আর্থিক খাতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনার সক্ষমতা বাড়াতে রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। সংস্থাটির মতে, সর্বজনীন জ্বালানি ভর্তুকি বা মূল্য নিয়ন্ত্রণের পরিবর্তে নির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক ও সময়সীমাবদ্ধ রাজস্ব পদক্ষেপকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। একই সঙ্গে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি অব্যাহত রাখা এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার যথাসময়ে বাস্তবায়নের ওপর জোর দিয়েছে সংস্থাটি।
আইএমএফের কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে পণ্যমূল্যের চাপ আরও বাড়তে পারে। এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব বক্তব্য তুলে ধরা হয়।
বিশ্ব অর্থনীতিতে তিন বড় চ্যালেঞ্জ
গতকাল ব্যাংককের কুইন সিরিকিত ন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারের এলজি-০৩ হলে ‘এশিয়া-প্যাসিফিক রিজিওনাল ইকোনমিক আউটলুক’ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন আইএমএফের এশিয়া অ্যান্ড প্যাসিফিক ডিপার্টমেন্টের পরিচালক কৃষ্ণা শ্রীনিবাসন, ডেপুটি ডিরেক্টর সোনালি জেইন চান্দ্রা এবং সংস্থাটির কমিউনিকেশন অফিসার পাভিস দেবাস্বাদি। ১২ অক্টোবর শুরু হওয়া সম্মেলন চলবে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত।
সংবাদ সম্মেলনে আইএমএফের কর্মকর্তারা বলেন, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ মূলত তিনটি বিষয়ের ওপর নির্ভর করছে। এগুলো হলো মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত থেকে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তার এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যব্যবস্থার ধারাবাহিক পুনর্গঠন।
কর্মকর্তাদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, অঞ্চলটির অর্থনীতি এখন পর্যন্ত বিভিন্ন ধাক্কা মোকাবিলায় সহনশীলতা দেখিয়েছে। তবে এর সুফল সব অর্থনীতিতে সমানভাবে পৌঁছায়নি। এমনকি একই দেশের মধ্যেও প্রযুক্তিসংশ্লিষ্ট খাতগুলো অর্থনীতির অন্যান্য খাতের তুলনায় বেশি সুবিধা পেয়েছে। ভবিষ্যতে নতুন ধাক্কা এলে এই সহনশীলতার আরও পরীক্ষা হতে পারে।
জ্বালানির উচ্চমূল্যে চাপে নিম্ন আয়ের অর্থনীতি
আইএমএফের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বড় অর্থনীতিগুলো মজুত জ্বালানির ব্যবহার, জ্বালানির উৎসে বৈচিত্র্য আনা এবং বিকল্প জ্বালানিতে রূপান্তরের মাধ্যমে তেলের বাজারে অস্থিরতার প্রভাব মোকাবিলা করছে। বিভিন্ন নীতিগত সহায়তাও এ ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখছে।
অন্যদিকে, অনেক নিম্ন আয়ের দেশ, কৃষিনির্ভর অর্থনীতি এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্রগুলো তুলনামূলকভাবে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। জ্বালানি, পরিবহন, বিদ্যুৎ ও সারের উচ্চমূল্য এসব দেশের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়াচ্ছে এবং সরকারি অর্থায়নের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। নীতিগত সহায়তা থাকা সত্ত্বেও এসব অর্থনীতির পক্ষে মূল্যবৃদ্ধির চাপ সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে।
এআই প্রযুক্তিতে বাড়ছে রপ্তানি ও বিনিয়োগ
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর প্রযুক্তির বিস্তার পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অর্থনীতিগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করছে। সেমিকন্ডাক্টর, এআই অবকাঠামো এবং সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিপণ্যের বৈশ্বিক চাহিদা বৃদ্ধির ফলে রপ্তানি ও বিনিয়োগ বেড়েছে। তবে এআই খাতে বিনিয়োগের বর্তমান গতি এবং এর দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।
আইএমএফের এশিয়া অ্যান্ড প্যাসিফিক ডিপার্টমেন্টের পরিচালক কৃষ্ণা শ্রীনিবাসন বলেন, ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে এ অঞ্চলের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আগের পূর্বাভাসের তুলনায় ভালো হয়েছে। তবে বিভিন্ন অর্থনীতির মধ্যে প্রবৃদ্ধির চিত্র একরকম নয়।
তাঁর দেওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রবৃদ্ধি ২০২৫ সালের ৫ শতাংশ থেকে কমে ২০২৬ সালে ৪ দশমিক ৮ শতাংশ হতে পারে। তবে এই হার আইএমএফের এপ্রিলে দেওয়া ৪ দশমিক ৪ শতাংশের পূর্বাভাসের চেয়ে বেশি।
