চীনের দক্ষিণাঞ্চলীয় দ্বীপ প্রদেশ হাইনান-এর পর্যটন, উচ্চমানের উন্মুক্ত অর্থনীতি, সবুজ উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মডেল বিশ্বব্যাপী তুলে ধরতে “হোয়াই চায়না: ওয়াকিং লিংশুই” শীর্ষক ছয় দিনব্যাপী একটি আন্তর্জাতিক মিডিয়া ট্যুর অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই আয়োজনে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাংবাদিক, সম্পাদক, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ এবং ডিজিটাল মিডিয়া প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য ছিল কেবল হাইনানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তুলে ধরা নয়; বরং চীনের মুক্ত বাণিজ্য বন্দরের বাস্তব অগ্রগতি, পরিবেশ সংরক্ষণ, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, চিকিৎসা পর্যটন, আন্তর্জাতিক শিক্ষা এবং গ্রামীণ পুনরুজ্জীবনের কার্যক্রম সরেজমিনে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের সামনে উপস্থাপন করা।
গত ২১ থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এই বিশেষ সফরের আয়োজন যৌথভাবে করে হাইনান প্রাদেশিক আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক বিনিময় কেন্দ্র এবং লিংশুই লি স্বায়ত্তশাসিত কাউন্টি সরকার।
আয়োজনে সহযোগিতা করে চায়না নিউজ সার্ভিস (বেইজিং) ইন্টারন্যাশনাল কমিউনিকেশন গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেডের হাইনান শাখা এবং লিংশুই লি স্বায়ত্তশাসিত কাউন্টির পর্যটন, সংস্কৃতি, বেতার, টেলিভিশন ও ক্রীড়া ব্যুরো।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আয়োজকরা জানান, বিশ্বের অনেক মানুষ এখনও হাইনানকে শুধুমাত্র একটি পর্যটন দ্বীপ হিসেবেই জানেন। কিন্তু বাস্তবে এটি বর্তমানে চীনের উচ্চমানের সংস্কার ও উন্মুক্তকরণের অন্যতম পরীক্ষাগার হিসেবে গড়ে উঠেছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের সরাসরি এই অঞ্চলে এনে বাস্তব উন্নয়নচিত্র তুলে ধরাই ছিল এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।
এই সফরের অন্যতম আকর্ষণ ছিল লিংশুই, যা দক্ষিণ চীন সাগরের তীরে অবস্থিত এবং বর্তমানে হাইনানের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় উপকূলীয় উন্নয়ন অঞ্চলের অন্যতম হিসেবে বিবেচিত। সমুদ্র, পাহাড়, বনাঞ্চল, নদী এবং আদিবাসী সংস্কৃতির অনন্য সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এই অঞ্চল একই সঙ্গে পর্যটন, শিক্ষা, ডিজিটাল প্রযুক্তি এবং সামুদ্রিক অর্থনীতির কেন্দ্র হিসেবেও দ্রুত বিকশিত হচ্ছে।
ছয় দিনের সফরে প্রতিনিধিদলটি ফেনচিয়েঝৌ দ্বীপ, দিয়াও লুওশান জাতীয় বন উদ্যান, হাইফেং আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন কেন্দ্র, লি’আন আন্তর্জাতিক শিক্ষা উদ্ভাবন পরীক্ষামূলক অঞ্চল, হাইনান ওশান অ্যামিউজমেন্ট ওয়ার্ল্ড, শুয়াং ফানশি মেরিন স্পোর্টস সেন্টার, নানওয়ান মাঙ্কি আইল্যান্ড, ট্রপিক্যাল ফরেস্ট এক্সপো পার্ক এবং চিলিং ক্যারেক্টারিস্টিক ভিলেজসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান পরিদর্শন করে।
এই সফরে অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিরা লিংশুই অঞ্চলের উন্নত প্রাকৃতিক পরিবেশ, ঐতিহ্যবাহী লোকসংস্কৃতি, বিপ্লবী ইতিহাস, পরিবেশ সংরক্ষণ কার্যক্রম, গ্রামীণ পুনরুজ্জীবন উদ্যোগ, আন্তর্জাতিক শিক্ষা সুবিধা, ডিজিটাল চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন শিল্প, উপকূলীয় অবকাশকেন্দ্র এবং জলক্রীড়াভিত্তিক পর্যটন অবকাঠামো সরাসরি পর্যবেক্ষণ করেন।
