ট জমা দিইনি। আমার পাসপোর্ট এখনও আমার কাছে আছে এবং ওটা বহাল আছে। এটা খুবই অস্বাভাবিক যে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বা মন্ত্রী তার মেয়াদ থাকাকালে কূটনৈতিক পাসপোর্ট জমা দেবেন! আমি এটা করিনি।’
তবে, অন্য সহকর্মীদের পাসপোর্ট জমা দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘কেউ কেউ হয়তো করছেন, কারণ দায়িত্ব শেষে তাদের বাইরে যাওয়ার প্রয়োজন থাকতে পারে।’ আগেভাগে আবেদন করে রাখলে পাসপোর্ট ও ভিসা সংক্রান্ত প্রক্রিয়াগুলো সহজ হয়— মন্তব্য করেন তিনি। ‘ব্যাপারটা হলো যে, একটু সময় গেইন করা, যাতে তাদের পাসপোর্টটাও হয়ে গেল; যেমন যুক্তরাষ্ট্রের বি-ওয়ান, বি-টু ভিসা; সেটা কিন্তু বাতিল হয় না পাসপোর্ট বাতিল হলেও। কিন্তু তাদের তো নতুন পাসপোর্ট নিয়ে যেতে হবে। যদি যেতে হয়, আর কি!’
উল্লেখ্য, ই-পাসপোর্ট চালু হওয়ার পর থেকে কূটনৈতিক পাসপোর্টের মেয়াদ পাঁচ বছর করা হয়েছে। তবে, পদের মেয়াদ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এই পাসপোর্টের কার্যকারিতা বিশেষ নিয়মের অধীনে চলে আসে অর্থাৎ দায়িত্ব শেষে পাসপোর্ট হস্তান্তর করতে হয়।
মেয়াদ শেষের আগেই ‘লাল পাসপোর্ট’ ছাড়ছেন হাফ ডজন উপদেষ্টা!
মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে নিজেদের কূটনৈতিক (লাল) পাসপোর্ট জমা দিচ্ছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একঝাঁক শীর্ষ নীতিনির্ধারক। অর্থ, স্বরাষ্ট্র ও তথ্যসহ গুরুত্বপূর্ণ ছয় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টারা ইতোমধ্যে তাদের বিশেষ পাসপোর্ট সমর্পণ করে সাধারণ পাসপোর্টের আবেদন জানিয়েছেন। ক্ষমতা হস্তান্তরের পরবর্তী সময়ে বিদেশ ভ্রমণে আইনি বা দাপ্তরিক জটিলতা এড়াতেই এই ব্যতিক্রমী ও দূরদর্শী পদক্ষেপ নিয়েছেন তারা।
সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, কূটনৈতিক পাসপোর্টের মেয়াদ থাকে পাঁচ বছর। তবে, পদত্যাগ বা দায়িত্ব পালন শেষ হওয়ার পর এই পাসপোর্ট হস্তান্তর করা বাধ্যতামূলক।
সরকারের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা বলেন, দুই দিন আগে হোক বা পরে, এটা তাদের ছাড়তে হবে। নিয়ম অনুযায়ী, যে বা যারা কূটনৈতিক পাসপোর্ট পেয়েছেন, দায়িত্ব শেষ হলেই তাদের সেটা হস্তান্তর করতে হবে। তবে, এটা হস্তান্তর করার নির্দিষ্ট কোনো সময় বেঁধে দেওয়া নেই। এখন যারা উপদেষ্টা আছেন তিনি আজ পাঠালে কালই তার পাসপোর্ট হয়ে যাবে। কিন্তু উনি যখন উপদেষ্টা থাকবেন না, তখন কিন্তু আর গ্যারান্টি নেই। পাসপোর্ট অফিস তাকে কত দিনে পাসপোর্ট দেবে, সেটা কিন্তু বড় একটা বিষয়!
ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘১২ তারিখের (ফেব্রুয়ারি) পর উনারা যখন আর দায়িত্বে থাকবেন না, তখন এয়ারপোর্ট ট্রাভেল করতে গেলে ইমিগ্রেশন এনওসি (অনাপত্তি সনদ) চাইবে। এনওসি না হলে তো অফিশিয়াল পাসপোর্টে যেতে পারবেন না। এ কারণে উনারা প্রাইভেট পাসপোর্ট করছেন। দায়িত্ব ছাড়ার পরপরই উনাদের কারও কারও কোনো না কোনো দেশে যাওয়া লাগতে পারে। যারা মনে করছেন শিগগিরই তাদের ভ্রমণ করতে হতে পারে, তারা কূটনৈতিক পাসপোর্ট ছাড়ছেন।’
এদিকে, নিজের পাসপোর্ট জমা দেওয়া নিয়ে ছড়িয়ে পড়া গুঞ্জন নাকচ করে দিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। গতকাল রোববার ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘আমি বা আমার স্ত্রী কূটনৈতিক পাসপোর্ট জমা দিইনি। আমার পাসপোর্ট এখনও আমার কাছে আছে এবং ওটা বহাল আছে। এটা খুবই অস্বাভাবিক যে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বা মন্ত্রী তার মেয়াদ থাকাকালে কূটনৈতিক পাসপোর্ট জমা দেবেন! আমি এটা করিনি।’
তবে, অন্য সহকর্মীদের পাসপোর্ট জমা দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘কেউ কেউ হয়তো করছেন, কারণ দায়িত্ব শেষে তাদের বাইরে যাওয়ার প্রয়োজন থাকতে পারে।’ আগেভাগে আবেদন করে রাখলে পাসপোর্ট ও ভিসা সংক্রান্ত প্রক্রিয়াগুলো সহজ হয়— মন্তব্য করেন তিনি। ‘ব্যাপারটা হলো যে, একটু সময় গেইন করা, যাতে তাদের পাসপোর্টটাও হয়ে গেল; যেমন যুক্তরাষ্ট্রের বি-ওয়ান, বি-টু ভিসা; সেটা কিন্তু বাতিল হয় না পাসপোর্ট বাতিল হলেও। কিন্তু তাদের তো নতুন পাসপোর্ট নিয়ে যেতে হবে। যদি যেতে হয়, আর কি!’
উল্লেখ্য, ই-পাসপোর্ট চালু হওয়ার পর থেকে কূটনৈতিক পাসপোর্টের মেয়াদ পাঁচ বছর করা হয়েছে। তবে, পদের মেয়াদ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এই পাসপোর্টের কার্যকারিতা বিশেষ নিয়মের অধীনে চলে আসে অর্থাৎ দায়িত্ব শেষে পাসপোর্ট হস্তান্তর করতে হয়।
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ জাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক
আলহাজ্ব শেখ সিদ্দিকুর রহমান
বার্তা সম্পাদক
তাকছিমুন নাহার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
ইঞ্জিনিয়ার কে এম মেহেদী হাসান
|
মোবাইল: ০১৭১১২৪৯৭৭০
হোয়াটস্অ্যাপ: ০১৭১১২৪৯৭৭০
প্রধান কার্যালয় মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
Email: deshpatrika24@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 25, 2026, 3:34 pm