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নীতিগত পদক্ষেপের তাগিদ
কৃষ্ণা শ্রীনিবাসন সতর্ক করে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে জ্বালানির দাম উচ্চ পর্যায়ে থাকতে পারে। এ পরিস্থিতিতে মুদ্রানীতির মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত মূল্যস্থিতি বজায় রাখা। মূল্যস্ফীতির চাপ দীর্ঘস্থায়ী হলে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, রাজস্বনীতিতে দুর্বল ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সরকারি অর্থের স্থায়িত্ব বজায় রাখতে হবে। একই সঙ্গে আর্থিক খাতের তদারকিতে বাজার ও প্রযুক্তিসংশ্লিষ্ট ঝুঁকির বিষয়ে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধিতে সংস্কারের ওপর গুরুত্ব
আইএমএফের মতে, মধ্যমেয়াদে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে শ্রমবাজার সংস্কার, শক্তিশালী সামাজিক নিরাপত্তাব্যবস্থা, সেবা খাতে বাণিজ্যিক সংযোগ বৃদ্ধি, ডিজিটাল অবকাঠামো ও দক্ষতা উন্নয়নে বিনিয়োগ এবং জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করা জরুরি। এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা গেলে অঞ্চলটিতে আরও সহনশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির ভিত্তি তৈরি হতে পারে।
সংস্থাটির সামগ্রিক বার্তা হলো, অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলায় শুধু ভর্তুকি বা মূল্য নিয়ন্ত্রণের ওপর নির্ভর না করে রাজস্ব আহরণ বাড়ানো, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং প্রয়োজনীয় কাঠামোগত সংস্কারের মধ্যে ভারসাম্য রাখতে হবে। একই সঙ্গে সহায়তা যেন প্রকৃতপক্ষে ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছায়, তা নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ।
রাজস্ব বাড়ানো ও আর্থিক খাতে স্থিতিশীলতা চায় আইএমএফ
সর্বজনীন জ্বালানি ভর্তুকির বদলে লক্ষ্যভিত্তিক পদক্ষেপের পরামর্শ, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি অব্যাহত রাখার তাগিদ
আর্থিক খাতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনার সক্ষমতা বাড়াতে রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। সংস্থাটির মতে, সর্বজনীন জ্বালানি ভর্তুকি বা মূল্য নিয়ন্ত্রণের পরিবর্তে নির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক ও সময়সীমাবদ্ধ রাজস্ব পদক্ষেপকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। একই সঙ্গে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি অব্যাহত রাখা এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার যথাসময়ে বাস্তবায়নের ওপর জোর দিয়েছে সংস্থাটি।
আইএমএফের কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে পণ্যমূল্যের চাপ আরও বাড়তে পারে। এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব বক্তব্য তুলে ধরা হয়।
বিশ্ব অর্থনীতিতে তিন বড় চ্যালেঞ্জ
গতকাল ব্যাংককের কুইন সিরিকিত ন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারের এলজি-০৩ হলে ‘এশিয়া-প্যাসিফিক রিজিওনাল ইকোনমিক আউটলুক’ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন আইএমএফের এশিয়া অ্যান্ড প্যাসিফিক ডিপার্টমেন্টের পরিচালক কৃষ্ণা শ্রীনিবাসন, ডেপুটি ডিরেক্টর সোনালি জেইন চান্দ্রা এবং সংস্থাটির কমিউনিকেশন অফিসার পাভিস দেবাস্বাদি। ১২ অক্টোবর শুরু হওয়া সম্মেলন চলবে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত।
সংবাদ সম্মেলনে আইএমএফের কর্মকর্তারা বলেন, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ মূলত তিনটি বিষয়ের ওপর নির্ভর করছে। এগুলো হলো মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত থেকে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তার এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যব্যবস্থার ধারাবাহিক পুনর্গঠন।
কর্মকর্তাদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, অঞ্চলটির অর্থনীতি এখন পর্যন্ত বিভিন্ন ধাক্কা মোকাবিলায় সহনশীলতা দেখিয়েছে। তবে এর সুফল সব অর্থনীতিতে সমানভাবে পৌঁছায়নি। এমনকি একই দেশের মধ্যেও প্রযুক্তিসংশ্লিষ্ট খাতগুলো অর্থনীতির অন্যান্য খাতের তুলনায় বেশি সুবিধা পেয়েছে। ভবিষ্যতে নতুন ধাক্কা এলে এই সহনশীলতার আরও পরীক্ষা হতে পারে।
জ্বালানির উচ্চমূল্যে চাপে নিম্ন আয়ের অর্থনীতি