সফরে অংশ নেওয়া বিভিন্ন দেশের সাংবাদিকরা জানান, হাইনান সম্পর্কে পূর্বে যতটুকু ধারণা ছিল, বাস্তবে এসে তারা তার চেয়ে অনেক বেশি সম্ভাবনাময় ও আধুনিক একটি অঞ্চল দেখতে পেয়েছেন। তাদের মতে, মুক্ত বাণিজ্য বন্দর, আন্তর্জাতিক পর্যটন, ডিজিটাল প্রযুক্তি, চিকিৎসা, শিক্ষা এবং পরিবেশ সংরক্ষণকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে নেওয়ার যে মডেল হাইনানে গড়ে উঠেছে, তা বিশ্বের অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের জন্যও শিক্ষণীয় হতে পারে।
এই আন্তর্জাতিক সফরে বাংলাদেশসহ এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা, উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার ১২টি দেশের সাংবাদিক, সম্পাদক, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ, বিদেশি ব্লগার এবং চীনা ভাষার আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
একসময় শুধুমাত্র সমুদ্রসৈকতের জন্য পরিচিত হাইনান আজ প্রযুক্তি, শিক্ষা, চিকিৎসা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার একটি নতুন বৈশ্বিক কেন্দ্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে। এই অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্যও তাৎপর্যপূর্ণ। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ ও চীন-এর মধ্যে পর্যটন, শিক্ষা, চিকিৎসা, বিনিয়োগ এবং জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, হাইনানের মতো একটি আন্তর্জাতিক মুক্ত বাণিজ্য বন্দর ভবিষ্যতে বাংলাদেশের ব্যবসায়ী, পর্যটক, শিক্ষার্থী এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করতে পারে। পাশাপাশি দুই দেশের অর্থনৈতিক ও জনগণ পর্যায়ের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
চীনে ‘ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়া ট্যুর’-এ বাংলাদেশিসহ ১২ দেশের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ
চীনের দক্ষিণাঞ্চলীয় দ্বীপ প্রদেশ হাইনান-এর পর্যটন, উচ্চমানের উন্মুক্ত অর্থনীতি, সবুজ উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মডেল বিশ্বব্যাপী তুলে ধরতে “হোয়াই চায়না: ওয়াকিং লিংশুই” শীর্ষক ছয় দিনব্যাপী একটি আন্তর্জাতিক মিডিয়া ট্যুর অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই আয়োজনে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাংবাদিক, সম্পাদক, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ এবং ডিজিটাল মিডিয়া প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য ছিল কেবল হাইনানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তুলে ধরা নয়; বরং চীনের মুক্ত বাণিজ্য বন্দরের বাস্তব অগ্রগতি, পরিবেশ সংরক্ষণ, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, চিকিৎসা পর্যটন, আন্তর্জাতিক শিক্ষা এবং গ্রামীণ পুনরুজ্জীবনের কার্যক্রম সরেজমিনে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের সামনে উপস্থাপন করা।
গত ২১ থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এই বিশেষ সফরের আয়োজন যৌথভাবে করে হাইনান প্রাদেশিক আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক বিনিময় কেন্দ্র এবং লিংশুই লি স্বায়ত্তশাসিত কাউন্টি সরকার।
আয়োজনে সহযোগিতা করে চায়না নিউজ সার্ভিস (বেইজিং) ইন্টারন্যাশনাল কমিউনিকেশন গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেডের হাইনান শাখা এবং লিংশুই লি স্বায়ত্তশাসিত কাউন্টির পর্যটন, সংস্কৃতি, বেতার, টেলিভিশন ও ক্রীড়া ব্যুরো।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আয়োজকরা জানান, বিশ্বের অনেক মানুষ এখনও হাইনানকে শুধুমাত্র একটি পর্যটন দ্বীপ হিসেবেই জানেন। কিন্তু বাস্তবে এটি বর্তমানে চীনের উচ্চমানের সংস্কার ও উন্মুক্তকরণের অন্যতম পরীক্ষাগার হিসেবে গড়ে উঠেছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের সরাসরি এই অঞ্চলে এনে বাস্তব উন্নয়নচিত্র তুলে ধরাই ছিল এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।
