সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কুশখালী ইউনিয়নের শিকড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ ভবনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পাঠদান চলছে। দীর্ঘদিন ধরে ভবনটির বিভিন্ন অংশে বড় ধরনের ফাটল, প্লাস্টার খসে পড়া এবং লোহার রড বেরিয়ে আসার মতো ভয়াবহ অবস্থা বিরাজ করলেও এখনো কার্যকর কোনো সংস্কার কাজ শুরু হয়নি। এতে বিদ্যালয়ের প্রায় ২৭০ জন শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং অভিভাবকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
সম্প্রতি বিদ্যালয় ভবনের প্রতিটি কলামের কংক্রিট খসে ভেতরের মরিচা ধরা রড বেরিয়ে গেছে। জানালার পাশের চারটি পিলারের বড় অংশ ভেঙে পড়ে ভেতরের লোহার রড বেরিয়ে এসেছে। শুধু তাই নয়, ভবনের বিভিন্ন দেয়াল ও বিমে বড় বড় ফাটলও স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান। এসব দেখে স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
১৯৯৬ সালে নির্মিত বিদ্যালয়টিতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শ্রেণিকক্ষের একাধিক স্থানে প্লাস্টার খসে পড়েছে। জানালার পাশের ক্ষতিগ্রস্ত পিলারগুলো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। কিছু স্থানে কংক্রিটের আবরণ ভেঙে যাওয়ায় লোহার রড উন্মুক্ত হয়ে পড়েছে এবং তাতে মরিচাও ধরেছে। তবুও প্রতিদিন শিক্ষার্থীরা এসব শ্রেণিকক্ষেই পাঠ গ্রহণ করছে।
শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ভবনের বেহাল অবস্থার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হলেও দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তারা বলেন, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত ভবনটি সংস্কার অথবা নতুন ভবন নির্মাণ করা জরুরি। অন্যথায় যেকোনো সময় অপ্রীতিকর দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
একাধিক অভিভাবক জানান, সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠানোর সময় সবসময় দুশ্চিন্তায় থাকতে হয়। ভবনের অবস্থা এতটাই নাজুক যে কখন কোথা থেকে প্লাস্টার বা কংক্রিট খসে পড়ে, সেই ভয় সবসময় কাজ করে। শিক্ষার পাশাপাশি শিশুদের নিরাপত্তাও সমান গুরুত্বপূর্ণ বলে তারা মনে করেন।
বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে তারাও উদ্বিগ্ন। ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত আতঙ্কের মধ্যে থাকতে হচ্ছে। তারা দ্রুত ভবনটির প্রকৌশলগত পরিদর্শন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
স্থানীয় সচেতন মহল ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে পাঠদান চলতে পারে না। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জরুরি ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
উল্লেখ্য, শিকড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি এলাকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বিদ্যালয়টিতে প্রায় ২৭০ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে ভবনটির অবকাঠামোগত সমস্যার কারণে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম উৎকণ্ঠা বাড়ছে।
স্থানীয়দের দাবি, বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ ভবন দ্রুত পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় সংস্কার কিংবা নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করুক সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও ঝুঁকিমুক্ত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।
শিকড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ ভবনে ঝুঁকি নিয়ে পাঠদান, আতঙ্কে ২৭০ শিক্ষার্থী
দ্রুত সংস্কার বা নতুন ভবন নির্মাণের দাবি অভিভাবক ও স্থানীয়দের
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কুশখালী ইউনিয়নের শিকড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ ভবনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পাঠদান চলছে। দীর্ঘদিন ধরে ভবনটির বিভিন্ন অংশে বড় ধরনের ফাটল, প্লাস্টার খসে পড়া এবং লোহার রড বেরিয়ে আসার মতো ভয়াবহ অবস্থা বিরাজ করলেও এখনো কার্যকর কোনো সংস্কার কাজ শুরু হয়নি। এতে বিদ্যালয়ের প্রায় ২৭০ জন শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং অভিভাবকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
সম্প্রতি বিদ্যালয় ভবনের প্রতিটি কলামের কংক্রিট খসে ভেতরের মরিচা ধরা রড বেরিয়ে গেছে। জানালার পাশের চারটি পিলারের বড় অংশ ভেঙে পড়ে ভেতরের লোহার রড বেরিয়ে এসেছে। শুধু তাই নয়, ভবনের বিভিন্ন দেয়াল ও বিমে বড় বড় ফাটলও স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান। এসব দেখে স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
১৯৯৬ সালে নির্মিত বিদ্যালয়টিতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শ্রেণিকক্ষের একাধিক স্থানে প্লাস্টার খসে পড়েছে। জানালার পাশের ক্ষতিগ্রস্ত পিলারগুলো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। কিছু স্থানে কংক্রিটের আবরণ ভেঙে যাওয়ায় লোহার রড উন্মুক্ত হয়ে পড়েছে এবং তাতে মরিচাও ধরেছে। তবুও প্রতিদিন শিক্ষার্থীরা এসব শ্রেণিকক্ষেই পাঠ গ্রহণ করছে।
শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ভবনের বেহাল অবস্থার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হলেও দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তারা বলেন, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত ভবনটি সংস্কার অথবা নতুন ভবন নির্মাণ করা জরুরি। অন্যথায় যেকোনো সময় অপ্রীতিকর দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
একাধিক অভিভাবক জানান, সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠানোর সময় সবসময় দুশ্চিন্তায় থাকতে হয়। ভবনের অবস্থা এতটাই নাজুক যে কখন কোথা থেকে প্লাস্টার বা কংক্রিট খসে পড়ে, সেই ভয় সবসময় কাজ করে। শিক্ষার পাশাপাশি শিশুদের নিরাপত্তাও সমান গুরুত্বপূর্ণ বলে তারা মনে করেন।
বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে তারাও উদ্বিগ্ন। ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত আতঙ্কের মধ্যে থাকতে হচ্ছে। তারা দ্রুত ভবনটির প্রকৌশলগত পরিদর্শন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
স্থানীয় সচেতন মহল ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে পাঠদান চলতে পারে না। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জরুরি ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
উল্লেখ্য, শিকড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি এলাকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বিদ্যালয়টিতে প্রায় ২৭০ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে ভবনটির অবকাঠামোগত সমস্যার কারণে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম উৎকণ্ঠা বাড়ছে।
স্থানীয়দের দাবি, বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ ভবন দ্রুত পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় সংস্কার কিংবা নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করুক সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও ঝুঁকিমুক্ত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ জাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক
আলহাজ্ব শেখ সিদ্দিকুর রহমান
বার্তা সম্পাদক
তাকছিমুন নাহার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
ইঞ্জিনিয়ার কে এম মেহেদী হাসান
|
মোবাইল: ০১৭১১২৪৯৭৭০
হোয়াটস্অ্যাপ: ০১৭১১২৪৯৭৭০
প্রধান কার্যালয় মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
Email: deshpatrika24@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: August 9, 2026, 8:13 am