আইএমএফের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বড় অর্থনীতিগুলো মজুত জ্বালানির ব্যবহার, জ্বালানির উৎসে বৈচিত্র্য আনা এবং বিকল্প জ্বালানিতে রূপান্তরের মাধ্যমে তেলের বাজারে অস্থিরতার প্রভাব মোকাবিলা করছে। বিভিন্ন নীতিগত সহায়তাও এ ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখছে।
অন্যদিকে, অনেক নিম্ন আয়ের দেশ, কৃষিনির্ভর অর্থনীতি এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্রগুলো তুলনামূলকভাবে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। জ্বালানি, পরিবহন, বিদ্যুৎ ও সারের উচ্চমূল্য এসব দেশের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়াচ্ছে এবং সরকারি অর্থায়নের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। নীতিগত সহায়তা থাকা সত্ত্বেও এসব অর্থনীতির পক্ষে মূল্যবৃদ্ধির চাপ সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে।
এআই প্রযুক্তিতে বাড়ছে রপ্তানি ও বিনিয়োগ
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর প্রযুক্তির বিস্তার পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অর্থনীতিগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করছে। সেমিকন্ডাক্টর, এআই অবকাঠামো এবং সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিপণ্যের বৈশ্বিক চাহিদা বৃদ্ধির ফলে রপ্তানি ও বিনিয়োগ বেড়েছে। তবে এআই খাতে বিনিয়োগের বর্তমান গতি এবং এর দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।
আইএমএফের এশিয়া অ্যান্ড প্যাসিফিক ডিপার্টমেন্টের পরিচালক কৃষ্ণা শ্রীনিবাসন বলেন, ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে এ অঞ্চলের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আগের পূর্বাভাসের তুলনায় ভালো হয়েছে। তবে বিভিন্ন অর্থনীতির মধ্যে প্রবৃদ্ধির চিত্র একরকম নয়।
তাঁর দেওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রবৃদ্ধি ২০২৫ সালের ৫ শতাংশ থেকে কমে ২০২৬ সালে ৪ দশমিক ৮ শতাংশ হতে পারে। তবে এই হার আইএমএফের এপ্রিলে দেওয়া ৪ দশমিক ৪ শতাংশের পূর্বাভাসের চেয়ে বেশি।
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নীতিগত পদক্ষেপের তাগিদ
কৃষ্ণা শ্রীনিবাসন সতর্ক করে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে জ্বালানির দাম উচ্চ পর্যায়ে থাকতে পারে। এ পরিস্থিতিতে মুদ্রানীতির মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত মূল্যস্থিতি বজায় রাখা। মূল্যস্ফীতির চাপ দীর্ঘস্থায়ী হলে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, রাজস্বনীতিতে দুর্বল ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সরকারি অর্থের স্থায়িত্ব বজায় রাখতে হবে। একই সঙ্গে আর্থিক খাতের তদারকিতে বাজার ও প্রযুক্তিসংশ্লিষ্ট ঝুঁকির বিষয়ে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধিতে সংস্কারের ওপর গুরুত্ব
আইএমএফের মতে, মধ্যমেয়াদে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে শ্রমবাজার সংস্কার, শক্তিশালী সামাজিক নিরাপত্তাব্যবস্থা, সেবা খাতে বাণিজ্যিক সংযোগ বৃদ্ধি, ডিজিটাল অবকাঠামো ও দক্ষতা উন্নয়নে বিনিয়োগ এবং জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করা জরুরি। এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা গেলে অঞ্চলটিতে আরও সহনশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির ভিত্তি তৈরি হতে পারে।
সংস্থাটির সামগ্রিক বার্তা হলো, অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলায় শুধু ভর্তুকি বা মূল্য নিয়ন্ত্রণের ওপর নির্ভর না করে রাজস্ব আহরণ বাড়ানো, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং প্রয়োজনীয় কাঠামোগত সংস্কারের মধ্যে ভারসাম্য রাখতে হবে। একই সঙ্গে সহায়তা যেন প্রকৃতপক্ষে ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছায়, তা নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ।
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ জাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক
আলহাজ্ব শেখ সিদ্দিকুর রহমান
বার্তা সম্পাদক
তাকছিমুন নাহার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
ইঞ্জিনিয়ার কে এম মেহেদী হাসান
|
মোবাইল: ০১৭১১২৪৯৭৭০
হোয়াটস্অ্যাপ: ০১৭১১২৪৯৭৭০
প্রধান কার্যালয় মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
Email: deshpatrika24@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: October 17, 2026, 4:38 am