বলিউডের মিষ্টিকন্যা শ্রদ্ধা কাপুর ব্যক্তিগত জীবনকে বরাবরই পর্দার আড়ালে রাখতে পছন্দ করেন। খুব একটা আলোচনা বা বিতর্কে তাকে দেখা যায় না। কিন্তু ২০২২ সালে এমন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল, যখন নিজের আবেগ ধরে রাখতে পারেননি এই অভিনেত্রী। ঘরের কোণে হাউমাউ করে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। সম্প্রতি শ্রদ্ধার মাসি তেজস্বিনী কোলহাপুরী সেই দুঃসহ স্মৃতির কথা প্রকাশ্যে এনেছেন।
২০২২ সালে বেঙ্গালুরুতে একটি মাদক মামলায় শ্রদ্ধার ভাই সিদ্ধান্ত কাপুরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সেই খবর ছড়িয়ে পড়লে মুম্বাইয়ে শক্তি কাপুরের বাড়ির সামনে ভিড় জমায় গণমাধ্যমকর্মী ও উৎসুক জনতা। তবে পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে যখন একটি রাজনৈতিক দলের কর্মীরা শ্রদ্ধার বাড়ির সামনে জড়ো হয়ে স্লোগান দিতে শুরু করেন।
তেজস্বিনী জানান, বাইরের সেই চিৎকার আর স্লোগান শুনে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন শ্রদ্ধা। একদিকে ভাইয়ের গ্রেপ্তার, অন্যদিকে বাড়ির দোরগোড়ায় রাজনৈতিক হাঙ্গামা সব মিলিয়ে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন তিনি। সহ্য করতে না পেরে ঘরের ভেতরেই কান্নায় ভেঙে পড়েন অভিনেত্রী।
সিদ্ধান্তের বিষয়ে তেজস্বিনী বলেন, ‘আসলে ওর কোনো দোষ ছিল না। ও কেবল ভুল সময়ে ভুল জায়গায় উপস্থিত ছিল। পেশাদার ডিজে হিসেবে ও ভারতের বিভিন্ন নামী পানশালায় কাজ করে। পারিবারিক আভিজাত্যের কারণেই ওকে সহজে টার্গেট করা হয়েছিল।’
পরবর্তীতে ওই মামলায় সিদ্ধান্ত নির্দোষ প্রমাণিত হলেও, সেই সময়কার হেনস্তা শ্রদ্ধা কাপুরের মনে গভীর ক্ষত তৈরি করেছিল। মাসির দাবি, দাদার ওপর আসা ওই বিপদ এবং বাইরের নোংরা রাজনীতি সহ্য করা শ্রদ্ধার জন্য ছিল ভীষণ যন্ত্রণাদায়ক।
যে কারণে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন শ্রদ্ধা কাপুর
বলিউডের মিষ্টিকন্যা শ্রদ্ধা কাপুর ব্যক্তিগত জীবনকে বরাবরই পর্দার আড়ালে রাখতে পছন্দ করেন। খুব একটা আলোচনা বা বিতর্কে তাকে দেখা যায় না। কিন্তু ২০২২ সালে এমন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল, যখন নিজের আবেগ ধরে রাখতে পারেননি এই অভিনেত্রী। ঘরের কোণে হাউমাউ করে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। সম্প্রতি শ্রদ্ধার মাসি তেজস্বিনী কোলহাপুরী সেই দুঃসহ স্মৃতির কথা প্রকাশ্যে এনেছেন।
২০২২ সালে বেঙ্গালুরুতে একটি মাদক মামলায় শ্রদ্ধার ভাই সিদ্ধান্ত কাপুরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সেই খবর ছড়িয়ে পড়লে মুম্বাইয়ে শক্তি কাপুরের বাড়ির সামনে ভিড় জমায় গণমাধ্যমকর্মী ও উৎসুক জনতা। তবে পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে যখন একটি রাজনৈতিক দলের কর্মীরা শ্রদ্ধার বাড়ির সামনে জড়ো হয়ে স্লোগান দিতে শুরু করেন।
তেজস্বিনী জানান, বাইরের সেই চিৎকার আর স্লোগান শুনে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন শ্রদ্ধা। একদিকে ভাইয়ের গ্রেপ্তার, অন্যদিকে বাড়ির দোরগোড়ায় রাজনৈতিক হাঙ্গামা সব মিলিয়ে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন তিনি। সহ্য করতে না পেরে ঘরের ভেতরেই কান্নায় ভেঙে পড়েন অভিনেত্রী।
সিদ্ধান্তের বিষয়ে তেজস্বিনী বলেন, ‘আসলে ওর কোনো দোষ ছিল না। ও কেবল ভুল সময়ে ভুল জায়গায় উপস্থিত ছিল। পেশাদার ডিজে হিসেবে ও ভারতের বিভিন্ন নামী পানশালায় কাজ করে। পারিবারিক আভিজাত্যের কারণেই ওকে সহজে টার্গেট করা হয়েছিল।’
পরবর্তীতে ওই মামলায় সিদ্ধান্ত নির্দোষ প্রমাণিত হলেও, সেই সময়কার হেনস্তা শ্রদ্ধা কাপুরের মনে গভীর ক্ষত তৈরি করেছিল। মাসির দাবি, দাদার ওপর আসা ওই বিপদ এবং বাইরের নোংরা রাজনীতি সহ্য করা শ্রদ্ধার জন্য ছিল ভীষণ যন্ত্রণাদায়ক।
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ জাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক
আলহাজ্ব শেখ সিদ্দিকুর রহমান
বার্তা সম্পাদক
তাকছিমুন নাহার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
ইঞ্জিনিয়ার কে এম মেহেদী হাসান
|
মোবাইল: ০১৭১১২৪৯৭৭০
হোয়াটস্অ্যাপ: ০১৭১১২৪৯৭৭০
প্রধান কার্যালয় মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
Email: deshpatrika24@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 25, 2026, 2:00 pm