২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের ওপর। নতুন নীতির আওতায় কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও আবেদন ও যাচাই প্রক্রিয়ায় কড়াকড়ি বাড়ানো হয়েছে।
সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে ইমিগ্র্যান্ট (স্থায়ী বসবাস) ভিসার ক্ষেত্রে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, আবেদনকারীদের ‘পাবলিক চার্জ’ বা সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হওয়ার ঝুঁকি পুনর্মূল্যায়নের জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এই স্থগিতাদেশের ফলে পরিবারভিত্তিক স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা (ডিভি) এবং কর্মসংস্থানভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা বিলম্বিত হচ্ছে। তবে আবেদন জমা দেওয়া এবং সাক্ষাৎকার কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। আবেদনকারীরা সাক্ষাৎকারে অংশ নিতে পারলেও স্থগিতাদেশ বহাল থাকলে ভিসা ইস্যু বিলম্বিত হতে পারে।
অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও ব্যবসায়িক (বি-১/বি-২) ভিসা, চালু রয়েছে। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী, নির্দিষ্ট কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে। কার ক্ষেত্রে এই শর্ত প্রযোজ্য হবে, তা সাক্ষাৎকারের সময় কনস্যুলার কর্মকর্তা নির্ধারণ করবেন।
শিক্ষার্থী ভিসা (এফ-১, এম-১, জে-১) এবং অস্থায়ী কর্মসংস্থানভিত্তিক ভিসা (এইচ-১বি, এইচ-২বি, এল-১ ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে। এসব ভিসার ওপর কোনো সরাসরি স্থগিতাদেশ নেই। তবে নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা এবং স্পন্সর সংক্রান্ত যাচাই আরও কঠোর হওয়ায় আবেদন নিষ্পত্তিতে আগের তুলনায় বেশি সময় লাগছে।
বর্তমানে ঢাকায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে সব ধরনের ভিসা আবেদন অ্যাপয়েন্টমেন্টের মাধ্যমে গ্রহণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে নিরাপত্তা যাচাই আরও কঠোর করা হয়েছে। আবেদনপত্রে ভুল তথ্য, অসম্পূর্ণ কাগজপত্র বা সময়মতো তথ্য হালনাগাদ না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বেড়েছে।
সব মিলিয়ে, ইমিগ্র্যান্ট বা স্থায়ী বসবাসের ভিসা বর্তমানে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত। ট্যুরিস্ট ও ব্যবসায়িক ভিসা চালু থাকলেও নতুন শর্ত যুক্ত হয়েছে, আর শিক্ষার্থী ও কর্মসংস্থানভিত্তিক ভিসা চালু থাকলেও আবেদন যাচাই আগের তুলনায় অনেক বেশি কঠোর হয়েছে। তাই যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার জন্য আবেদন করার আগে সর্বশেষ নীতিমালা ও নির্দেশনা জেনে নেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
মার্কিন ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন: বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা স্থগিত, কোনটি চালু?
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের ওপর। নতুন নীতির আওতায় কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও আবেদন ও যাচাই প্রক্রিয়ায় কড়াকড়ি বাড়ানো হয়েছে।
সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে ইমিগ্র্যান্ট (স্থায়ী বসবাস) ভিসার ক্ষেত্রে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, আবেদনকারীদের ‘পাবলিক চার্জ’ বা সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হওয়ার ঝুঁকি পুনর্মূল্যায়নের জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এই স্থগিতাদেশের ফলে পরিবারভিত্তিক স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা (ডিভি) এবং কর্মসংস্থানভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা বিলম্বিত হচ্ছে। তবে আবেদন জমা দেওয়া এবং সাক্ষাৎকার কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। আবেদনকারীরা সাক্ষাৎকারে অংশ নিতে পারলেও স্থগিতাদেশ বহাল থাকলে ভিসা ইস্যু বিলম্বিত হতে পারে।
অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও ব্যবসায়িক (বি-১/বি-২) ভিসা, চালু রয়েছে। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী, নির্দিষ্ট কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে। কার ক্ষেত্রে এই শর্ত প্রযোজ্য হবে, তা সাক্ষাৎকারের সময় কনস্যুলার কর্মকর্তা নির্ধারণ করবেন।
শিক্ষার্থী ভিসা (এফ-১, এম-১, জে-১) এবং অস্থায়ী কর্মসংস্থানভিত্তিক ভিসা (এইচ-১বি, এইচ-২বি, এল-১ ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে। এসব ভিসার ওপর কোনো সরাসরি স্থগিতাদেশ নেই। তবে নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা এবং স্পন্সর সংক্রান্ত যাচাই আরও কঠোর হওয়ায় আবেদন নিষ্পত্তিতে আগের তুলনায় বেশি সময় লাগছে।
বর্তমানে ঢাকায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে সব ধরনের ভিসা আবেদন অ্যাপয়েন্টমেন্টের মাধ্যমে গ্রহণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে নিরাপত্তা যাচাই আরও কঠোর করা হয়েছে। আবেদনপত্রে ভুল তথ্য, অসম্পূর্ণ কাগজপত্র বা সময়মতো তথ্য হালনাগাদ না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বেড়েছে।
সব মিলিয়ে, ইমিগ্র্যান্ট বা স্থায়ী বসবাসের ভিসা বর্তমানে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত। ট্যুরিস্ট ও ব্যবসায়িক ভিসা চালু থাকলেও নতুন শর্ত যুক্ত হয়েছে, আর শিক্ষার্থী ও কর্মসংস্থানভিত্তিক ভিসা চালু থাকলেও আবেদন যাচাই আগের তুলনায় অনেক বেশি কঠোর হয়েছে। তাই যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার জন্য আবেদন করার আগে সর্বশেষ নীতিমালা ও নির্দেশনা জেনে নেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ জাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক
আলহাজ্ব শেখ সিদ্দিকুর রহমান
বার্তা সম্পাদক
তাকছিমুন নাহার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
ইঞ্জিনিয়ার কে এম মেহেদী হাসান
|
মোবাইল: ০১৭১১২৪৯৭৭০
হোয়াটস্অ্যাপ: ০১৭১১২৪৯৭৭০
প্রধান কার্যালয় মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
Email: deshpatrika24@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: July 28, 2026, 4:09 am