আবারও টানা দরপতনে দেশের শেয়ারবাজার। সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) দাম কমার তালিকায় বেশি প্রতিষ্ঠান থাকায় কমেছে সূচক। এর মধ্য দিয়ে টানা তিন কার্যদিবস শেয়ারবাজারে দরপতন হলো।
এর আগে গত সপ্তাহে টানা দুই কার্যদিবস দরপতনের পর বুধবার শেয়ারবাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা দেয়। সেদিন লেনদেনও বেড়ে ৮০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। তবে সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার আবার দরপতন হয়। এরপর চলতি সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসেও বাজারে পতন দেখা দেয়।
সোমবার ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ায় সূচক ঊর্ধ্বমুখী ছিল। ওঠানামার মধ্য দিয়ে লেনদেনের প্রথম তিন ঘণ্টা সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় ছিল। তবে শেষ আধা ঘণ্টায় দাম কমার তালিকায় চলে আসে বেশি প্রতিষ্ঠান। ফলে শেষ পর্যন্ত মূল্যসূচকের পতন দিয়েই দিনের লেনদেন শেষ হয়।
দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে ১২৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে ২২৪টির দাম কমেছে এবং ৪৫টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
ভালো কোম্পানি বা ১০ শতাংশ কিংবা তার বেশি লভ্যাংশ দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ৭৯টির শেয়ারের দাম বেড়েছে। বিপরীতে ১০৯টির দাম কমেছে এবং ১৪টির অপরিবর্তিত রয়েছে। মাঝারি মানের বা ১০ শতাংশের কম লভ্যাংশ দেওয়া ২০টি কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে, ৫০টির কমেছে এবং ৪টির অপরিবর্তিত রয়েছে।
লভ্যাংশ না দেওয়ায় ‘জেড’ গ্রুপে থাকা কোম্পানিগুলোর মধ্যে ২৬টির শেয়ারের দাম বেড়েছে। বিপরীতে ৬৫টির দাম কমেছে এবং ২৭টির অপরিবর্তিত রয়েছে। এছাড়া ৩টি মিউচুয়াল ফান্ডের দাম বেড়েছে, ২৮টির কমেছে এবং ২টির অপরিবর্তিত রয়েছে।
দাম কমার তালিকা বড় হওয়ায় ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৬ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৫২৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। বাছাই করা ৩০টি কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ১ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ৯৭ পয়েন্টে নেমেছে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৩ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ১০০ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
মূল্যসূচক কমলেও ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা বেড়েছে। সোমবার বাজারটিতে ৭৪৬ কোটি ৪৬ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৭২৭ কোটি ৪০ লাখ টাকা। অর্থাৎ এক কার্যদিবসের ব্যবধানে লেনদেন বেড়েছে ১৯ কোটি ৬ লাখ টাকা।
লেনদেনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে অ্যাপেক্স স্পিনিং। কোম্পানিটির ৪৫ কোটি ২৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা সায়হাম টেক্সটাইলের ৩৯ কোটি ৭২ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ১৯ কোটি ২৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স।
এ ছাড়া ডিএসইতে লেনদেনের দিক থেকে শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে আইপিডিসি ফাইন্যান্স, এনভয় টেক্সটাইল, বেক্সিমকো ফার্মা, ইভিন্স টেক্সটাইল, ব্র্যাক ব্যাংক, ওরিয়ন ইনফিউশন ও রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স।
অন্য শেয়ারবাজার সিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৯০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৭১টির শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে ৯৮টির দাম কমেছে এবং ২১টির অপরিবর্তিত রয়েছে। এতে সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই ৫ পয়েন্ট কমেছে। দিনটিতে সিএসইতে ১০ কোটি ৭৩ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৩৯ কোটি ৫২ লাখ টাকা।
টানা তিন কার্যদিবস পতনে শেয়ারবাজার
আবারও টানা দরপতনে দেশের শেয়ারবাজার। সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) দাম কমার তালিকায় বেশি প্রতিষ্ঠান থাকায় কমেছে সূচক। এর মধ্য দিয়ে টানা তিন কার্যদিবস শেয়ারবাজারে দরপতন হলো।
