বরগুনায় দৈনিক কালবেলার জেলা প্রতিনিধি ও সাংবাদিক আসাদ সবুজকে একটি মামলায় গ্রেপ্তারের ঘটনায় সাংবাদিক মহলে ক্ষোভ ও নিন্দা দেখা দিয়েছে। তার নিঃশর্ত মুক্তি, মামলা প্রত্যাহার এবং গ্রেপ্তারের সময় আইন লঙ্ঘন হয়ে থাকলে তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতারা।
সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে অনিয়ম ও অসংগতির বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের কারণে একটি মহল দীর্ঘদিন ধরে আসাদ সবুজকে হয়রানি করে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তারা। তবে মামলার অভিযোগ ও এর সত্যতা যাচাইয়ের বিষয়টি আইনগত প্রক্রিয়ার মধ্যেই রয়েছে।
হাতকড়া পরানো নিয়ে প্রশ্ন
গ্রেপ্তারের পর আসাদ সবুজকে দুই হাত পেছনে হাতকড়া বা দড়ি দিয়ে বেঁধে আদালতে হাজির করার বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সাংবাদিক নেতারা। তাদের দাবি, একজন সাংবাদিককে এভাবে আদালতে হাজির করা আইন ও মানবাধিকারের পরিপন্থী।
তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, পুলিশ রেগুলেশন অব বেঙ্গল (পিআরবি)-এর ৩৩১ ধারায় বিশেষ পরিস্থিতি ছাড়া আসামির হাতে হাতকড়া ব্যবহারের বিষয়ে বিধিনিষেধ রয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য আইন, আদালতের নির্দেশনা ও সংশ্লিষ্ট বিধি অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা।
আদালত চত্বরে শিশুর কান্না
আসাদ সবুজকে আদালতে হাজির করার সময় তার শিশু কন্যার কান্নার দৃশ্য উপস্থিতদের মধ্যে আবেগের সৃষ্টি করে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। বাবাকে হাতকড়া পরা অবস্থায় দেখে শিশুটি কান্নায় ভেঙে পড়ে বলে জানান তারা।
সাংবাদিক নেতাদের প্রতিক্রিয়া
এ ঘটনায় বরগুনা সাংবাদিক ইউনিয়নসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন নিন্দা জানিয়েছে। সংগঠনগুলোর নেতারা বলেন, একজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা বা গ্রেপ্তারের মাধ্যমে তার পেশাগত দায়িত্ব পালনের অধিকার বাধাগ্রস্ত করা উচিত নয়। তারা মামলাটির নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।
সাংবাদিক নেতাদের ভাষ্য, মামলা ও গ্রেপ্তারের মাধ্যমে যেন সাংবাদিকদের পেশাগত স্বাধীনতা বা মতপ্রকাশের অধিকার বাধাগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সতর্ক থাকতে হবে।
তিন দফা দাবি
সাংবাদিক সমাজের পক্ষ থেকে আসাদ সবুজের নিঃশর্ত মুক্তি, তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অভিযোগের ভিত্তি না থাকলে মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে আইনবহির্ভূতভাবে হাতকড়া পরানো হয়ে থাকলে বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতারা।
বরগুনায় সাংবাদিক আসাদ সবুজ গ্রেপ্তার, সাংবাদিক মহলে ক্ষোভ ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবি
বরগুনায় দৈনিক কালবেলার জেলা প্রতিনিধি ও সাংবাদিক আসাদ সবুজকে একটি মামলায় গ্রেপ্তারের ঘটনায় সাংবাদিক মহলে ক্ষোভ ও নিন্দা দেখা দিয়েছে। তার নিঃশর্ত মুক্তি, মামলা প্রত্যাহার এবং গ্রেপ্তারের সময় আইন লঙ্ঘন হয়ে থাকলে তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতারা।
সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে অনিয়ম ও অসংগতির বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের কারণে একটি মহল দীর্ঘদিন ধরে আসাদ সবুজকে হয়রানি করে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তারা। তবে মামলার অভিযোগ ও এর সত্যতা যাচাইয়ের বিষয়টি আইনগত প্রক্রিয়ার মধ্যেই রয়েছে।
হাতকড়া পরানো নিয়ে প্রশ্ন
গ্রেপ্তারের পর আসাদ সবুজকে দুই হাত পেছনে হাতকড়া বা দড়ি দিয়ে বেঁধে আদালতে হাজির করার বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সাংবাদিক নেতারা। তাদের দাবি, একজন সাংবাদিককে এভাবে আদালতে হাজির করা আইন ও মানবাধিকারের পরিপন্থী।
তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, পুলিশ রেগুলেশন অব বেঙ্গল (পিআরবি)-এর ৩৩১ ধারায় বিশেষ পরিস্থিতি ছাড়া আসামির হাতে হাতকড়া ব্যবহারের বিষয়ে বিধিনিষেধ রয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য আইন, আদালতের নির্দেশনা ও সংশ্লিষ্ট বিধি অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা।
আদালত চত্বরে শিশুর কান্না
আসাদ সবুজকে আদালতে হাজির করার সময় তার শিশু কন্যার কান্নার দৃশ্য উপস্থিতদের মধ্যে আবেগের সৃষ্টি করে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। বাবাকে হাতকড়া পরা অবস্থায় দেখে শিশুটি কান্নায় ভেঙে পড়ে বলে জানান তারা।
সাংবাদিক নেতাদের প্রতিক্রিয়া
এ ঘটনায় বরগুনা সাংবাদিক ইউনিয়নসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন নিন্দা জানিয়েছে। সংগঠনগুলোর নেতারা বলেন, একজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা বা গ্রেপ্তারের মাধ্যমে তার পেশাগত দায়িত্ব পালনের অধিকার বাধাগ্রস্ত করা উচিত নয়। তারা মামলাটির নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।
সাংবাদিক নেতাদের ভাষ্য, মামলা ও গ্রেপ্তারের মাধ্যমে যেন সাংবাদিকদের পেশাগত স্বাধীনতা বা মতপ্রকাশের অধিকার বাধাগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সতর্ক থাকতে হবে।
তিন দফা দাবি
সাংবাদিক সমাজের পক্ষ থেকে আসাদ সবুজের নিঃশর্ত মুক্তি, তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অভিযোগের ভিত্তি না থাকলে মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে আইনবহির্ভূতভাবে হাতকড়া পরানো হয়ে থাকলে বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতারা।
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ জাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক
আলহাজ্ব শেখ সিদ্দিকুর রহমান
বার্তা সম্পাদক
তাকছিমুন নাহার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
ইঞ্জিনিয়ার কে এম মেহেদী হাসান
|
মোবাইল: ০১৭১১২৪৯৭৭০
হোয়াটস্অ্যাপ: ০১৭১১২৪৯৭৭০
প্রধান কার্যালয় মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
Email: deshpatrika24@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: October 2, 2026, 7:39 am