ইরানের বিরুদ্ধে গত ছয় মাস ধরে চলা যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ইতোমধ্যে ৩৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এ ব্যয় প্রতি মাসে আরও প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার করে বাড়ছে বলে জানিয়েছে মার্কিন কংগ্রেসের নিরপেক্ষ হিসাবরক্ষক সংস্থা কংগ্রেসনাল বাজেট অফিস (সিবিও)।
সিবিওর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধের কারণে ২০২৭ সালের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রে মুদ্রাস্ফীতি সর্বোচ্চ ০.৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সামরিক ব্যয়ের প্রভাব দেশটির অর্থনীতিতেও পড়তে পারে বলে প্রতিবেদনে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘস্থায়ী এই যুদ্ধের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের দূরপাল্লার নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধক ব্যবস্থার মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। এসব অস্ত্র ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পুনরায় পূরণ করতে অন্তত পাঁচ বছর সময় লাগতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। এর ফলে চীন বা বিশ্বের অন্য কোনো অঞ্চলে সম্ভাব্য সংঘাত মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
যুদ্ধের প্রভাবে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক অবকাঠামোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইরানি হামলায় পেন্টাগনের একাধিক ভবন, যুদ্ধবিমান ও জ্বালানি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহপথ হরমুজ প্রণালি এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি স্থাপনায় হামলার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামও দ্রুত বেড়েছে। এর প্রভাব বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও অর্থনীতিতে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
তবে মার্কিন প্রশাসন অস্ত্রসংকটের আশঙ্কার বিষয়টি নাকচ করেছে। হোয়াইট হাউস ও পেন্টাগনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্টের কৌশলগত লক্ষ্য অর্জনের জন্য মার্কিন বাহিনীর কাছে পর্যাপ্ত গোলাবারুদ ও প্রয়োজনীয় সামরিক প্রস্তুতি রয়েছে।
অন্যদিকে ডেমোক্র্যাট নেতারা যুদ্ধটিকে বিপর্যয়কর হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, সংঘাতে ইতোমধ্যে ১৮ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন।
এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে এই বিপুল যুদ্ধব্যয় দেশটির বাজেট ও অর্থনীতির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে। ফলে যুদ্ধের সামরিক ব্যয়ের পাশাপাশি এর দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়েও যুক্তরাষ্ট্রে উদ্বেগ বাড়ছে।
ইরান যুদ্ধে ৩৮ বিলিয়ন ডলার ব্যয় যুক্তরাষ্ট্রের, অস্ত্রসংকটের আশঙ্কা
ইরানের বিরুদ্ধে গত ছয় মাস ধরে চলা যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ইতোমধ্যে ৩৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এ ব্যয় প্রতি মাসে আরও প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার করে বাড়ছে বলে জানিয়েছে মার্কিন কংগ্রেসের নিরপেক্ষ হিসাবরক্ষক সংস্থা কংগ্রেসনাল বাজেট অফিস (সিবিও)।
সিবিওর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধের কারণে ২০২৭ সালের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রে মুদ্রাস্ফীতি সর্বোচ্চ ০.৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সামরিক ব্যয়ের প্রভাব দেশটির অর্থনীতিতেও পড়তে পারে বলে প্রতিবেদনে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘস্থায়ী এই যুদ্ধের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের দূরপাল্লার নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধক ব্যবস্থার মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। এসব অস্ত্র ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পুনরায় পূরণ করতে অন্তত পাঁচ বছর সময় লাগতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। এর ফলে চীন বা বিশ্বের অন্য কোনো অঞ্চলে সম্ভাব্য সংঘাত মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
যুদ্ধের প্রভাবে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক অবকাঠামোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইরানি হামলায় পেন্টাগনের একাধিক ভবন, যুদ্ধবিমান ও জ্বালানি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহপথ হরমুজ প্রণালি এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি স্থাপনায় হামলার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামও দ্রুত বেড়েছে। এর প্রভাব বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও অর্থনীতিতে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
তবে মার্কিন প্রশাসন অস্ত্রসংকটের আশঙ্কার বিষয়টি নাকচ করেছে। হোয়াইট হাউস ও পেন্টাগনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্টের কৌশলগত লক্ষ্য অর্জনের জন্য মার্কিন বাহিনীর কাছে পর্যাপ্ত গোলাবারুদ ও প্রয়োজনীয় সামরিক প্রস্তুতি রয়েছে।
অন্যদিকে ডেমোক্র্যাট নেতারা যুদ্ধটিকে বিপর্যয়কর হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, সংঘাতে ইতোমধ্যে ১৮ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন।
এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে এই বিপুল যুদ্ধব্যয় দেশটির বাজেট ও অর্থনীতির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে। ফলে যুদ্ধের সামরিক ব্যয়ের পাশাপাশি এর দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়েও যুক্তরাষ্ট্রে উদ্বেগ বাড়ছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ জাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক
আলহাজ্ব শেখ সিদ্দিকুর রহমান
বার্তা সম্পাদক
তাকছিমুন নাহার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
ইঞ্জিনিয়ার কে এম মেহেদী হাসান
|
মোবাইল: ০১৭১১২৪৯৭৭০
হোয়াটস্অ্যাপ: ০১৭১১২৪৯৭৭০
প্রধান কার্যালয় মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
Email: deshpatrika24@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: September 17, 2026, 2:59 pm