এর আগে গত সপ্তাহে টানা দুই কার্যদিবস দরপতনের পর বুধবার শেয়ারবাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা দেয়। সেদিন লেনদেনও বেড়ে ৮০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। তবে সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার আবার দরপতন হয়। এরপর চলতি সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসেও বাজারে পতন দেখা দেয়।
সোমবার ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ায় সূচক ঊর্ধ্বমুখী ছিল। ওঠানামার মধ্য দিয়ে লেনদেনের প্রথম তিন ঘণ্টা সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় ছিল। তবে শেষ আধা ঘণ্টায় দাম কমার তালিকায় চলে আসে বেশি প্রতিষ্ঠান। ফলে শেষ পর্যন্ত মূল্যসূচকের পতন দিয়েই দিনের লেনদেন শেষ হয়।
দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে ১২৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে ২২৪টির দাম কমেছে এবং ৪৫টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
ভালো কোম্পানি বা ১০ শতাংশ কিংবা তার বেশি লভ্যাংশ দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ৭৯টির শেয়ারের দাম বেড়েছে। বিপরীতে ১০৯টির দাম কমেছে এবং ১৪টির অপরিবর্তিত রয়েছে। মাঝারি মানের বা ১০ শতাংশের কম লভ্যাংশ দেওয়া ২০টি কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে, ৫০টির কমেছে এবং ৪টির অপরিবর্তিত রয়েছে।
লভ্যাংশ না দেওয়ায় ‘জেড’ গ্রুপে থাকা কোম্পানিগুলোর মধ্যে ২৬টির শেয়ারের দাম বেড়েছে। বিপরীতে ৬৫টির দাম কমেছে এবং ২৭টির অপরিবর্তিত রয়েছে। এছাড়া ৩টি মিউচুয়াল ফান্ডের দাম বেড়েছে, ২৮টির কমেছে এবং ২টির অপরিবর্তিত রয়েছে।
দাম কমার তালিকা বড় হওয়ায় ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৬ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৫২৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। বাছাই করা ৩০টি কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ১ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ৯৭ পয়েন্টে নেমেছে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৩ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ১০০ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
মূল্যসূচক কমলেও ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা বেড়েছে। সোমবার বাজারটিতে ৭৪৬ কোটি ৪৬ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৭২৭ কোটি ৪০ লাখ টাকা। অর্থাৎ এক কার্যদিবসের ব্যবধানে লেনদেন বেড়েছে ১৯ কোটি ৬ লাখ টাকা।
লেনদেনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে অ্যাপেক্স স্পিনিং। কোম্পানিটির ৪৫ কোটি ২৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা সায়হাম টেক্সটাইলের ৩৯ কোটি ৭২ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ১৯ কোটি ২৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স।
এ ছাড়া ডিএসইতে লেনদেনের দিক থেকে শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে আইপিডিসি ফাইন্যান্স, এনভয় টেক্সটাইল, বেক্সিমকো ফার্মা, ইভিন্স টেক্সটাইল, ব্র্যাক ব্যাংক, ওরিয়ন ইনফিউশন ও রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স।
অন্য শেয়ারবাজার সিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৯০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৭১টির শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে ৯৮টির দাম কমেছে এবং ২১টির অপরিবর্তিত রয়েছে। এতে সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই ৫ পয়েন্ট কমেছে। দিনটিতে সিএসইতে ১০ কোটি ৭৩ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৩৯ কোটি ৫২ লাখ টাকা।
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ জাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক
আলহাজ্ব শেখ সিদ্দিকুর রহমান
বার্তা সম্পাদক
তাকছিমুন নাহার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
ইঞ্জিনিয়ার কে এম মেহেদী হাসান
|
মোবাইল: ০১৭১১২৪৯৭৭০
হোয়াটস্অ্যাপ: ০১৭১১২৪৯৭৭০
প্রধান কার্যালয় মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
Email: deshpatrika24@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: September 29, 2026, 7:21 am