বরগুনা সদর উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নে চতুর্থ শ্রেণির ১০ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে শালিস বৈঠকে অভিযুক্তকে ১০টি জুতার বাড়ি দিয়ে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে শিশুটির পরিবার।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিন আগে সকালে স্কুলে যাওয়ার পথে স্থানীয় মো. ছালেক (৪০) নামের এক ব্যক্তি শিশুটিকে ডেকে নিয়ে শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বাড়ি ফিরে শিশুটি তার মাকে বিষয়টি জানায়।
ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে শালিস বৈঠক ডাকা হয়। সেখানে অভিযুক্তকে ১০টি জুতার বাড়ি দিয়ে বিষয়টি মীমাংসা করা হয় বলে দাবি করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার।
শিশুটির মা বলেন, ‘আমরা গরিব মানুষ, ওদের সঙ্গে পারব না। তাই চেয়ারম্যান যে রায় দিয়েছেন, তা মেনে নিতে হয়েছে। আমার মেয়েটা এখন স্কুলে যেতে ভয় পায়। আমরা এর সঠিক বিচার চাই।’
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বদরখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।
বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, ‘এটি ফৌজদারি অপরাধ। শালিসে মীমাংসার কোনো সুযোগ নেই। লিখিত অভিযোগ পেলে মামলা নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বরগুনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন, ‘বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হবে। স্কুলগামী শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বরগুনায় স্কুলছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ, শালিসে জুতার বাড়িতে মীমাংসার দাবি
বরগুনা সদর উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নে চতুর্থ শ্রেণির ১০ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে শালিস বৈঠকে অভিযুক্তকে ১০টি জুতার বাড়ি দিয়ে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে শিশুটির পরিবার।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিন আগে সকালে স্কুলে যাওয়ার পথে স্থানীয় মো. ছালেক (৪০) নামের এক ব্যক্তি শিশুটিকে ডেকে নিয়ে শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বাড়ি ফিরে শিশুটি তার মাকে বিষয়টি জানায়।
ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে শালিস বৈঠক ডাকা হয়। সেখানে অভিযুক্তকে ১০টি জুতার বাড়ি দিয়ে বিষয়টি মীমাংসা করা হয় বলে দাবি করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার।
শিশুটির মা বলেন, ‘আমরা গরিব মানুষ, ওদের সঙ্গে পারব না। তাই চেয়ারম্যান যে রায় দিয়েছেন, তা মেনে নিতে হয়েছে। আমার মেয়েটা এখন স্কুলে যেতে ভয় পায়। আমরা এর সঠিক বিচার চাই।’
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বদরখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।
বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, ‘এটি ফৌজদারি অপরাধ। শালিসে মীমাংসার কোনো সুযোগ নেই। লিখিত অভিযোগ পেলে মামলা নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বরগুনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন, ‘বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হবে। স্কুলগামী শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ জাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক
আলহাজ্ব শেখ সিদ্দিকুর রহমান
বার্তা সম্পাদক
তাকছিমুন নাহার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
ইঞ্জিনিয়ার কে এম মেহেদী হাসান
|
মোবাইল: ০১৭১১২৪৯৭৭০
হোয়াটস্অ্যাপ: ০১৭১১২৪৯৭৭০
প্রধান কার্যালয় মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
Email: deshpatrika24@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: October 11, 2026, 4:06 am