এই সফরের অন্যতম আকর্ষণ ছিল লিংশুই, যা দক্ষিণ চীন সাগরের তীরে অবস্থিত এবং বর্তমানে হাইনানের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় উপকূলীয় উন্নয়ন অঞ্চলের অন্যতম হিসেবে বিবেচিত। সমুদ্র, পাহাড়, বনাঞ্চল, নদী এবং আদিবাসী সংস্কৃতির অনন্য সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এই অঞ্চল একই সঙ্গে পর্যটন, শিক্ষা, ডিজিটাল প্রযুক্তি এবং সামুদ্রিক অর্থনীতির কেন্দ্র হিসেবেও দ্রুত বিকশিত হচ্ছে।
ছয় দিনের সফরে প্রতিনিধিদলটি ফেনচিয়েঝৌ দ্বীপ, দিয়াও লুওশান জাতীয় বন উদ্যান, হাইফেং আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন কেন্দ্র, লি’আন আন্তর্জাতিক শিক্ষা উদ্ভাবন পরীক্ষামূলক অঞ্চল, হাইনান ওশান অ্যামিউজমেন্ট ওয়ার্ল্ড, শুয়াং ফানশি মেরিন স্পোর্টস সেন্টার, নানওয়ান মাঙ্কি আইল্যান্ড, ট্রপিক্যাল ফরেস্ট এক্সপো পার্ক এবং চিলিং ক্যারেক্টারিস্টিক ভিলেজসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান পরিদর্শন করে।
এই সফরে অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিরা লিংশুই অঞ্চলের উন্নত প্রাকৃতিক পরিবেশ, ঐতিহ্যবাহী লোকসংস্কৃতি, বিপ্লবী ইতিহাস, পরিবেশ সংরক্ষণ কার্যক্রম, গ্রামীণ পুনরুজ্জীবন উদ্যোগ, আন্তর্জাতিক শিক্ষা সুবিধা, ডিজিটাল চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন শিল্প, উপকূলীয় অবকাশকেন্দ্র এবং জলক্রীড়াভিত্তিক পর্যটন অবকাঠামো সরাসরি পর্যবেক্ষণ করেন।
সফরে অংশ নেওয়া বিভিন্ন দেশের সাংবাদিকরা জানান, হাইনান সম্পর্কে পূর্বে যতটুকু ধারণা ছিল, বাস্তবে এসে তারা তার চেয়ে অনেক বেশি সম্ভাবনাময় ও আধুনিক একটি অঞ্চল দেখতে পেয়েছেন। তাদের মতে, মুক্ত বাণিজ্য বন্দর, আন্তর্জাতিক পর্যটন, ডিজিটাল প্রযুক্তি, চিকিৎসা, শিক্ষা এবং পরিবেশ সংরক্ষণকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে নেওয়ার যে মডেল হাইনানে গড়ে উঠেছে, তা বিশ্বের অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের জন্যও শিক্ষণীয় হতে পারে।
এই আন্তর্জাতিক সফরে বাংলাদেশসহ এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা, উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার ১২টি দেশের সাংবাদিক, সম্পাদক, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ, বিদেশি ব্লগার এবং চীনা ভাষার আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
একসময় শুধুমাত্র সমুদ্রসৈকতের জন্য পরিচিত হাইনান আজ প্রযুক্তি, শিক্ষা, চিকিৎসা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার একটি নতুন বৈশ্বিক কেন্দ্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে। এই অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্যও তাৎপর্যপূর্ণ। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ ও চীন-এর মধ্যে পর্যটন, শিক্ষা, চিকিৎসা, বিনিয়োগ এবং জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, হাইনানের মতো একটি আন্তর্জাতিক মুক্ত বাণিজ্য বন্দর ভবিষ্যতে বাংলাদেশের ব্যবসায়ী, পর্যটক, শিক্ষার্থী এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করতে পারে। পাশাপাশি দুই দেশের অর্থনৈতিক ও জনগণ পর্যায়ের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ জাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক
আলহাজ্ব শেখ সিদ্দিকুর রহমান
বার্তা সম্পাদক
তাকছিমুন নাহার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
ইঞ্জিনিয়ার কে এম মেহেদী হাসান
|
মোবাইল: ০১৭১১২৪৯৭৭০
হোয়াটস্অ্যাপ: ০১৭১১২৪৯৭৭০
প্রধান কার্যালয় মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
Email: deshpatrika24@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: July 28, 2026, 4:09 am