জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী তাশরীফ খানের নিজস্ব রেকর্ডিং স্টুডিও ‘কে স্টুডিও’ অবশেষে আলোর মুখ দেখেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক আবেগঘন পোস্টে এই সুখবরটি ভক্ত-অনুরাগীদের জানিয়েছেন।
তাশরীফ তার পোস্টে দীর্ঘ আট বছরের স্বপ্ন ও সাধনার কথা উল্লেখ করেছেন। তার এই অর্জন সংগীত জগতে নতুন এক প্রেরণা সৃষ্টি করবে বলে মনে করছেন অনেকে।
সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে এক পোস্ট দিয়ে জনপ্রিয় তাশরীফ লিখেছেন, ‘আমার ৮ বছরের স্বপ্ন এবং স্বাধনার ফসল ‘কে স্টুডিও’ এখন বাস্তব। ১৭ থেকে ২৫ এই জার্নিটা বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল। কখনো ছাদে আবার কখনো রুমের ভেতর দরজা জানালা আর ফ্যান বন্ধ করে চার পাঁচ ঘণ্টা ধরে ঘামতে ঘামতে গানের রেকর্ড করতাম।’
তার কথায়, ‘১৬ সালের শেষ দিকে যখন একটু ভালো সাউন্ডে একটা গান রেকর্ড করার জন্য গিটার বিক্রি আর জমানো ১০ হাজার টাকা নিয়ে এক স্টুডিওর দরজা থেকে আরেক স্টুডিওর দরজার ঘোরপাক খাচ্ছি তখন একজন কম্পোজার বিরক্ত হয়ে বলেছিলেন “১০ হাজার টাকায় কিছুই হবে না, আমার স্টুডিওতে পা দিলেও অন্তত ২০ হাজার টাকা লাগে“।’
তিনি আরও লিখেছেন, ‘সেইদিন থেকে এইদিন, সময় গড়িয়েছে বেশ কিন্তু কোনদিন হাল ছেড়ে দেইনি। ফাইনালি আমাদের নিজেদের ষ্টুডিওর স্বপ্ন সত্যি হয়েছে। আমি বিপদের দিন কখনও ভুলে যাই না।’
শেষে বলেন, ‘এখানে প্রফেশনাল কাজের পাশাপাশি সেই ১৬ সালের আমার মতো স্ট্রাগল করা মিউজিশিয়ান দের জন্য একেবারে মিনিমাম বাজেটেও কাজ করার সুযোগ আমরা রাখার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ। শিগগিরই ‘কে স্টুডিও’ তে রেকর্ডিং শিফট সহ সকল প্রকার প্রফেশনাল কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছি আমরা।‘
১৭ থেকে ২৫ এই জার্নিটা বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল : তাশরীফ খান
জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী তাশরীফ খানের নিজস্ব রেকর্ডিং স্টুডিও ‘কে স্টুডিও’ অবশেষে আলোর মুখ দেখেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক আবেগঘন পোস্টে এই সুখবরটি ভক্ত-অনুরাগীদের জানিয়েছেন।
তাশরীফ তার পোস্টে দীর্ঘ আট বছরের স্বপ্ন ও সাধনার কথা উল্লেখ করেছেন। তার এই অর্জন সংগীত জগতে নতুন এক প্রেরণা সৃষ্টি করবে বলে মনে করছেন অনেকে।
সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে এক পোস্ট দিয়ে জনপ্রিয় তাশরীফ লিখেছেন, ‘আমার ৮ বছরের স্বপ্ন এবং স্বাধনার ফসল ‘কে স্টুডিও’ এখন বাস্তব। ১৭ থেকে ২৫ এই জার্নিটা বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল। কখনো ছাদে আবার কখনো রুমের ভেতর দরজা জানালা আর ফ্যান বন্ধ করে চার পাঁচ ঘণ্টা ধরে ঘামতে ঘামতে গানের রেকর্ড করতাম।’
তার কথায়, ‘১৬ সালের শেষ দিকে যখন একটু ভালো সাউন্ডে একটা গান রেকর্ড করার জন্য গিটার বিক্রি আর জমানো ১০ হাজার টাকা নিয়ে এক স্টুডিওর দরজা থেকে আরেক স্টুডিওর দরজার ঘোরপাক খাচ্ছি তখন একজন কম্পোজার বিরক্ত হয়ে বলেছিলেন “১০ হাজার টাকায় কিছুই হবে না, আমার স্টুডিওতে পা দিলেও অন্তত ২০ হাজার টাকা লাগে“।’
তিনি আরও লিখেছেন, ‘সেইদিন থেকে এইদিন, সময় গড়িয়েছে বেশ কিন্তু কোনদিন হাল ছেড়ে দেইনি। ফাইনালি আমাদের নিজেদের ষ্টুডিওর স্বপ্ন সত্যি হয়েছে। আমি বিপদের দিন কখনও ভুলে যাই না।’
শেষে বলেন, ‘এখানে প্রফেশনাল কাজের পাশাপাশি সেই ১৬ সালের আমার মতো স্ট্রাগল করা মিউজিশিয়ান দের জন্য একেবারে মিনিমাম বাজেটেও কাজ করার সুযোগ আমরা রাখার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ। শিগগিরই ‘কে স্টুডিও’ তে রেকর্ডিং শিফট সহ সকল প্রকার প্রফেশনাল কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছি আমরা।‘
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ জাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক
আলহাজ্ব শেখ সিদ্দিকুর রহমান
বার্তা সম্পাদক
তাকছিমুন নাহার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
ইঞ্জিনিয়ার কে এম মেহেদী হাসান
|
মোবাইল: ০১৭১১২৪৯৭৭০
হোয়াটস্অ্যাপ: ০১৭১১২৪৯৭৭০
প্রধান কার্যালয় মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
Email: deshpatrika24@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 25, 2026, 3:09 pm