হঠাৎ খবরের শিরোনামে এলেন বলিউড অভিনেত্রী আলিয়া ভাট। তবে কোনো নতুন সিনেমা কিংবা ব্যক্তিজীবন নিয়ে নয়! মূলত, ‘নেশামুক্ত ভারত’ গড়তে এনসিবি নামের একটি সংস্থার পক্ষ থেকে সম্প্রতি একটি জনস্বার্থমূলক ভিডিও প্রকাশ করা হয়, যেখানে মূখ্য ভূমিকায় দেখা যায় আলিয়া ভাটকে। সে ভিডিওটি প্রকাশ করা হয় সংস্থাটির পেজ থেকেই।
৩০ সেকেন্ডের সেই ভিডিওতে আলিয়া বলেছিলেন— ‘আমি আলিয়া ভাট। আজ আমি আপনাদের সঙ্গে কথা বলতে চাই মাদকাসক্তির মতো একটি গুরুতর সমস্যা নিয়ে। এটি শুধু আমাদের জীবন নয়, আমাদের সমাজ ও দেশকেও হুমকির মুখে ফেলছে। তাই আসুন, আমরা সবাই মিলে মাদকবিরোধী এই অভিযানে এনসিবি-কে সমর্থন করি, আর বলি— মাদককে না বলুন।’
এছাড়াও ভিডিওতে আলিয়া দর্শকদের অনুরোধ করেছেন অনলাইনে গিয়ে ‘ই-প্লেজ’ নিয়ে মাদকবিরোধী শপথ গ্রহণ করতে।
কিন্তু ভিডিও প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয় সমালোচনা। কমেন্টে কটাক্ষ এতটাই বেড়ে যায় যে, এনসিবি শেষ পর্যন্ত কমেন্ট সেকশন বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়।
আলিয়ার উদ্দেশ্যে নেটিজেনদের মন্তব্যগুলো ছিলো এমন- ‘ওর পুরো পরিবারই তো মাদকাসক্ত!’ ‘চোরকেই পাহারাদার বানানো হল।’ ‘এরা নিজেরাই হাতেকলমে শিক্ষার থেকে জানে।’ ‘ক্লায়েন্ট বেশি আনলে ডিসকাউন্ট পাওয়া যায়—এই ধরনের প্রমোশন নাকি!’
মাদকবিরোধী বক্তব্য দিয়ে কটাক্ষের মুখে আলিয়া ভাট
হঠাৎ খবরের শিরোনামে এলেন বলিউড অভিনেত্রী আলিয়া ভাট। তবে কোনো নতুন সিনেমা কিংবা ব্যক্তিজীবন নিয়ে নয়! মূলত, ‘নেশামুক্ত ভারত’ গড়তে এনসিবি নামের একটি সংস্থার পক্ষ থেকে সম্প্রতি একটি জনস্বার্থমূলক ভিডিও প্রকাশ করা হয়, যেখানে মূখ্য ভূমিকায় দেখা যায় আলিয়া ভাটকে। সে ভিডিওটি প্রকাশ করা হয় সংস্থাটির পেজ থেকেই।
৩০ সেকেন্ডের সেই ভিডিওতে আলিয়া বলেছিলেন— ‘আমি আলিয়া ভাট। আজ আমি আপনাদের সঙ্গে কথা বলতে চাই মাদকাসক্তির মতো একটি গুরুতর সমস্যা নিয়ে। এটি শুধু আমাদের জীবন নয়, আমাদের সমাজ ও দেশকেও হুমকির মুখে ফেলছে। তাই আসুন, আমরা সবাই মিলে মাদকবিরোধী এই অভিযানে এনসিবি-কে সমর্থন করি, আর বলি— মাদককে না বলুন।’
এছাড়াও ভিডিওতে আলিয়া দর্শকদের অনুরোধ করেছেন অনলাইনে গিয়ে ‘ই-প্লেজ’ নিয়ে মাদকবিরোধী শপথ গ্রহণ করতে।
কিন্তু ভিডিও প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয় সমালোচনা। কমেন্টে কটাক্ষ এতটাই বেড়ে যায় যে, এনসিবি শেষ পর্যন্ত কমেন্ট সেকশন বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়।
আলিয়ার উদ্দেশ্যে নেটিজেনদের মন্তব্যগুলো ছিলো এমন- ‘ওর পুরো পরিবারই তো মাদকাসক্ত!’ ‘চোরকেই পাহারাদার বানানো হল।’ ‘এরা নিজেরাই হাতেকলমে শিক্ষার থেকে জানে।’ ‘ক্লায়েন্ট বেশি আনলে ডিসকাউন্ট পাওয়া যায়—এই ধরনের প্রমোশন নাকি!’
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ জাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক
আলহাজ্ব শেখ সিদ্দিকুর রহমান
বার্তা সম্পাদক
তাকছিমুন নাহার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
ইঞ্জিনিয়ার কে এম মেহেদী হাসান
|
মোবাইল: ০১৭১১২৪৯৭৭০
হোয়াটস্অ্যাপ: ০১৭১১২৪৯৭৭০
প্রধান কার্যালয় মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
Email: deshpatrika24@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 25, 2026, 3:10 pm