বাংলাদেশের প্রথম নারী বাস সার্ভিসের চালক হিসেবে কাজ শুরু করেছেন এস কে ফাইমা। গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি নিজেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘শ্যালিকা’ হিসেবে পরিচয় দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে নিজের ‘দুলাভাই’ বলে উল্লেখ করেছেন।
ফাইমা মিহলা বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন আমার দুলাভাই। আর দুলাভাইয়ের কাছে শালিদের অনেকটা দাবি থাকে। আমি আমার দুলাভাইয়ের শ্যালিকা হিসেবে নিজেকে গর্বিত মনে করি।’
নিজের পরিচয় তুলে ধরে তিনি জানান, তিনি সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার মুখবাজার থানার শিলাম ইউনিয়নের বাসিন্দা। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী শুধু সিলেট জেলা বা বিভাগের দুলাভাই নন, তিনি তাদের শিলাম ইউনিয়নেরও দুলাভাই।
প্রধানমন্ত্রীকে ‘দুলাভাই’ উল্লেখ করে তাঁর কাছে কিছু প্রত্যাশার কথাও জানান ফাইমা। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে একটি প্রকল্প চালু হয়েছে এবং সেই প্রকল্পের মাধ্যমে তাঁরা সেবামূলক কাজে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। জনগণকে উন্নত পরিবহনসেবা দেওয়ার জন্য তাঁরা নিজেদের নিয়োজিত করেছেন বলেও জানান তিনি।
নারী বাসচালক হিসেবে কাজ করার সুযোগ পাওয়ায় সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ফাইমা বলেন, তাঁরা যাতে আরও দক্ষতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে যাত্রীসেবা দিতে পারেন, সে বিষয়ে সরকারের সুদৃষ্টি প্রত্যাশা করেন।
সিলেটের রাজনীতিকদের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, ‘আরিফ আঙ্কেল’ ও ‘মুক্তাদির ভাই’ সিলেটের মন্ত্রী হিসেবে তাঁদের সহযোগিতা করবেন—এমন প্রত্যাশা রয়েছে। বাংলাদেশের প্রথম নারী বাস সার্ভিসের ইতিহাসের অংশ হতে পারাকে তিনি গর্বের বিষয় হিসেবেও উল্লেখ করেন।
নিজের পেশাগত পরিচয় তুলে ধরে ফাইমা জানান, বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) দোতলা বাসের চালক হিসেবে কাজ শুরু করেছেন। তাঁর হেভি ড্রাইভিং লাইসেন্স রয়েছে বলেও জানান তিনি।
ভবিষ্যতে মেট্রোরেলসহ আরও বড় পরিসরের গণপরিবহন খাতে কাজ করার সুযোগ প্রত্যাশা করে ফাইমা বলেন, মেট্রোরেলের মতো জায়গাতেও যেন নারীরা সেবা দেওয়ার সুযোগ পান, সে বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা চান তাঁরা। এ প্রসঙ্গে তিনি প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর স্ত্রীকে উদ্দেশ করে নিজেদের প্রত্যাশার কথাও তুলে ধরেন।
তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ফাইমার আত্মীয়তার দাবির বিষয়ে তাঁর বক্তব্যে কোনো বিস্তারিত পারিবারিক পরিচয় বা সম্পর্কের সূত্র উল্লেখ করা হয়নি। তাঁর এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর ‘শ্যালিকা’ পরিচয় দিয়ে যা বললেন নারী বাসচালক ফাইমা
বাংলাদেশের প্রথম নারী বাস সার্ভিসের চালক হিসেবে কাজ শুরু করেছেন এস কে ফাইমা। গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি নিজেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘শ্যালিকা’ হিসেবে পরিচয় দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে নিজের ‘দুলাভাই’ বলে উল্লেখ করেছেন।
ফাইমা মিহলা বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন আমার দুলাভাই। আর দুলাভাইয়ের কাছে শালিদের অনেকটা দাবি থাকে। আমি আমার দুলাভাইয়ের শ্যালিকা হিসেবে নিজেকে গর্বিত মনে করি।’
নিজের পরিচয় তুলে ধরে তিনি জানান, তিনি সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার মুখবাজার থানার শিলাম ইউনিয়নের বাসিন্দা। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী শুধু সিলেট জেলা বা বিভাগের দুলাভাই নন, তিনি তাদের শিলাম ইউনিয়নেরও দুলাভাই।
প্রধানমন্ত্রীকে ‘দুলাভাই’ উল্লেখ করে তাঁর কাছে কিছু প্রত্যাশার কথাও জানান ফাইমা। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে একটি প্রকল্প চালু হয়েছে এবং সেই প্রকল্পের মাধ্যমে তাঁরা সেবামূলক কাজে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। জনগণকে উন্নত পরিবহনসেবা দেওয়ার জন্য তাঁরা নিজেদের নিয়োজিত করেছেন বলেও জানান তিনি।
নারী বাসচালক হিসেবে কাজ করার সুযোগ পাওয়ায় সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ফাইমা বলেন, তাঁরা যাতে আরও দক্ষতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে যাত্রীসেবা দিতে পারেন, সে বিষয়ে সরকারের সুদৃষ্টি প্রত্যাশা করেন।
সিলেটের রাজনীতিকদের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, ‘আরিফ আঙ্কেল’ ও ‘মুক্তাদির ভাই’ সিলেটের মন্ত্রী হিসেবে তাঁদের সহযোগিতা করবেন—এমন প্রত্যাশা রয়েছে। বাংলাদেশের প্রথম নারী বাস সার্ভিসের ইতিহাসের অংশ হতে পারাকে তিনি গর্বের বিষয় হিসেবেও উল্লেখ করেন।
নিজের পেশাগত পরিচয় তুলে ধরে ফাইমা জানান, বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) দোতলা বাসের চালক হিসেবে কাজ শুরু করেছেন। তাঁর হেভি ড্রাইভিং লাইসেন্স রয়েছে বলেও জানান তিনি।
ভবিষ্যতে মেট্রোরেলসহ আরও বড় পরিসরের গণপরিবহন খাতে কাজ করার সুযোগ প্রত্যাশা করে ফাইমা বলেন, মেট্রোরেলের মতো জায়গাতেও যেন নারীরা সেবা দেওয়ার সুযোগ পান, সে বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা চান তাঁরা। এ প্রসঙ্গে তিনি প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর স্ত্রীকে উদ্দেশ করে নিজেদের প্রত্যাশার কথাও তুলে ধরেন।
তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ফাইমার আত্মীয়তার দাবির বিষয়ে তাঁর বক্তব্যে কোনো বিস্তারিত পারিবারিক পরিচয় বা সম্পর্কের সূত্র উল্লেখ করা হয়নি। তাঁর এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ জাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক
আলহাজ্ব শেখ সিদ্দিকুর রহমান
বার্তা সম্পাদক
তাকছিমুন নাহার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
ইঞ্জিনিয়ার কে এম মেহেদী হাসান
|
মোবাইল: ০১৭১১২৪৯৭৭০
হোয়াটস্অ্যাপ: ০১৭১১২৪৯৭৭০
প্রধান কার্যালয় মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
Email: deshpatrika24@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: August 19, 2026, 5:55 pm