বলিপাড়ায় বিচ্ছেদের আবহে একমাত্র প্রেমের আখ্যান তৈরি করছেন অভিনেত্রী কৃতি শ্যানন। ফের প্রেমে পড়েছেন তিনি। কখনো ‘গোপন’ প্রেমিকের সঙ্গে রেস্তরাঁয় একান্তে সময় কাটাচ্ছেন, আবার কখনো একসঙ্গে ধূমপান করতেও দেখা গিয়েছে কৃতিকে। যদিও নিজের সম্পর্ক নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটে রেখেছেন তিনি।
আবার কাকে মন দিলেন অভিনেত্রী? জানা যায়, এক শিল্পপতিকে মন দিয়েছেন। তিনি লন্ডনে থাকেন।
জন্মদিন পালন করতে গ্রিসে বোনকে নিয়ে গিয়েছিলেন কৃতি। সম্পর্কের ক্ষেত্রেও কি বোনের মতামত নেবেন তিনি? পুরোনো এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রীকে প্রশ্ন করা হয়েছিল। তিনি সেই সময় বলেছিলেন, ‘না, আমি এমন মনে করি না।’ কৃতির সঙ্গে সহমত ছিলেন না তার বোন।
কৃতি বলেছিলেন, ‘বিষয়টা হলো, প্রেমে পড়লে আমি অন্ধ হয়ে যাই। অন্ধ না হলে বুঝতে হবে, ওটা আসলে প্রেমই নয়। কাকে পছন্দ বা কাকে পছন্দ নয়, বিষয়টা তেমন না। দশজনের থেকে অনুমতি নিয়ে আমি অন্তত কারও প্রেমে পড়ব না। তবে আমি চাইব, আমার পরিবারও যাতে সেই মানুষটাকে পছন্দ করে। সেই চেষ্টা আমি অবশ্যই করব।’
সঙ্গে সঙ্গে নূপুর বলেন, “কৃতি এখনো পর্যন্ত দু’জনের সঙ্গে সম্পর্কে থেকেছে। তাদের মধ্যে একজনকে আমার খুব ভালো লাগত। আর একজনকে একেবারেই পছন্দ ছিল না।’
প্রেমে অন্ধ কৃতি শ্যানন, আবার কাকে মন দিলেন?
বলিপাড়ায় বিচ্ছেদের আবহে একমাত্র প্রেমের আখ্যান তৈরি করছেন অভিনেত্রী কৃতি শ্যানন। ফের প্রেমে পড়েছেন তিনি। কখনো ‘গোপন’ প্রেমিকের সঙ্গে রেস্তরাঁয় একান্তে সময় কাটাচ্ছেন, আবার কখনো একসঙ্গে ধূমপান করতেও দেখা গিয়েছে কৃতিকে। যদিও নিজের সম্পর্ক নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটে রেখেছেন তিনি।
আবার কাকে মন দিলেন অভিনেত্রী? জানা যায়, এক শিল্পপতিকে মন দিয়েছেন। তিনি লন্ডনে থাকেন।
জন্মদিন পালন করতে গ্রিসে বোনকে নিয়ে গিয়েছিলেন কৃতি। সম্পর্কের ক্ষেত্রেও কি বোনের মতামত নেবেন তিনি? পুরোনো এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রীকে প্রশ্ন করা হয়েছিল। তিনি সেই সময় বলেছিলেন, ‘না, আমি এমন মনে করি না।’ কৃতির সঙ্গে সহমত ছিলেন না তার বোন।
কৃতি বলেছিলেন, ‘বিষয়টা হলো, প্রেমে পড়লে আমি অন্ধ হয়ে যাই। অন্ধ না হলে বুঝতে হবে, ওটা আসলে প্রেমই নয়। কাকে পছন্দ বা কাকে পছন্দ নয়, বিষয়টা তেমন না। দশজনের থেকে অনুমতি নিয়ে আমি অন্তত কারও প্রেমে পড়ব না। তবে আমি চাইব, আমার পরিবারও যাতে সেই মানুষটাকে পছন্দ করে। সেই চেষ্টা আমি অবশ্যই করব।’
সঙ্গে সঙ্গে নূপুর বলেন, “কৃতি এখনো পর্যন্ত দু’জনের সঙ্গে সম্পর্কে থেকেছে। তাদের মধ্যে একজনকে আমার খুব ভালো লাগত। আর একজনকে একেবারেই পছন্দ ছিল না।’
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ জাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক
আলহাজ্ব শেখ সিদ্দিকুর রহমান
বার্তা সম্পাদক
তাকছিমুন নাহার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
ইঞ্জিনিয়ার কে এম মেহেদী হাসান
|
মোবাইল: ০১৭১১২৪৯৭৭০
হোয়াটস্অ্যাপ: ০১৭১১২৪৯৭৭০
প্রধান কার্যালয় মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
Email: deshpatrika24@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 25, 2026, 3:12 pm